sara

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিএনএনের মামলার তাৎপর্য কতটা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০১:৪৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমেছে দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিএনএন। প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের প্রধান সংবাদ প্রতিনিধি জিম অ্যাকোস্টাকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে টেলিভিশন চ্যানেলটি। বাংলাদেশ সময় গত মধ্যরাতে এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে : সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার সময় ট্রাম্পের সঙ্গে অ্যাকোস্টার দ্বন্দ্ব বাধে। ট্রাম্প তাকে ‘বদমেজাজি’ বলে গালমন্দ দেন। প্রেসিডেন্টের ইশারায় হোয়াইট হাউসের এক নারী ইন্টার্ন অ্যাকোস্টার কাছ থেকে মাইক কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শক্ত হাতে মাইক ধরে রাখেন এ সাংবাদিক। তখন ট্রাম্প বারবার বলতে থাকেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট
 হয়েছে।’ তার মতো সংবাদকর্মীকে কেন সিএনএন চাকরিতে রেখেছে, এ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। এর কিছুক্ষণ পরই হোয়াইট হাউস থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, অ্যাকোস্টার ‘পাস’ বাতিল করা হয়েছে। তিনি আর প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে কোনো সংবাদ সংগ্রহে ঢুকতে পারবেন না। ৭ নভেম্বরের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত তাকে একবারও হোয়াইট হাউসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমন নিষেধাজ্ঞার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিএনএন।
কী চায় সিএনএন : মামলায় দাবি করা হয়েছে, এমন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সংবাদ সংগ্রহে অ্যাকোস্টা ও সিএনএনের সাংবিধানিক অধিকারকে ছোট করা হয়েছে। সিএনএন অ্যাকোস্টার প্রেস পাস ফিরে পেতে চায়। তারা এও দাবি করেছে, আদালত নিশ্চয়ই হোয়াইট হাউসের দেওয়া নিষেধাজ্ঞাকে ‘অসাংবিধানিক’ ঘোষণা করবেন।
হোয়াইট হাউস কী বলছে : প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স বলেছেন, ‘সিএনএন যে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে মরিয়া, এটা তার বড় উদাহরণ। আমরা এ মামলার যুতসই জবাব দিয়ে ছাড়ব।’ মাইক আঁকড়ে থাকার জন্য অ্যাকোস্টার সমালোচনা করেছেন তিনি। তবে স্যান্ডার্স মামলায় থাকা বিষয়গুলো নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
অ্যাকোস্টার আইনজীবীর মত : সিএনএনের পক্ষে লড়ছেন প্রখ্যাত আইনজীবী টেড ওলসন। তিনি বলেছেন, ‘এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা মামলা।’ এবার হয়তো অ্যাকোস্টার ‘প্রেস পাস’ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওলসন মনে করেন, ‘ভবিষ্যতে যে কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এভাবে দাঁড়াতে পারেন যে কোনো রাজনীতিক।’
ওলসন আরও বলেছেন, ‘সাংবাদিকদের চুপ করানো যাবে না। তাদের সেনসর করা যাবে না। তাদের ভয়ভীতি দেখানো যাবে না।’ ওলসনের বিশ্বাস, ‘এটাই হবে শেষ ঘটনা। এর পর হোয়াইট হাউস এভাবে আর পার পাবে না।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে