সংরক্ষিত নারী আসন আরও পঁচিশ বছর

রাজনীতির মূলধারায় নারীকে নিয়ে আসা প্রয়োজন

  অনলাইন ডেস্ক

১০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৮, ০১:০৩ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন আরও ২৫ বছর থাকবে। এ জন্য সংবিধানের ৬৫ (৩) অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়েছে। গত রবিবার জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত বিল সর্বসম্মতক্রমে পাস হয়। তবে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। নারী আসন ৫০টিই থাকছে। ২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে নারী আসন বাড়িয়ে ৪৫টি করা হয়। সে সময় নারী আসনের মেয়াদ নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে পরবর্তী ১০ বছর ছিল। সে হিসাবে নারী আসনের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় সংরক্ষিত নারী আসন ৫০ করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, এর ফলে মূলত ক্ষমতাসীন দলই এতে বেশি লাভবান হয়। তাদের মতে আমাদের সামগ্রিক বাস্তবতার নিরিখে রাজনীতির মূলধারায় বা নেতৃত্বে নারীকে নিয়ে আসা প্রয়োজন। বাংলাদেশের নারী আন্দোলন দীর্ঘকাল ধরে দাবি করে আসছে সব রাজনৈতিক দলের জন্য আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশ আসনে নারীকে মনোনয়ন দেওয়ার।

রাজনৈতিক দলগুলোর নারীর ক্ষমতায়নের ব্যাপারে যে অঙ্গীকার-প্রতিশ্রুতি রয়েছে, এর যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হলে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র অর্থাৎ সব পর্যায়ে এক-তৃতীয়াংশ নারীর নেতৃত্বদানের বিষয়টি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন আন্তরিকতার সঙ্গে।

সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আর কোটার সংসদ সদস্যকে জনগণ একই চোখে দেখে না। সরাসরি ভোটে যিনি নির্বাচিত তাকে মানুষ জানে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে। নারীর ক্ষমতায়নের মহৎ উদ্দেশ্য সামনে রেখে সংসদে সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হলেও এ ক্ষেত্রে যে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে, তা দূর করতে না পারলে রাজনীতিসহ সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে কাক্সিক্ষত মাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো যাবে না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে