‘#মিটু’ আন্দোলন

সাজিদের পর এবার নানার বিদায়

  বিনোদন সময় ডেস্ক

১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০২:৫২ | প্রিন্ট সংস্করণ

‘#মিটু’ আন্দোলন ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। এ আন্দোলনের জেরে বলিউডের একের পর এক পুরুষের কালো বীভৎস অতীতগুলো প্রকাশ্যে আসছে। নিজের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর ‘হাউসফুল ৪’ ছবির পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান সাজিদ খান। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন র্যাচেল হোয়াইট, সালোনি চোপড়া, এক সাংবাদিকসহ আরও কয়েক নারী। পরিচালক সাজিদ খানের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন সালোনি চোপড়া। এবার তিনি জানিয়েছেন, ২০১১ সালে ছবির কাজ করার সময় সাজিদ তাকে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ও আপত্তিকর প্রশ্ন করেন।

সাজিদ খানের পর এবার ‘হাউজফুল ৪’ ছবি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন নানা পাটেকার। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। তিনি যৌন হেনস্তার ঘটনার যথাযথ বিচার পাওয়ার জন্য নানা পাটেকার এবং অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের লাই ডিটেক্টর টেস্ট, নারকো ও ব্রেইন ম্যাপিংয়ের দাবি করেছেন। মুম্বাইয়ের ওশিওয়াড়া থানায় তার আইনজীবী নিতীন সাতপুতের মাধ্যমে তিনি এ আবেদন করেন।

যৌন হেনস্তাকারীর সঙ্গে

কাজ করবেন না অক্ষয়

‘হাউজফুল ৪’ ছবির নায়ক অক্ষয় কুমার গোড়া থেকেই যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে ‘খিলাড়ি’ তারকা লিখেছেন, “দেশে ফিরে খবরগুলো দেখেছি। ‘হাউসফুল ফোর’ ছবির প্রযোজককে শুটিং বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করেছি। এ অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত ছাড়া আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। তাই তদন্তের ফলাফল না জানা পর্যন্ত ছবির শুটিং বন্ধ রাখা উচিত।’ আরেক টুইট বার্তায় অক্ষয় লিখেছেন, ‘যৌন হেনস্তার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, এমন ব্যক্তির সঙ্গে আমি কাজ করব না।’

আন্দোলনের পক্ষে ইমরান

‘#মিটু’ আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বলিউডের অনেক তারকাই তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। এ দলে এবার যোগ দিলেন ‘সিরিয়াল কিসার’ নামে পরিচিত নায়ক ইমরান হাশমি। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনাকে আমার প্রযোজনা সংস্থা কোনোভাবেই সমর্থন করে না।’ পর্দায় যে কোনো সাহসী এবং চুম্বন দৃশ্যের জন্য ইমরান হাশমি বেশ জনপ্রিয়। চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে তার ভাষ্য, ‘কোনো চুম্বন কিংবা অন্তরঙ্গ নাচের দৃশ্য শুট করার আগে আমরা একে অপরের (নায়ক-নায়িকা) সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাই। আর আমরা প্রচুর কথা বলি। যখন দুজনের মনে হয় এ দৃশ্যের জন্য আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত, তখনই সে দৃশ্যটা করি। ছবির নায়িকার যদি কোনো বিষয়ে অস্বস্তি বা আপত্তি থাকে, তা হলে আমরা সেই দৃশ্য শুট করি না। এ ধরনের হেনস্তার ঘটনার প্রতি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আর একটি কমিটিও গঠন করা উচিত।’ সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস ও ডিএনএ ইন্ডিয়া

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে