দুই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ৪২০০ কোটি টাকার ঋণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০২:১৫ | আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের উন্নয়নে নতুন করে দুটি প্রকল্পে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেবে বহুজাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। গ্রামীণ সড়ক ও সেতুর উন্নয়নে ‘অপারেশন ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ এবং ‘সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইম্প্রুভমেন্ট’ নামের এ দুটি প্রকল্পে ঋণ দেবে সংস্থাটি।

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে দুটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা বেগম এবং ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান।

জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের এ ঋণ ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে সরকারকে। সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সার্ভিসচার্জ শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ। মোট ২ শতাংশ সুদ দিতে হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অপারেশন ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সেতুগুলোর সংস্কার হবে। এ ছাড়া এসব সেতুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপন, প্রয়োজনীয় গ্রামীণ সেতু নির্মাণ, গ্রামীণ সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত দক্ষতা বৃদ্ধি, সমন্বিত অডিট ব্যবস্থাপনা, ডিসবাজমেন্ট লিংক ইন্ডিকেটর (ডিএলআই) ভেরিফিকেশন এবং এলজিইডির দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। এ প্রকল্পটি চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

দ্বিতীয় রুরাল ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্পটিতে অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এর আগে প্রকল্পটিতে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছিল সংস্থাটি। প্রকল্পটির আওতায় সাম্প্রতিক সময়ে বন্যা ও দীর্ঘমেয়াদি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকল্পের আওতাধীন ১৮টি জেলার ১ হাজার ৪৩৩ কিলোমিটার উপজেলা ও ইউনিয়ন রাস্তা মেরামত, আবহাওয়া সহনশীল রাস্তার ডিজাইন এবং প্রকল্প মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্প দুটির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু কাজ করা হলে তার সফলতার ভিত্তিতে পরের অংশে অর্থছাড় করা হবে বলে জানান মাহমুদা বেগম। চিমিয়াও ফান জানান, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন-বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন ইত্যাদির কারণে বাংলাদেশের শক্তিশালী গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে