আংশিক নয়, পূর্ণ বিশ্লেষণ চাই

  অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

১২ জানুয়ারি ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৭, ০০:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ

 

বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতি যা দৃশ্যমান, তা হিসাবে না নিলেও প্রতিবন্ধীদের সামগ্রিক বিষয়ে যে অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে, তা শুধু আঞ্চলিক নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ঈর্ষণীয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেরণায়, তারই সুযোগ্য কন্যা সাইকোলজিস্ট সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের নেতৃত্বে, অটিজম ও অন্যান্য স্নায়বিক দুর্বলতা নিয়ে কাজ শুরু বাংলাদেশে ২০১০ সালে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন রকমের পঙ্গুত্ব নিয়ে কাজ শুরু হয়। অটিজম এবং স্নায়বিক দুর্বলতা নিয়ে কাজ শুরু হয় সত্তরের দশকের শেষদিকে। ইংল্যান্ড, আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় শুরুতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিগ্রস্ত পরিবারগুলো বিভিন্ন সংস্থার জš§ দেয়। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেসব সংগঠনের জš§ দেয় তারা যেহেতু আর্থিকভাবে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো শক্তিশালী ছিল না, তাই পূর্ণাঙ্গ বিকাশ বা সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে খুব এগোতে পারেনি। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা অবশ্যই ধন্যবাদ ও প্রশংসার দাবি রাখে।

নাড়া দেওয়ার মতো বা মৃদু ভূকম্পন সৃষ্টি হয়েছিল অটিজম এবং অন্যান্য স্নায়বিক দুর্বলতাসংক্রান্ত মানুষদের এবং এ সমাজ আলোড়িত হয়েছিল ২০১১ সালের ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত আমাদের আঞ্চলিক সম্মেলন, যা অনুষ্ঠিত হয়েছিল হোটেল শেরাটনে, অনুভূতি পৌঁছে গিয়েছিল সারা দেশে এবং বিশ্বের প্রত্যেক মানুষের কানে যারা অটিজম নিয়ে কাজ করেন। উপস্থিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ভারতের কংগ্রেসপ্রধান শ্রীমতী সোনিয়া গান্ধি, শ্রীলঙ্কার ফার্স্ট লেডি রাজাপাকশে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের স্ত্রী এলহাম, ১৪ জন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুরো বিশ্বের শতাধিক অটিজম নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিত্ব। আমেরিকার অটিজম স্পিক সার্বিকভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমাদের ছিল অদম্য নেতৃত্ব। নেতৃত্বে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল। কঠোর পরিশ্রমী এক ব্যক্তিত্ব এবং নেতৃত্ব দেওয়ার অশেষ গুণ তার। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ভাষায়Ñ ‘যেই ধমনিতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, সে জনসেবা না করে ঘরে বসে থাকতে পারে না।’ এই উক্তিটি নিশ্চয়ই তাকে অনুপ্রাণিত, উদ্বুদ্ধ এবং আরও বেগবান হওয়ার তাগিদ দিয়েছিল।

আমি যখন মেডিক্যালের ছাত্র ১৯৭০-১৯৭৬, শিানবিস ১৯৭৬-১৯৮০, বাংলাদেশে আমি কোনো শিকের কাছ থেকে না শিশুরোগ বিভাগ বা মেডিসিন বিভাগ কারও কাছ থেকে অটিজম শব্দটি পর্যন্ত শুনিনি। একটা রোগী দেখা তো দূরের কথা। জানুয়ারি ১৯৮০ থেকে জুলাই ১৯৮৩ তদানীন্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পিএইচডি, অধ্যয়নের সময় ৪টা রোগী দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল এবং প্রত্যেকেই ভিন্ন ধরনের, কারো সঙ্গে কারো বিন্দুমাত্র মিল ছিল না। মনে হচ্ছিল একেকজন একেক গ্রহ থেকে এসেছে। সবাই ছিল ছেলে। একটা ছেলে খুব ভালো আঁকত। যতবারই ছেলেটা নাক, কান, গলা বিভাগে আসত ততবারই সে তার মায়ের সঙ্গে আসত। তার মায়ের ধারণা ছিল, কানে শোনে না, তাই কথা বলে না। আমার সামান্য জ্ঞান নিয়ে আমি একদিন তাকে বুঝালাম এবং পরীা করে (ইবযধারড়ৎ ড়নংবৎাধঃরড়হ অঁফরড়সবঃু) বুঝিয়ে দিলাম যে, শিশুটি কানে শোনে কিন্তু কথা বলে না। নাছোড় বান্দা মায়ের আমার প্রতি অগাধ স্নেহ বা শ্রদ্ধা ছিল বলেই সে বলল, তাহলে কি কণ্ঠনালিতে কিছু আছে কিনা? তাকে বুঝালাম, কণ্ঠনালিতে কিছু থাকলে সে কাঁদতে বা চিৎকার করতে পারত না, ইত্যাদি অনেক কিছু। ইতোমধ্যে ছেলেটি আমার একটা ছবি সাদা কাগজে এঁকে ফেলল, বিখ্যাত কোনো শিল্পীর মতো। মায়ের মন সব সময় অবুঝ, কোনো বুঝেই তাকে শান্তি দিতে পারে না। মা হলেন ধরিত্রী, পুরো দেশকে, পরিবারকে বুকে ধরে রাখেন। কিন্তু ১০ মাস পেটে ধরে ২০ মাস বুকে-পিঠে আগলে রাখার জন্যই বোধহয় তার বেদনা মাতৃত্বকে ছাপিয়ে গিয়েছিল। আমাদের বাংলাদেশে সামাজিক বন্ধন পাশ্চাত্যের চেয়ে অনেক দৃঢ়। তার পরও আমার জানামতো বেশ কিছু মা আছেন, যাদের স্বার্থপর স্বামীরা একটা দেব শিশুর চেহারা ভুলে গিয়ে প্রিয়তমা স্ত্রীকে অসহায়ত্বের মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে যান, যা এসব েেত্র সমাজতান্ত্রিক বিশ্বে ছিল দুর্লভচিত্র। কেননা সরকার ওই দেব শিশুসহ পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এই শিশুগুলোর সবচেয়ে বড় গুণ, তারা কখনো মিথ্যা বলতে পারে না।

অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে গবেষণার যেমন শেষ নেই, তেমনি যে জিনিসের কারণ জানা যায় না সে সম্পর্কে অদ্ভুত থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক যুক্তিসম্পন্ন অনেক সমস্যা, অনেক কারণ বলা হয়ে থাকে। আসলে সত্যিকার কারণ এ পর্যন্ত কোনো গবেষণা থেকেই আবিষ্কার করা যায়নি। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে একটি সঠিক কারণ পাওয়া যাবে, যার পরিপ্রেেিত এ সমস্যার সমাধান আসবে বিশ্বজুড়ে। অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করার সুবাদে অনেক মা-বাবা এবং শিশুর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে। যাদের প্রত্য বা পরোভাবে সাহায্য-সহযোগিতার পাশাপাশি একটি প্যারেন্টস ফোরাম গঠন করতে আমি অসম্ভবভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে চেষ্টা করেছি। ফলে একটি প্যারেন্টস ফোরাম গঠিত হয়েছে। যেখানে অনেক শিশু এবং অভিভাবক সেই ফোরামের সদস্য হয়েছেন। আমরা সবাই জানি, যে শিশুগুলো জš§ নেওয়ার পর থেকে যে রকম ধারাবাহিকতায় ডেভেলমমেন্ট হয় বা শিশুর বিকাশ ঘটে ঠিক সেভাবেই ১৫, ১৬, ১৮ মাস পর্যন্ত গড়ে ওঠে। আচমকা তাদের ভেতরে অস্বাভাবিক কিছু আচরণ পরিলতি হয়। যার প্রথমটি হলো শিশু ডাকে সাড়া দেয় না। তার পর হলো সে একাগ্র মনে, নিশ্চিন্তে একা একা খেলা করে, যেখানে শিশুর দলবদ্ধভাবে নেচে-গেয়ে বেড়ানোর কথা, খেলার কথা সেখানে সে আইসোলেট করে চলে যায়। একাকিত্ব এবং নির্ভীকতা যেন তার এক দার্শনিক বৈশিষ্ট্য।

দ্বিতীয়টি হলো তাদের স্পিনিং মুভমেন্টের প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থাকে। সাধারণত দেখা যায়, তারা গাড়ির চাকাকে নিচে দিয়ে চালাতে চায় না। গাড়ির চাকাটা ওপরের দিকে এনে গাড়িকে না চালিয়ে শুধু চাকাটাকেই ঘোড়ায়। এক কথায় যদি আমি বলি, এই অটিস্টিক শিশুগুলো ‘ছয় দিকেই স্বচ্ছ একটা কিউবিক কাচের বাক্সে আটকানো ফুটফুটে সুন্দর একটি শিশু।’ এই শিশুটিকে সমাজের স্বাভাবিক স্তরে ফিরিয়ে আনতে হলে ৫টি ঊধৎষু শব্দ তাদের বেলায় অসম্ভবভাবে প্রযোজ্য। যার একটি হলো ঊধৎষু ঝঁংঢ়রপরড়হ যার দায়িত্ব মা, বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের। দ্বিতীয়টি হলো ঊধৎষু উরধমহড়ংরং, তৃতীয়টি ঊধৎষু, ঞৎবধঃসবহঃ চতুর্থটি হলোÑ ঊধৎষু সধহধমবসবহঃ এবং পঞ্চমটি হলো ঊধৎষু জবযধনরষরঃধঃরড়হ। উরধমহড়ংরং আর ঞৎবধঃসবহঃ-এর মাঝে যে ঊধৎষু আমরা যোগ করেছি সেটা করতে পারি। সেটা হলো ঊধৎষু গধহধমবসবহঃ, যেই জায়গায় তাকে শেখানো, ট্রেনিং দেওয়া সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

আমরা উরধমহড়ংরং করলাম, প্রশিণ দিলাম, হাতে-কলমে কিছু কাজ শিখালাম। তাকে যদি আমরা কোনো একটা চাকরিতে দিতে না পারি তাহলে সব প্রচেষ্টাই তো ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ওই কাচের বাক্সে আবদ্ধ শিশুটিকে কাচ ভেঙে বের করে আনাটাই হলো অটিজম নিয়ে যারা কাজ করে তাদের অন্যতম কাজ। অটিজম একটি বিশাল ব্যাপ্তি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে। যেহেতু একটি শিশু অন্য শিশুর মতো নয়, তাই এই নামের পেছনে অঁঃরংস ঝঢ়বপঃৎঁস উরংড়ৎফবৎ বলে তাদের গোত্রভুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু তার পরও কি সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে? নিরাময় খুঁজে না পাওয়া গেলেও সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে। এ দেশে অটিজম রোগীদের ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। এখন কোনো মা-বাবা তাকে ঘরের বাইরে আনতে লজ্জাবোধ করেন না, দ্বিধাবোধ করেন না। তাদের পাগল বলে কেউ চিহ্নিত করে না। সমাজের অন্য সদস্যরাও তাদের নিজেদের মতো করে আদর-যতœ করতে আজকাল এগিয়ে আসেন। তাই এই যে বিজয়, এ বিজয় একটা বিশাল বিজয়। আমি যে কথাটা বলতে চাচ্ছিলাম সেটা হলো বাংলাদেশ এখন কোথায় অবস্থান করছে।

২ এপ্রিল, ২০১৬-এর অটিজম সচেতনতা দিবসের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন, ‘যেসব শিশু অর্থাৎ অটিস্টিক এবং স্নায়বিক দুর্বলতাসহ অন্যান্য বিকলাঙ্গ শিশুদের যাদের অভিভাবক নেই, রাষ্ট্র তাদের দায়িত্ব নেবে।’ এ বক্তব্যের পর অনেক সাংবাদিক সরকারি এবং বেসরকারি চ্যানেল, প্রিন্ট মিডিয়া আমাকে প্রশ্ন করলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিলেন সেটা কী করে সম্ভব? আমি হিসাব দিয়ে বুঝিয়ে দিলাম যে, এটা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও একটি কথা বলেছেন, ‘সেটা হলো সমাজের বিত্তবানদের এ পথে এগিয়ে আসতে হবে।’ তাই আমি যৎসামান্য উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে পারি। সেটা হলো এসব শিশুর যে সংখ্যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ডোর টু ডোর সার্ভের মাধ্যমে নিরূপণ করা হয়েছে, তা হলো ১৬ লাখ। এর মধ্যে অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা আরও অনেক কম হবে। আনুমানিক ৮০ হাজার থেকে এক লাখ বা আরও কম। এই জরিপের ফলাফলটি প্রকাশনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব নাছিমা বেগম যথেষ্ট একাগ্রতা নিয়ে এ কাজটি করিয়েছেন। যেহেতু তিনি একজন অটিস্টিক ছেলের মা, আমার দৃঢ় বিশ্বাস নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিয়ে এ কাজটি করিয়ে এনেছেন। এই সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি তাদের জাকাতের টাকাটা সরকারি কোনো একটা তহবিলে দেন, যা অঁঃরংস ধহফ ঘবঁৎড় উবাবষড়ঢ়সবহঃ উরংধনষব শিশুদের জন্য ব্যবহƒত হবে, আর প্রধানমন্ত্রীর প্রত্য তত্ত্বাবধানে যদি সেই কাজটি করা হয়, আমার দৃঢ় বিশ্বাস এতে কোনো অসুবিধা হবে না। রাষ্ট্র তার দায়-দায়িত্ব নিতে পারবে। ুদ্রাকারে হলেও বাংলাদেশ যে এখন একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এতে কেউ দ্বিমত পোষণ করতে পারবেন না। কারণ এখানে উরংধনরষরঃু ভাতা আছে, বৃদ্ধ ভাতা আছে, বিধবা ভাতা আছে, স্বামী পরিত্যক্ত মহিলাদের জন্য ভাতা আছে। একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প আছে। তাই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই এগিয়ে যাওয়াটাকে স্তব্ধ না করে আরও এগিয়ে নিতে পারব, যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করি। আবারও বলব, বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে ডিসেম্বর ১২, ২০১২ সালে জাতিসংঘের গৃহীত সিদ্ধান্ত টঘ জবংড়ষঁঃরড়হ ঘড় ৬৭/২০১২ ‘অফফৎবংংরহম ঃযব ংড়পরড়-বপড়হড়সরপ হববফং ড়ভ রহফরারফঁধষং, ভধসরষরবং ধহফ ংড়পরবঃরবং ধভভবপঃবফ নু অঁঃরংস ংঢ়বপঃৎঁস ফরংড়ৎফবৎং ধহফ ধংংড়পরধঃবফ ফরংধনরষরঃরবং’ যা বাংলাদেশের প্রস্তাব, প্রচেষ্টা এবং বারবার জাতিসংঘে আমাদের নেত্রী সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের বক্তব্য এবং অন্য অনেকগুলো রাষ্ট্রের সমর্থনের ফসল।

ঠিক তেমনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৬৭তম অধিবেশনে ডঐঙ জবংড়ষঁঃরড়হ ঘড় ডঐঅ ৬৭.৮ ‘ঈড়সঢ়ৎবযবহংরাব ধহফ পড়ড়ৎফরহধঃবফ বভভড়ৎঃং ভড়ৎ ঃযব সধহধমবসবহঃ ড়ভ অঁঃরংস ঝঢ়বপঃৎঁস ফরংড়ৎফবৎং’ ২৪ মে, ২০১৪ সালে গৃহীত হয় বাংলাদেশ তথা সায়মা ওয়াজেদের ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪-এর সাইড ইভেন্টের জন্য এবং অনেকগুলো রাষ্ট্রের সমর্থনে। বাংলাদেশ, জাতিসংঘ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অটিজম নিয়ে আন্দোলন এবং অটিস্টিক শিশুদের দাবি বাস্তবায়নে তার নিজের আসন করে নিয়েছে, সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের নেতৃত্বে। জয়তু বাংলাদেশ।

 

য় অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, সাবেক উপাচার্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

 

 

"

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে