ইসির নজরদারি

আস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে

  অনলাইন ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৫৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় সরকারের অধীনে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, তিন দশক ধরে নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে চলমান রাজনৈতিক মতবিরোধ উত্তরণের সুযোগ এবার সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, যে কোনো দেশের তুলনায় আমাদের নির্বাচন কমিশনের আইনে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষমতা যদি তারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করে তা হলে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন করা সম্ভব। এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের যা করা প্রয়োজন, তা করার অগাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কারণ সংবিধানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। ধারা ১১৯-এ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য শুধু নির্বাচন কমিশনকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য ধারায় অন্যদের সহযোগী করা হয়েছে মাত্র। এ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে।

গত সোমবার থেকে নির্বাচন উপলক্ষে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাতে অপপ্রচার ও গুজব ছড়াতে না পারে সেজন্য ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেউ যদি এসব মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব ছড়ায় তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও আইসিটি আইনসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা মনে করি, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য এমন পদক্ষেপ দরকার ছিল, যাতে ভুয়া ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করা যায়। অসত্য সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে। তবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ইসিকে আরও ভূমিকা রাখতে হবে, কারণ আস্থার সংকট এখনো কাটেনি। একমাত্র নিরপেক্ষ ও বলিষ্ঠ অবস্থানই জনমনে ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে