গণতন্ত্রের চর্চা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন

  বাহালুল মজনুন চুন্নু

১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে প্রাচীন গ্রিসে ক্লিসথেনিস, সলোন ও পেরিক্লিস নামে তিনজন খ্যাতিমান আইনপ্রণেতা চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে, যেখানে সব মানুষ হবে সমান। তাদের প্রচেষ্টার কারণেই গ্রিসে প্রথম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গোড়াপত্তন ঘটে। রাষ্ট্রকাঠামোয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযোজন, পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে কল্যাণমুখী এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র পরিণত হয়েছে সবচেয়ে কার্যকরী শাসনব্যবস্থা হিসেবে, যার মাধ্যেমে একটি দেশের জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার ভোগের নিশ্চয়তা পায়, রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজেরা ভূমিকা রাখতে পারে। গণতন্ত্রই রাষ্ট্রকাঠামোকে সামষ্টিক জনকল্যাণের পথনির্দেশ করার মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় বিশ্বজুড়ে চলেছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা। বাংলাদেশে গণতন্ত্র এসেছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। স্বাধীন দেশ এবং তার মানচিত্রের সঙ্গে বাঙালি জাতিকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। স্বাধীন দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় নিয়ে যেতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে সংবিধানের মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় গণতন্ত্রকে। বিশ্ববিদ্যালয়কে গণতন্ত্র চর্চার উৎকৃষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরি করতে ১৯৭৩ সালে জারি করেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় অর্জন করে স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা। সুগম হয় গণতন্ত্র চর্চার পথ। বিকশিত হয় স্বাধীন ও সৃষ্টিশীল চিন্তা ও প্রগতির পথ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় ‘স্টেট উইথিন অ্যা স্টেট’ অর্থাৎ দেশের ভেতর আরেকটি দেশ। এটা যে অযৌক্তিক নয়, সেটা তা এর পরিচালন কাঠামো থেকেই উপলব্ধি করা যায়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার যে কাঠামো, তার সবকিছুই বিদ্যমান আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়কে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। তেয়াত্তরের অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ও সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটকে মিনি পার্লামেন্ট বলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট দেশের দ্বিতীয় পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ভাবমূর্তি আরও উচ্চতর অবস্থানে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘সিনেট’। সিনেটের মোট সদস্য থাকেন ১০৫ জন, যার মধ্যে থাকবেন উপাচার্য, দুজন সহ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, সরকার মনোনীত পাঁচজন সরকারি কর্মকর্তা, জাতীয় সংসদের স্পিকার মনোনীত পাঁচজন সংসদ সদস্য, আচার্য মনোনীত পাঁচজন শিক্ষাবিদ, সিন্ডিকেট মনোনীত পাঁচজন গবেষক, একাডেমিক কাউন্সিল মনোনীত অধিভুক্ত কলেজের পাঁচজন অধ্যক্ষ ও ১০ জন শিক্ষক, ২৫ জন নির্বাচিত রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, ৩৫ জন নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি এবং ডাকসু মনোনীত পাঁচজন ছাত্র প্রতিনিধি। সিনেট থেকেই তিনজনের উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন করা হয়, যেখান থেকে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য একজনকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন প্রধান নির্বাহীর ভূমিকায় থাকেন, তেমনি একজন উপাচার্যও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য থেকেই ১৫ জনের সিন্ডিকেট গঠন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিন্ডিকেট’ হলো মন্ত্রিসভার অনুরূপ, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যাবলি পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত ও তদারকি হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট গঠনের প্রক্রিয়া গণতন্ত্র চর্চার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

তেয়াত্তরের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট থাকেন। এই রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রার্থী ও ভোটাররা উভয়ই হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। নির্বাচিত রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং এর উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিন্তাচেতনার গভীরে শিকড় সঞ্চার করেই বিকশিত হয়েছে আমাদের জাতিসত্তা ও স্বাধিকার চেতনা। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বুকে যে মহাকাব্য সৃষ্টি হয়েছে, তার গর্বিত অংশীদার এই বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতির আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু। গণতন্ত্রের সূতিকাগার এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা গ্র্যাজুয়েটদের কাছে এর গৌরব অসীম। গ্র্যাজুয়েটদের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তীর্থের মতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো-মন্দে গ্র্যাজুয়েটরা আলোড়িত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যে এরা যেমন আবেগে উদ্বেলিত হন, তেমনি কোনো ব্যর্থতা কিংবা অঘটনে বেদনাসিক্ত হন। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা কাঠামোয় নিজেদের ভূমিকা রাখতে সিনেট নির্বাচনকে তারা বেছে নেন। প্রতি তিন বছর অন্তর সিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচন ঘিরে গ্র্যাজুয়েটদের মাঝে বিরাজ করে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা। একদিকে এই নির্বাচন পরিণত হয় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়, অন্যদিকে এ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে শানিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অন্যান্যবারের মতো এবারও শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন। শিক্ষক, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসক, ব্যাংকার, শিল্পোদ্যোক্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ আরও নানা পেশার মানুষ এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে গত ৬ জানুয়ারি শনিবার ঢাকার বাইরে ২৮টি কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৩ জানুয়ারি শনিবার ১৩টি কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি গাজীপুরে ও ২০ জানুয়ারি শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি কেন্দ্রে (টিএসসি, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবন) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটা স্পষ্টই প্রতীয়মান যে, মূলত লড়াই হবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তির মধ্যে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিরন্তর সুন্দর স্বপ্ন পূরণের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে; সেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে চায় পাকিস্তানি ধারা। এমনটা হয়ে আসছে পঁচাত্তরপরবর্তী সময়কাল থেকেই। বিএনপি-জামায়াত জোট মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, দুর্নীতি, সাম্প্রাদায়িকতা সৃষ্টি ও অপশাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে এসেছিল দীর্ঘদিন থেকে। তাদের সেই অপপ্রয়াস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও বাদ যায়নি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার সেই অপপ্রয়াসকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের মহাসড়কে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের বর্তমান সরকার কেবল আর্থসামাজিক উন্নয়নই ঘটায়নি, দেশকে কলঙ্কমুক্ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন সিনেট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ সমাজের সর্বস্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ত্যাগী ও পরীক্ষিত রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের সমন্বয়ে একটি প্যানেল মনোনীত করেছে বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতকে শক্তিশালী করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গৌরবান্বিত করে তুলতে।

১৯৯৫, ১৯৯৯, ২০০৯ ও ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত চারটি সিনেট নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট হ্রাস, গবেষণা খাতে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে গঠিত ‘ইনোভেশন অ্যান্ড ইনকিউবেশন ল্যাব’, বিজয় ’৭১ হল, সুফিয়া কামাল হল, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, মুনীর চৌধুরী টাওয়ার, শেখ রাসেল টাওয়ার, ‘৭ মার্চ ভবন’ নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকা-ে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এগিয়ে যাওয়াকে ত্বরান্বিত করে চলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সম্পর্ক ছিন্নকরণ, জঙ্গিবাদ অঙ্কুরে বিনষ্টকরণ, শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশে স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলছে। বঙ্গবন্ধুকন্যার নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে জ্ঞান ও বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহান ব্রত নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে। সেই এগিয়ে যাওয়াকে মসৃণ করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের এই প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের দরবারে আরও উঁচু আসনে বসাতে সদা উদ্গ্রীব। তাদের সেই আকাক্সক্ষা পূরণে প্রতিশ্রতিবদ্ধ গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ। গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন ও উদার গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারা অব্যাহত রাখায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪৪ হাজার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মক্ষেত্রে প্রচ-রকম ব্যস্ত থাকেন, কর্মের সুবাদে অনেককে বারবার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে হয়। ফলে নির্বাচনে সব ভোটারের উপস্থিতি সব সময়ই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। আবার কিছু সময় দেখা যায়, ভোটাররা তাদের ভোটার কার্ড হারিয়ে ফেলেন কিংবা ঠিকানা পরিবর্তনের কারণে কার্ডটি সময়মতো পান না। বিশ্ব¦বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া ভোটার কার্ডটিই ভোট প্রদানের একমাত্র দলিল। এবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভোটার কার্ড রেজিস্টার্ড উইথ এডি করে ভোটারদের ঠিকানায় পাঠিয়েছে। ফলে বলা যায় কার্ড না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। তার পরও যদি কেউ ঠিকানা পরিবর্তনজনিত কারণে তার ভোটার কার্ড না পেয়ে থাকেন, তবে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও এক কপি ছবি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড বিল্ডিং থেকে ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড তুলতে পারবেন। রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের কাছে উদাত্ত আহ্বানÑ আসুন, আমরা এই নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আর শানিত করি; গণতন্ত্র চর্চার পথকে আরও দৃঢ় করি; প্রাণের এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আলোকিত, আরও মর্যাদার আসনে নিয়ে যেতে অবদান রাখি।

য় বাহালুল মজনুন চুন্নু : যুগ্ম আহ্বায়ক, গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ; সিন্ডিকেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে