সারাদেশে লোডশেডিং অব্যাহত

সংকট নিরসন জরুরি

  অনলাইন ডেস্ক

১২ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চলছে গ্রীষ্মকাল, বাড়ছে তাপমাত্রা আর এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিংও। শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বর্তমানে গ্রামে বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ। ফলে ক্রমেই বাড়ছে জনঅসন্তোষ।

কোনো কোনো অঞ্চলে টানা চার-পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এমনকি সারারাত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) হিসাবে দেশের কোথাও বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই।

যেহেতু পিডিবি বলছে কোনো লোডশেডিং নেই তা হলে বিভিন্ন এলাকায় কেন লোডশেডিং হচ্ছেÑ এমন প্রশ্নে পিডিবির পরিচালক জানিয়েছেন, চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। আর যা ঘটছে তা হলো স্থানীয় সংকট। স্থানীয় সংকট যদি হয়েই থাকে তবে তার কি কোনো সমাধান নেই! কথায় বলে কেউ যদি জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো কঠিন।

একটা বিষয় লক্ষণীয়, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের মধ্যে এক ধরনের বৈষম্য বিদ্যমান। অথচ দেশের বেশিরভাগ মানুষ কিন্তু গ্রামেই বাস করে। এ বৈষম্য দূর করতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। অন্তত রমজানে যেন লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে না ওঠে, তা এখনই নিশ্চিত না করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

বিদ্যুতের ভোগান্তি দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। লোডশেডিংয়ের অন্য যেসব কারণ রয়েছে সেগুলোও দূর করার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক বিতরণ, সঞ্চালন ও সরবরাহ লাইনের ওপর জোর দিতে হবে। প্রতিবছরই দেখা যায় ঈদ উপলক্ষে রাজধানীকে আলোকিত রাখার জন্য গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ বিতরণে গ্রাম-শহর বৈষম্য করার প্রবণতা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে