কোটা সংস্কার আন্দোলন : ‘আমি রাজাকার’

  রাহাত খান

১০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৮, ০১:০৩ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিসিএসে কোটা সংস্কারের দাবি কোনো নতুন দাবি নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমিত ছাত্রসমাজ থেকে এই দাবি প্রায় প্রতিবছর উত্থাপিত হয়ে আসছিল। আমার মতে, ছাত্রদের এই বিশেষ দাবিটি আগেই গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত ছিল সরকারের। বিশেষত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

দুঃখের বিষয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিসিএসে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের ন্যায্যতা অস্বীকার না করলেও সংস্কার সম্পর্কে কোনো সহৃদয় বিবেচনার কথাও কখনই বলেনি। যা কিছু বলার শেষ পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই বলতে হলো।

ততদিনে কোটা সংস্কার সারাদেশে মারমুখী ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে রূপ নিতে শুরু করে। একটা সময় অনেকের এমন মনে হচ্ছিল কোটা সংস্কারের আন্দোলন বুঝি বা বাষট্টির ছাত্র আন্দোলনের মতো সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।

শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। নেপথ্য কারণ দুটো। এক. লন্ডন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছে আসা টেলিফোন। লন্ডন থেকে যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং অন্যান্য কয়েকজনের কাছে ফোন করেছিলেন, তিনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি। তার কথাই বলে দেয় যে কোটা সংস্কারের ছাত্র আন্দোলনকে তারা সরকার পতন আন্দোলনের দিকে নিয়ে যেতে চাইছিলেন।

দ্বিতীয় কারণটি লন্ডন থেকে আসা ফোনের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ, রাজনৈতিক নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আন্দোরনরত এক ছাত্র তার পিঠে সাঁটানো কাগজে লিখে রেখেছে : আমি রাজাকার।

কেউ কেউ ভাবতে পারেন ঘোষণাটি তো একটিমাত্র ছাত্রের। কিন্তু দেশবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এই সেøাগানের বিপক্ষে একটা ছাত্রও তো প্রতিবাদ করল না। ছেলেটিকে বাধ্য করল না সেøাগানটি খুলে ফেলতে! অতঃপর কি বলা যায় না কোটা সংস্কারের নামে দেশবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সেøাগানের মধ্যেই নিহিত ছিল আন্দোলনের মর্মবাদী। আবার রশিদ খান নামে কোটা সংস্কারের এক গজিয়ে ওঠা ছাত্রনেতা তার অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে জঘন্য ভাষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছে, এটা কি ওর বাপের দেশ যে আমরা কিছু বলতে পারব না?

বেশি বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। বিসিএসে কোটা সংস্কারের আন্দোলন এগোতে চাইছে বাংলাদেশবিরোধী আন্দোলন হিসেবে। রশিদ খান এবং ‘আমি রাজাকার’ ঘোষণা করা ছাত্ররা চাইছে দেশে বিশৃঙ্খলাদশা সৃষ্টি করতে। সরকারের পতন চাইছে, কোটা সংস্কার মোটেই নয়। অধুনা কোটা সংস্কার ‘আন্দোলন’ জামায়াত-শিবির-বিএনপির দুর্বল রাজনৈতিক অবস্থানকে সবল করতে চাইছে। ছাত্রলীগকে এবং পুলিশকে একশ্রেণির অন্ধ বিএনপি সমর্থক দোষারোপ করছে আন্দোলন এবং আন্দোলনকারীদের ওপর ওদের চড়াও হওয়ার জন্য।

আমরাও ছাত্রলীগের মারপিটের পক্ষে নই। তবে যারা ‘আমরা রাজাকার’Ñ এই সেøাগানে ছাত্র আন্দোলনকে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করতে চাইছে সেটাও তো মেনে নেওয়া যায় না। রশিদ খান নামের ছেলেরা এমন ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে চাইছে যেন-বা দেশটা তাদেরই বাপ তথা রাজাকার-আলবদরদের দেশ! ছাত্রলীগের কথা উহ্য রাখলাম, দেশবিরোধীদের বিপক্ষে পুলিশও কি নিষ্ক্রিয় বা উদাসীন থাকবে?

আগেই বলেছি, বিসিএস ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিরাজমান কোটা সংস্কার সময়ের স্বার্থে যথাসম্ভব দ্রুত করে ফেলা উচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বেশ কিছু দিন আগে কেবিনেট সেক্রেটারিকে প্রধান করে এক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করে দিয়েছেন। কাজটা এমনই যে কোটায় সব শ্রেণির স্বার্থ রাখতে হবে। চাইলেও দু-চার দিনের মধ্যে করে ফেলা সম্ভব নয়। তবু আমি বলি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের কোটা যুক্তিপূর্ণ একটা সংখ্যা-সাম্যে রেখে যতটা পারা যায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কারের কাজটা নিষ্পত্তি করা হোক।

তবে শুধু কোটা সংস্কার নয়, প্রশাসন বৈদেশিকী, পুলিশ এবং অন্যান্য পেশায় যাতে মানসম্পন্ন লোকেরা যেতে পারে সে জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার একটা উচ্চমান বজায় রাখার ব্যবস্থা হওয়া দরকার। আমি মাঝে মাঝে বিসিএস পরীক্ষায় ভাইভা নিতে যেতাম জেনারেল এক্সপার্ট হিসেবে। সর্বোচ্চ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যারা অংশ নিতে যেতেন তাদের ৯০ ভাগই বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সন্তুষ্ট করতে পারতেন না। বাংলা বা ইংরেজি কোনো ভাষায়ই তারা শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারেন না। একবার ইংরেজি ভাষায় সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী এক যুবককে শেক্সপীয়র নামের বানানটা ইংরেজিতে লিখতে বলা হয়েছিল। তিনি শুদ্ধভাবে লিখতে পারেননি। ভুল হয়েছিল। অনেকটা কৈফিয়তের ভাষায় বলেছিলেন তাদের নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা মাধ্যমে ইংরেজি পড়ানো হয়। পরীক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা এই কৈফিয়ত গ্রহণ করেননি। কোটা সংস্কার যেমন হতেই হবে, তেমনি যারা একদিন দেশ শাসনে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলকে আমলাতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থার আওতায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য-সহযোগিতা জোগাবেন তাদেরও থাকতে হবে মানসম্পন্ন যোগ্যতা। বিসিএস মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিত হওয়া ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞানগম্মির আরও দু-একটা উদাহরণ দিলে সেটা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

প্রার্থী দেখতে শুনতে বেশ সপ্রতিভ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পাস করেছেন, চাকরিতে তার অগ্রাধিকার কাস্টম সার্ভিস। বোর্ড থেকে জিজ্ঞেস করা হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে কেন অগ্রাধিকার হিসেবে কাস্টম সার্ভিস নিতে চাইছেন? প্রার্থী বলেন, কাস্টম সার্ভিস তার ভালো লাগে। এই সার্ভিসে যোগ দিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান। তাকে কাস্টম সম্পর্কিত কয়েকটি প্রশ্ন করা হলো। একটারও সঠিক উত্তর পাওয়া গেল না। প্রার্থীর মুখে মোলায়েম হাসি। তার একটাই উত্তর, কাস্টম সার্ভিস তার খুব ভালো লাগে।

বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় জিজ্ঞেস করা হয়েছিল জাতীয় চার নেতা কারা। প্রার্থী প্রশ্ন শুনে একেবারে চুপ। নতমুখী হয়ে বললেন উত্তরটা তিনি জানেন না।

তবে বিষয়টি এমন নয় যে, বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় যোগ্য ছেলেমেয়ে একেবারে নেই। অবশ্যই সংখ্যায় ঢের কম হলেও যোগ্য প্রার্থীর দেখা মেলে। প্রায় সব কটা প্রশ্নের সপ্রতিভ উত্তর দেওয়া প্রার্থীর দেখাও পেয়েছি। যোগ্যতার বিচারে আমার মনে হয়েছে, মেয়েরা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে আসে। অবশ্য সব মেয়ে নয়, তবে বেশ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মেয়ে।

আমরা চাই, কোটা সংস্কারের আন্দোলন রাজনীতির বাইরে থাকুক। ‘আমি রাজাকার’ শ্রেণির রাজনীতিকরা ছাত্রছাত্রীদের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার করবে, সেটা হতে দেওয়া যায় না। আর সাধারণ শিক্ষার্থী যারা না বুঝে, না ভেবে দেশবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, তাদের কিছুটা সময় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কোটা সংস্কারবিষয়ক কমিটির রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা উচিত। নেপথ্যে থাকা কলুষিত রাজনীতি ও রাজনীতিকদের খপ্পরে তারা কেন পড়বেন। যারা কোটা সংস্কারের নামে একটা দেশবিরোধী রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করতে চাইছে, তাদের খপ্পরে কেন পড়বেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা? অনেকের মতো আমিও মনে করি, কোটা তো স্থায়ী কিছু না, সময়ের উপযোগিতা মেনে সব রকমের কোটা সংস্কার করতে হবে। করতেই হবে। এ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে যাওয়ার আগেই কোটা সংস্কারে হাত দেওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যারা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তি তাদের এ ব্যাপারে উদ্যোগী না হওয়ার একটা কারণ হতে পারে সরকারের সর্বোচ্চ তরফ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না পাওয়া। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দিষ্ট ব্যক্তিদের মনে রাখা উচিত ছিল, তারাও তো সরকারের অংশ, বিষয়টি তারা সরকারের সর্বোচ্চ মহলে না জানালে, বিষয়টির গুরুত্ব অবহিত না করলে সরকারের সর্বোচ্চ মহল সেটা জানবে কী করে? যা-ই হোক, কোটা সংস্কারের ক্ষেত্রে আন্দোলনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি যত তাড়াতাড়ি পারে সব শ্রেণি ও স্বার্থের একটি যুক্তিসিদ্ধ বিবেচনা মনে রেখে বিষয়টি সুরাহার ব্যবস্থা নিতে পারে।

শিক্ষার্থীদের একটা ক্ষুদ্র অংশের যারা সরকারের এলিট সার্ভিসে যাবেন তারা বলার অপেক্ষা রাখে না, ‘আমি রাজাকার’ জাতীয় দূষণ-দুষ্ট রাজনীতিকদের হাতের ক্রীড়নক। রশিদ খানের মতো ছাত্ররা কী চায় তা বোঝা যায়। ওরা কোটা সংস্কার হোক এর চাইতেও বেশি চায় দেশব্যাপী অসুস্থ আন্দোলন, যাতে দেশের চলমান উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যায়, শিক্ষাব্যবস্থা গোল্লায় যাক, নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সমাজ-পরিবেশকে গ্রাস করে। তার পর আর কি নেপোর সারে দৈ।

তবে এ রকম ধ্বংসাত্মক চিন্তা করলে ছাড় পাওয়া যাবে এটা মূর্খের স্বর্গবাসের ন্যায় একটা অলীক কল্পনা। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত দিয়ে কেনা অসাম্প্রদায়িক, বাঙালি জাতীয়তাবাদের গণতান্ত্রিক দেশ ফুরিয়ে-যাওয়া রাজনীতিক ও তাদের ‘আমি রাজাকার’ জাতীয় স্বল্পসংখ্যক দালাল ছাত্রের অপতৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটা তাদের দুঃস্বপ্নেরও অধিক।

কোটা সংস্কার যত দ্রুত হয় ততই মঙ্গল। তবে তুড়ি মেরে এটা তো কাল-পরশুর মধ্যে করে ফেলা যায় না। বাংলাদেশবিরোধী রাজনীতিকদের দালালরা সেই রকম অসম্ভব কিছু একটা চাইবে। আমার বিশ্বাস, যারা সংস্কারের জটিল দিকগুলো আঁচ করতে পারেন, তারা কোটা সংস্কারে সময়ের বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করতে সমর্থ হবেন।

কোটা সংস্কার যতটা সম্ভবপর, দ্রুত হোক। পাশাপাশি বিসিএস প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়া শিক্ষার্থীদের মানের প্রশ্নে যাতে ছাড় দেওয়া না হয়, সেই বিবেচনাও রাখতে হবে। এ জন্য যা দরকার তা মেধার প্রশ্নে কোনো আপস না করা। দেশপ্রেমের ক্ষেত্রেও আপস না করা। ‘আমি রাজাকার’ বলে ঘোষণা দেওয়া ছেলেটি বিসিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে সচিব, রাষ্ট্রদূত বা পুলিশের কর্তাব্যক্তি হয়ে যাবে, এ রকমটা চাই না। চার জাতীয় নেতার নাম জানে না এমন শিক্ষার্থী বিসিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে মেধাবী আমলাতন্ত্রে স্থান পাবে, তা কেউই চায় না। সোজা কথা মেধা ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আপস করা যাবে না।

দ্রুত কোটা সংস্কারে আমরা গুরুত্ব দিতে চাই। সেই সঙ্গে চাই মেধা ও দেশপ্রেমে যাতে কোনোক্রমে আপস না হয় সেই ব্যবস্থা। কোটা সংস্কারের নাম করে যারা সাধারণ শিক্ষার্থী মহলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, সেই সব ছাত্রছাত্রীকে চিহ্নিত করতে হবে। এটা বাংলাদেশবিরোধী কোনো রাজনৈতিক দলের ষড়যন্ত্রের নীল-নকশা কিনা সেটাও অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা দরকার।

বহুবার বলেছি, কোটা সংস্কার জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব, সেটা করতে হবে। তবে একটা দড়ি যদি হঠাৎ সাপের মূর্তি ধারণ করে, ছোবল দিতে উদ্যত হয়, সে ক্ষেত্রে নিশ্চেষ্ট হয়ে থাকার অর্থ নিজেদের অজ্ঞতা ও নিশ্চেষ্টতাকে চরম মূল্য দেওয়া। ভুলে গেলে চলবে না বাংলাদেশের উন্নয়নে, উত্তরণে বাংলাদেশেরই ছদ্মবেশী কয়েকটি দল ভারি দুশ্চিন্তায় আছে। দুশ্চিন্তায় আছে, কেননা পশ্চিম দিকের থেকে তাদের পই পই করে বলে দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশ যাতে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হয়, দুর্বলতর থেকে দুর্বলতর হয় সেই এজেন্ডা সামনে রেখে কাজ করতে। তা নইলে চাকরি নট।

দুর্জনের ছলের অভাব হয় না। নিজেদের আন্দোলন করার সাংগঠনিক মুরোদ নেই, অগত্যা যা পাওয়া যায় ভেবে ছাত্রদের দ্বারস্থ হয়েছে। ধরা খেয়ে এখন বিমূঢ়। কোটা সংস্কার যথাশীঘ্র হয়ে যাচ্ছে। কাজেই ইস্যু কোথায়, আন্দোলনই বা কী করে হয়।

য় রাহাত খান : কথাশিল্পী ও সাংবাদিক

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে