গরিবের চালে চক্রান্ত

দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে

  অনলাইন ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৮, ০১:৩৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবারও সারাদেশ থেকে বোরো চাল ক্রয় করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ চালই আসন্ন ঈদে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির মাধ্যমে কার্ডধারী সুবিধাভোগীদের কাছে বিনামূল্যে বিতরণ করবে সরকার। তবে অনেক জেলায়ই নিম্নমানের বোরো চাল কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খোদ রাজধানী এবং এর পার্শ্ববর্তী ধামরাই, সিঙ্গাইর, টাঙ্গাইল, কালিহাতীর গুদামসহ বিভিন্ন গুদামে নিম্নমানের চাল কেনার প্রমাণ পাওয়া গেছে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। আগামী মাসে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে এই বোরো চাল ১০ টাকা কেজিদরে তালিকাভুক্ত হতদরিদ্রদের কাছে বিক্রি করা হবে। আমরা আগেও দেখেছি অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে জনকল্যাণমুখী একটি উদ্যোগ যে কীভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচি।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন চালের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে খুলনার মহেশ্বরপাশা খাদ্যগুদাম পরিদর্শনকালে বিবর্ণ চালের সন্ধান পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে বেশ কিছু গুদামে রক্ষিত চালের নিম্নমান নিয়ে। গুণগত মানের প্রশ্নে তারা জিরো টলারেন্স নীতি বহাল রাখবেন। আর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুখে যা-ই বলুন না কেন, বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের কারণে খোদ খাদ্য বিভাগ বিব্রত। অধিদপ্তরের সর্বশেষ মাসিক সমন্বয় সভায় এ নিয়ে কথা উঠেছে।

আমরা চাই, যেসব স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ডিলার ও চাল ব্যবসায়ী চাল কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। লোক দেখানো জরিমানা নয়, দুর্বৃত্তদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। কেবল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নয়, সরকারের অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়েও বেশুমার দুর্নীতি ও অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকেও জবাবদিহির আওতায় আনার বিকল্প নেই।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে