ফুলবাণিজ্য

নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগ নিন

  অনলাইন ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব ফুলের বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানির তালিকাতেও স্থান করে নিয়েছে ফুল এবং সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। প্রতিবছর গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকার ফুল রপ্তানি হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দুই লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান। দেশে বছরে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকার ফুল বেচাকেনা হয়।

ফুল কিন্তু ফুল হিসেবে নয়, ‘সবজি’ নামেই রপ্তানি হয়। সবজি রপ্তানির বিপরীতে উদ্যোক্তারা ২০ শতাংশ নগদ আর্থিক সহায়তা পান। ফুল রপ্তানির ক্ষেত্রেও এই হারে সহায়তা পান। কিন্তু উদ্যোক্তারা বলছেন সবজির চেয়ে ফুল রপ্তানির ব্যবস্থাপনা অনেক কঠিন।

সবজি দ্রুত পচে যায় না, কিন্তু ফুল দ্রুত পচে যায়। বিমানবন্দরে ফুলের কার্টন এলেও অনেক সময় ফ্লাইট দেরি হওয়ার কারণে ফুল নষ্ট হচ্ছে। বিদেশের বাজারও হাতছাড়া হচ্ছে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ফুলের যে পরিমাণ কদর ও চাহিদা রয়েছে সেই পরিমাণ ফুল রপ্তানি করা যাচ্ছে না। এ কারণে উদ্যোক্তারা সবজি রপ্তানির চেয়ে ফুল রপ্তানিতে বেশি সহায়তা দেওয়ার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তারা ফ্রিজিং কাভার্ডভ্যান সহজলভ্য করা, ফুল প্যাকেজিং ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। এগুলো করা হলে ফুল রপ্তানির ক্ষেত্রে যথাযথ মান বজায় রাখা সম্ভব হবে। ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, চীন, হল্যান্ড ফুলকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং এ খাতের বিকাশে তারা নানা সুবিধাও দিচ্ছে। ফলে এ থেকে তারা মোটা অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। সেই অনুপাতে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়েই আছে।

আমরা মনে করি উদ্যোক্তারা যে দাবি করছেন তা অত্যন্ত যৌক্তিক। সরকারের উচিত এই বিষয়টিতে এখনই মনোযোগ দেওয়া।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে