আবারও প্রকাশক হত্যা

দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

  অনলাইন ডেস্ক

১৩ জুন ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৩ জুন ২০১৮, ০০:৪৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

আবারও প্রকাশককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। লেখক, প্রকাশক ও বামনেতা শাহজাহান বাচ্চুকে গত সোমবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের কাকালদী এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। হত্যাকা-ের পর পরই ঘাতকরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাটিতে জঙ্গিদের সম্পৃক্ততা আছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এর আগে প্রকাশ্য বইমেলা প্রাঙ্গণে ঘাতকরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিল বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে। একইভাবে প্রকাশ্য লোকালয়ে চাপাতি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল আরেকজন লেখক ও ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে। দুজন ঘাতককে হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন দুই সাহসী ব্যক্তি, যাদের আমরা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বলে থাকি। তার পর সিলেটে নিহত হলেন আরেক লেখক অনন্ত বিজয় দাস। একই বছর ঢাকায় ঘরে ঢুকে চাপাতি দিয়ে হত্যা করেছে লেখক নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়কে। তারপর আজিজ মার্কেটে প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে তার অফিস রুমে ঢুকে একইভাবে চাপাতির আঘাতে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুরু থেকেই সরকার জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা দেখানোর কথা বলে আসছে। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জঙ্গিবিরোধী বেশ কিছু সফল অভিযানের খবরও বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এসেছে। এগুলোকে সরকারের সাফল্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করলে, হত্যা মামলাগুলোর তদন্ত শেষ না হওয়া ব্যর্থতা হিসেবেই চিহ্নিত হবে। জঙ্গিদের হাতে অনেক মানুষ মারা গেছেন। কিন্তু রাজীব হায়দার ছাড়া আর কোনো হত্যা মামলার বিচার হয়নি। খুনিরা পলাতক থাকলে এবং তাদের ধরা না গেলে তারা যে নতুন অঘটন ঘটাবে না বা ফের শক্তি সঞ্চয় করে মাঠে নামবে না, তার নিশ্চয়তা কী? আমরা চাই অবিলম্বে হত্যাকারীকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হোক। খুনের বিচারই পারে অপরাধের শিকড় নির্মূল করতে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে