সড়কে প্রাণহানি ১৬

দুর্ঘটনা রোধ করা কি অসম্ভব

  অনলাইন ডেস্ক

১৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল বেড়ে চলছেই। প্রতিদিনই দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে। প্রয়োজনের তাগিদেই আমরা নিত্যদিন যাতায়াত করছি এখানে-ওখানে। সারাদেশে মঙ্গলবার সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ আরও ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তাদের মধ্যে হবিগঞ্জে চার, ময়মনসিংহের মুক্তগাছায় তিন, চুয়াডাঙ্গায় তিন ও মানিকগঞ্জে তিনজনের প্রাণহানি ঘটে। এ ছাড়া নাটোর, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একজন করে নিহত হয়।

দেশের আনাচে-কানাচে নির্মিত নতুন নতুন রাস্তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মোটরযান। সেই সঙ্গে বাড়ছে জনসংখ্যা। যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি চালকের সংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু কারা যানবাহনের স্টিয়ারিং ধরছে সে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হেলপার কিশোরটিও চালক হয়ে উঠছে। শুধু গাড়ি চালানো শিখলেই তাকে চালক বলা যাবে না। ট্রাফিক আইন ও সিগন্যাল, সড়কের সংকেতগুলো সম্পর্কেও একজন চালকের সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। অভিযোগ আছে, টাকার বিনিময়ে প্রশিক্ষণবিহীন অনেকের হাতেই লাইসেন্স ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন কারণেই সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। চালকদের বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানোর পাশাপাশি বিপজ্জনক ওভারটেকিং, রাস্তাঘাট নির্মাণে ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোনের ব্যবহার এসব কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতাও অনেক দুর্ঘটনার কারণ। এ বিষয়গুলো নিয়ে এখনই না ভাবলে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না।

আমরা মনে করি, সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বাড়ানো কোনো অসম্ভব কাজ নয়। এ জন্য বেপরোয়া যান চালানো বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন যেন রাস্তায় নামতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে। কড়া হাতে সব নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ অনেকটাই সম্ভব ।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে