বগুড়ায় বাসে পেট্রলবোমা হামলা

মানুষ পুড়িয়ে কখনো জনগণের রাজনীতি হতে পারে না

  অনলাইন ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৮, ০১:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার পর বগুড়ায় বাসে পেট্রলবোমা হামলা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আহত হন তিন নারী যাত্রী। ঘটনার পর পরই পুলিশ ধাওয়া দিয়ে জেলা যুবদলের এক নেতাকে আটক করে। অবশ্য রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল কিন্তু এর মধ্যেও পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল ঝটিকা মিছিল করেছে রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, জয়পুরহাটসহ কয়েকটি জেলায়।

বলার অপেক্ষা রাখে না, আমাদের দেশে আগে মানুষ জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে এমন নৃশংস রাজনীতি কেউ করেনি। বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটা নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি পেট্রলবোমাকে হাতিয়ার করে। সুনির্দিষ্টভাবে বললে বলতে হয়, বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-শিবিরচক্র সক্রিয় হয়ে নাশকতার রাজনীতি জোরদার করেছে। আগে রগ কাটা, গলা কাটার রাজনীতি চলত। তার পর এর সঙ্গে যোগ হয় পেট্রলবোমা। রেললাইনে নাশকতা। আজকাল ভেবেচিন্তেই মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। যেন রাজনৈতিক কর্মকা-ের নামে কিছু খুনিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের মূল লক্ষ্য হত্যা করা, সরকারি সম্পদ, যানবাহন ও দোকানপাটে আগুন দেওয়া। অন্য কথায় বলতে গেলে, তাদের কাজ হলো সর্বোচ্চ ভীতি ও আতঙ্ক ছড়ানো। যে রাজনীতির লক্ষ্য মানুষ হত্যা করা, তা কখনো জনগণের রাজনীতি হতে পারে না। হামলাটি যেভাবে চালানো হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে সন্ত্রাসী কর্মকা-। আমরা এর নিন্দা জানাই এবং এর প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করছি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে