নির্বাচনোত্তর যত অভিযোগ ও কিছু ভাবনা

  ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:১৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বহুপ্রতীক্ষিত ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। ২৮৮ আসন পেয়ে মহাজোট নিরঙ্কুশ জয়ী হয়েছে। বাকি ১০টি আসন ভাগাভাগি করে ঐক্যজোট ৭টি আসন পেয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ দল, যারা ক্ষমতায় ছিল একাধিকবার, মাত্র ৫টি আসন পেয়েছে। এই পাঁচজনের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ছাড়া আর কেউই তেমন পরিচিত নন। নির্বাচন এবং নির্বাচনের ফল শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। হয়তো আন্তর্জাতিক গবেষকরা এই নির্বাচন নিয়ে গবেষণা করবেন। প্রশ্ন থাকবে, কেন একটি এত বড় দলের এত বড় বিপর্যয় এই একবিংশ শতাব্দীতে?

এই নির্বাচনে অনেক অভূতপূর্ব রেকর্ডও হয়েছে। অতীতে ১৯৭৩ সাল ছাড়া কোনো ক্ষমতাসীন দল বহুদলীয় নির্বাচনে এত আসন পায়নি। অন্যদিকে মোট ১ হাজার ৮৫৫ বৈধ প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৪২২ জন জামানতের টাকা হারিয়েছেন। কোনো এক আসনে প্রার্থী নিজের ভোটটিও পাননি। অনুসন্ধান করলে এমন বহু তথ্য পাওয়া যাবে, যা রেকর্ড হয়ে থাকবে। যাহোক এই নির্বাচনের ওপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিজের মতো করে অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তি লিখেছেন। তাই আমি কোনো বিশ্লেষণ থেকে বিরত থাকলাম। তা ছাড়া বিশ্লেষণ করার মতো তথ্য-উপাত্ত এখন পাওযা যায়নি। প্রায় সব নিবন্ধিত দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচিত সরকার ও সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সেটি যেমন বড় কথা, তেমন ১৭ জনের প্রাণহানি এবং সুবর্ণচরের ঘটনা অতীব বেদনাদায়ক। একবিংশ শতাব্দীতে শুরুর দিকে ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সংখ্যালগিষ্ঠদের ওপর জঘন্য হামলার পর সুবর্ণচরের মতো ঘটনা ঘটবে আশা করা যায়নি। অবশ্য পুলিশের তৎপরতায় হোতারা ধরা পড়েছে। এ জন্য সরকার ও পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। এখন একটাই দাবি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়Ñ যাতে ভবিষ্যতে নিজের ইচ্ছামতো ভোট দেওয়ায় কেউ যেন নিগৃহীত না হয়। তথ্যমতে, ঘটনাটি ঘটে ভোটের রাতে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার ছিল কিনা, তা নির্বাচন কমিশন আদৌ আমলে নিয়েছে কিনাÑ জানা যায়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া, ফলাফল গেজেট না হওয়া পর্যন্ত সমাপ্ত হয় না। কাজেই এ ক্ষেত্রে ৯১ইসহ আরপিওর ধারা প্রযোজ্য হয় কিনা, দেখা যেতে পারত। অবশ্য সংজ্ঞা মতে, নির্বাচনী বিরোধ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনী সময় (ঊষবপঃরড়হ চবৎরড়ফ) সমাপ্ত হয় না। অন্যদিকে রাজশাহীর প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামবাসীর নিজস্ব পছন্দে ভোট দেওয়ার অপরাধে যা ঘটেছে, তা তৃতীয় মেয়াদের নির্বাচিত সরকারের জন্য বিব্রত হওয়ার মতো ঘটনা। অতীতে এমনটি দেখা যায়নি। অবশ্য সেখানেও প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর হয়েছিল। এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে চিহ্নিত করা ঠিক নয়। কারণ এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনার যোগফলই বড় ঘটনায় পরিণত হতে পারে।

যাহোক এই নির্বাচন নিয়ে বিশ্লেষণ করার জন্য আমার আজকের লেখাটি নয়, বরং নির্বাচনসংক্রান্ত কিছু বিক্ষিপ্ত আলোচনা করাই আমার উদ্দেশ্য। যদিও অত্যন্ত সফল নির্বাচন হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন ‘পিঠা উৎসব’ উদযাপন করেছে (বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট), আর তখনো বিরোধী জোট থেকে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। তারা আইনের আশ্রয় নেবেন কিনা, জানা নেই। তবে তেমনটিই তারা ব্যক্ত করেছেন। স্মরণযোগ্য যে, গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে যে কোনো সংঘবদ্ধ প্রার্থীকে আরপিও এবং অন্যান্য আইন মোতাবেক আইনের আশ্রয় নিতে হবে।

দুই

যেমনটা বলেছি, এই নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে, যা প্রমাণসাপেক্ষ। কিন্তু অনেকেই যে ভোট দিতে পারেননি, তা সাধারণ মানুষের মুখেই শোনা। তবে কেন্দ্রভিত্তিক পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে গবেষণার উপাদান হবে, অনেক প্রশ্নের জন্ম দেবে।

এ পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সমীপে একটি অত্যন্ত বাস্তব প্রশ্ন করাই যায়। প্রশ্নটি ইভিএমের ব্যবহার ক্ষেত্রে এবং এর ফল নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও প্রশ্ন থাকে, প্রদত্ত ভোটের হার নিয়ে যে বিষয়টি অনেক বোদ্ধার বোধগম্য হয়নি। আমি ইভিএমের সপক্ষে এবং মনে করি, ইভিএম ব্যবহারই জালভোট ঠেকাতে পারে। তবে যদি ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাতে বুথ দখল না হয়ে যায় বা শুধু সপক্ষের ভোটারদেরই ভোট প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে ৬টি সংসদীয় আসনে ব্যবহৃত ইভিএম অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির ভোটার চিহ্নিত করা ছাড়া ব্যালট ইউনিট উন্মুক্ত হয় না। আর বুথ দখল হলে ভোটারদের নির্দিষ্ট জায়গায় ভোট দেওয়ায় বাধ্য করা ছাড়া নিজের ভোট অন্য কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়।

লক্ষণীয় হলো এবারের ছয়টি আসনের ভোটের গড়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছয়টি শহরে ইভিএম ব্যবহার হলেও শুধু ঢাকার দুটি আসনে ব্যবহৃত ইভিএমের ভোটের পরিসংখ্যানসহ পার্শ্ববর্তী আসনগুলোর ভোটের পরিসংখ্যানের তুলনামূলক বিচারে কয়েকটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে ইভিএম ব্যবহারকে সর্বজনীন করার জন্য কমিশনকে খতিয়ে দেখতে হবে।

শুধু ঢাকা শহরের সংসদীয় আসন ৬ ও ১৩-এর ভোটের গড় পার্শ্ববর্তী আসনগুলোর গড়ের সঙ্গে তুলনা করেই কমিশন ইভিএমের সর্বজনীন ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। পারবে ইভিএম নিয়ে সন্দেহ দূর করতে। ঢাকার দুটি ইভিএম আসনে ভোটের গড় ৪৪.৫৫ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা ৬-এ ভোটের গড় ৪৫.৬ ও ঢাকা-১৩ আসনে ৪৩.৫ শতাংশ। অথচ এ দুই আসনের চারপাশের সংসদীয় আসনে গড়পড়তা ৮০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। ৬টি আসনে ইভিএমের গড় ৫১.৬৫ শতাংশ যখন, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী সারাদেশের গড় ৮০ শতাংশ।

এই বিশ্লেষণের প্রেক্ষাপটে ইভিএমের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। ইভিএমে প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট কম হওয়ার কারণ কী হতে পারে! এসব আসনই, বিশেষ করে ঢাকার আসনগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়। তবুও এত কম ভোটার উপস্থিতির কারণ কী হতে পারে! একটি কারণ হতে পারে, ভোটারদের ইভিএমের ওপরে আস্থা না থাকায় সারাদেশের এ ছয়টি আসনে ভোট দিতে আসেনি? অথবা ব্যাপক কারিগরি সমস্যার কারণে ইভিএম সঠিকভাবে ভোটগ্রহণ করতে পারেনি। এ জন্য ২৫-৩০ শতাংশ ভোটার এই ছয় আসনে ভোট প্রদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বক্তব্যের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সারাদেশে ভোটগ্রহণের জন্য ইভিএম প্রস্তুত ও কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। জনমনে প্রশ্ন রয়েছে, ইভিএম যদি তেমন কার্যকরই না হয়, তবে এত খরচ করে ইভিএমের প্রয়োজন কতখানি, সেটিও ভাবার বিষয়। তা ছাড়া ইভিএম বুথ দখল কোনোভাবেই রোধ করতে পারে না। এসব বিষয় অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক খতিয়ে দেখা উচিত। কেননা ভবিষ্যতে আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় অবশ্য আরও অনেক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োজন।

তিন

প্রায় প্রতি নির্বাচনেই আগের রাতে ব্যালট বাক্সে ব্যালট ভরে ফেলার অভিযোগ হয়ে আসছে। এ কারণে স্বচ্ছ ব্যালট ব্যাক্সের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। কিন্তু সে অভিযোগ ক্রমবর্ধমান। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে এমন অভিযোগ ছিল ব্যাপক এবং বিবিসির একটি ভিডিও বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হয়। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স বা ট্রান্সলুসেন্ট ব্যালট বাক্সের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ব্যালট কাজেই একটি বুথে একটি ব্যালট বাক্স থাকার কথা। অতিরিক্ত ব্যালট বাক্স কেন্দ্রে আগাম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ার কথা নয়। কাজেই রাতে বুথ দখল করে ব্যালট ভরতে হলে একটি বাক্সই ব্যবহার করতে হবে, যেটি সকালে এজেন্টদের দেখার কথা। কিন্তু সকাল থেকে প্রতিপক্ষের এজেন্ট না থাকলে ব্যালট বাক্স নিরীক্ষণ করার যারা থাকবেন, তারা একটি পক্ষই হতে হবে। অবশ্যই এ ধরনের কর্মকা-ে প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যোগসাজশ ছাড়া সম্ভব নয়।

এই নির্বাচনে এ ধরনের এন্তার অভিযোগ রয়েছে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে। তবে বর্তমানে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় ভোটারদের স্বাক্ষরসহ সব তথ্যই ডিজিটাল সংরক্ষিত রয়েছে, যার মাধ্যমে বেআইনি ভোট শনাক্ত করা সহজ। কারণ আইন অনুযায়ী ব্যালট পেপারের মুড়িতে ভোটারের সিরিয়াল নম্বর ও দস্তখত থাকার কথা, যা প্রয়োজনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিশ্চিত করা সহজ। কাজেই নিরীক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করলে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নিরূপণ সম্ভব। এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর।

সাধারণত প্রচলিত ধারণা, গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশনের তেমন কিছু করণীয় নেই। এ সময়ে শুধু আদালতের এখতিয়ারই রয়েছে। এমনটি নয়, প্রথমত যেখানে অভিযোগ গুরুতর, সেসব জায়গায় গেজেট প্রকাশ করার আগেই নির্বাচন কমিশন বুথ দখল এবং আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরার মতো গুরুতর অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখার ক্ষমতা আইনানুগভাবে দেওয়া রয়েছে। অন্যদিকে গেজেট প্রকাশের পর ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার হলেও নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই তথ্য-উপাত্ত হাজির করতে হয়। নির্বাচনে এ ধরনের কারচুপির অভিযোগ হ্রাসে নির্বাচন কমিশনকে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যালট স্টফিং, আগের রাতে অথবা বুথ দখলের মাধ্যমে, নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়েছে বলে মনে হয়। যাহোক এখানে একটি সুপারিশ রাখা হলো, যা নির্বাচন কমিশন বিবেচনায় নিতে পারে।

বর্তমানে দেশের যোগাযোগব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রেই ত্বরিতগতিতে নির্বাচন সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব। এ কারণে আগের রাতেই সামগ্রী না পাঠিয়ে ব্যালট পেপার ও বাক্স ভোটগ্রহণের দিন ভোরে পাঠানো যেতে পারে। অন্তত আগামী মার্চে উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন চিরাচরিত প্রথার বাইরে এ ব্যবস্থা পরীক্ষা করতে পারে। তবে দখল হলে সব ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হয়। বুথ দখল ঠেকানোই নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব।

আমাদের দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় প্রতিনিয়তই কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব। এখানেই নির্বাচন কমিশনের আগাম প্রস্তুতির প্রয়োজন।

চার

আমার এই বিচ্ছিন্ন লেখা শেষ করব ভাড়াক্রান্ত মনে। সৈয়দ আশরাফের মতো পরিচ্ছন্ন ভদ্রলোক রাজনীতিবিদের এভাবে চলে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। আমাদের দেশের রাজনীতিতে সৈয়দ আশরাফের মতো মানুষের প্রাচুর্য নেই। তিনি সর্বদলের এবং সর্বসাধারণের অত্যন্ত প্রিয় ও অনুসরণীয় ব্যক্তি ছিলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে এবং বাইরে পরিচিত হওয়ার। তিনি রাজনীতিতে যে শূন্যতার সৃষ্টি করে গেলেন, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তিনি সব সময়ই পরিচ্ছন্ন নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সপক্ষে ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফের মতো অনেক সৈয়দ আশরাফ প্রয়োজন, যারা আমাদের দেশের রাজনীতি ও নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ করতে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়, এর সঙ্গে জড়িত সবার সহযোগিতা না হলে আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার উন্নতি সম্ভব নয়।

য় ড. এম সাখাওয়াত হোসেন : সাবেক নির্বাচন কমিশনার, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও কলাম লেখক

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে