কোথায় চলবে সিনেমা

সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন

  অনলাইন ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৮, ০১:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

নাগরিক বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম চলচ্চিত্র। এককালে সিনেমা হলগুলো গমগম করত, কিন্তু এখন সবটাই গল্পকথা। একে একে দেউটি নিভেছে সিনেমা হলের। গত আড়াই দশকে ঢাকায় দুই-তিনটি সিনেপ্লেক্স হলেও নতুন কোনো সিনেমা হল তৈরি হয়নি। এই শহরে নব্বইয়ের দশকে যেখানে অর্ধশত সিনেমা হল ছিল সেখানে প্রতিবছর কমতে কমতে এখন ২৮টিতে এসে ঠেকেছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির হিসাব অনুযায়ী, ঢাকাসহ সারাদেশে মোট ১ হাজার ৪৩৫টি সিনেমা হল চালু ছিল। দেশে এখন চালু আছে তিন শতাধিক সিনেমা হল। এর মধ্যে সারাবছর চালু থাকে মাত্র দুই শতাধিক সিনেমা হল। আর ঈদ উপলক্ষে প্রায় ১০০ সিনেমা হল চালু করা হয়। ভালো ছবির অভাব, দর্শক সংখ্যা হ্রাসসহ নানা কারণে একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হয়েছে সত্যি, কিন্তু দেশের সিনেপ্লেক্স ঠিকই দর্শক টানতে সক্ষম হচ্ছে। ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও যমুনা ব্লকবাস্টারে দেশি-বিদেশি সব ধরনের ছবি দেখতেই দর্শক ভিড় করে। গত কয়েক বছরে কয়েকটি ছবি শুধু এ দুটি প্রেক্ষাগৃহেই মুক্তি পেয়েছে। মধ্যবিত্ত কিংবা উচ্চবিত্তরাই সাধারণত এ সিনেপ্লেক্সে আসে। মনে রাখতে হবে চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই মধ্যবিত্তকে সিনেমা হলে ধরে রাখতে হবে। সেজন্য চাই মানসম্মত পরিবেশ। আর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে সত্যিই যদি বাঁচিয়ে রাখতে হয় তবে আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ ও মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ জরুরি। তেমনি জরুরি এখনো টিকে থাকা প্রেক্ষাগৃহগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সহযোগী ভূমিকা পালন করতে পারে।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে