ক্রেতারা দেখছেন দরদাম করছেন কিনছেন কম

রাজধানীর পশুর হাট

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ আগস্ট ২০১৮, ০১:৪৫ | আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১২:২৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফাইল ছবি
ঈদুল আজহার বাকি আরও পাঁচ দিন। রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাটগুলোতে এরই মধ্যে কোরবানির পশু বেচাকেনার ধুম শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো জমে ওঠেনি ঢাকার স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট। অনেকে হাটে আসছেন, গরু দেখছেন, দরদাম করছেন কিন্তু কিনছেন না।

ঢাকার হাটগুলোতে কমবেশি কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রেতারা আশাবাদী, দুই-একদিনের মধ্যেই গরু-ছাগল বেচাকেনা বাড়বে। তবে প্রতিবছরের মতোই তাদের শঙ্কা ভারতীয় গরুর আগমন নিয়ে।

রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকভর্তি গরু নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। বিক্রেতাদের পাশাপাশি হাটে নানা বয়সী মানুষের আনাগোনা। অনেক স্কুল-কলেজ পড়–য়াও এসেছে কোরবানির পশু দেখতে। অনেকে হাটে ভিড় কম থাকায় সন্তানদের নিয়েও এসেছেন।

বিক্রেতারা জানান, অনেকে হাটে আসছেন শখের বসে, শুধু পশু দেখতে। আবার অনেকে কেবল দরদাম করছেন। এখনো পশু কেনা শুরু করেননি। শহরবাসীর পশু রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এ ছাড়া গোখাদ্য ও পরিচর্যার লোকের অভাবে তারা বেশি দিন আগে গরু-ছাগল কিনেন না।

রাজধানীর গাবতলীর হাটে গতকাল কথা হয় ডুমুরিয়া থেকে আগত গরু ব্যবসায়ী মোসলেমউদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, তারা তিন ব্যবসায়ী একসঙ্গে উনিশটি গরু এনেছেন গাবতলীর হাটে। অন্য সময়ও তারা খুলনার বিভিন্ন স্থান থেকে গরু এনে গাবতলী হাটেই বিক্রি করেন। তবে ঈদ উপলক্ষে তাদের উচ্ছ্বাস একটু বেশিই। তিনি বলেন, মঙ্গলবার দুটি গরু বিক্রি হয়েছে। দামও মোটামুটি সন্তোষজনক। ক্রেতারা আসছেন। দরদাম করলেও কিনছেন খুব কমই। তবে ঈদের তিন দিন আগ থেকে হাট জমে উঠবে বলে তার ধারণা।

একই অবস্থা দেখা যায় রাজধানীর মেরাদিয়ার পশুর হাটে। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে এ হাট। সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে কোরবানির পশু। হাটের পাশেই রয়েছে ব্যবসায়ীদের জন্য থাকার জায়গা। সেখানে কথা হয় পাথর ব্যবসায়ী শামসুল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, শোক দিবস উপলক্ষে আজ ছুটির দিন। তাই হাতে সময় থাকায় কোরবানির পশু দেখতে এসেছি। দামে বনিবনা হলে আজই কিনে ফেলব। 

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে