শাহজালালে মুদ্রা লেনদেনে নয়ছয়

দেশকে দুর্নীতির রাহুমুক্ত করতে হবে

  অনলাইন ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতি বাংলাদেশের সব উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হরহামেশা মুদ্রা লেনদেনে চলছে নয়ছয়। ফলে রাজস্ব ও রেমিট্যান্স হারাচ্ছে সরকার। বিমানবন্দরের কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ নিয়ে একাধিকবার জেল-জরিমানা করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

বিদেশ ভ্রমণ কিংবা দেশে ফিরে আসাÑ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে যাতায়াতের বেলায় দেশি-বিদেশি মুদ্রা বেচাকেনা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমে তথ্যপূরণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে সাদা কাগজে নামকাওয়াস্তে তথ্যপূরণের নামেই চলে অবৈধভাবে মুদ্রা লেনদেন। এতে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বিমানবন্দরে কর্তব্যরত কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মানি এক্সচেঞ্জগুলো।

ব্যাংকিং খাতে অসৎ কর্মকর্তাদের দাপট ও আধিপত্যের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যায়। এ কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ব্যাংকগুলোর শীর্ষপদে আসীন। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা কমছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, দুর্নীতিপরায়ণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গড়ে ওঠা জালিয়াত চক্র ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করলেও এ বিষয়ে কারো কোনো ভাবান্তর লক্ষ করা যাচ্ছে না।

দুর্নীতি রোধে আমাদের যেসব আইন ও অবকাঠামো আছে, তার সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু তার চেয়েও জরুরি হলো সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ। দুর্নীতি রোধ করতে হলে প্রতিটি সরকারি বিভাগ ও অধিদপ্তরকে নিজেদের বিভাগীয় তদন্ত ও প্রতিকারের ব্যবস্থাকে সচল করতে হবে। সরকার একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। এর সব শাখা-প্রশাখা ইতিবাচক ও সমন্বিতভাবে কাজ করলে দুর্নীতি দমন ও সুশাসন নিশ্চিত করা কঠিন কিছু নয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে