পূজার স্মৃতি

  জাহিদ ভূঁইয়া

১৬ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ০০:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

বছর ঘুরে আবার এলো শারদীয় দুর্গোৎসব। ঢাকঢোলের বাদ্য আর সুরের মূর্ছনায় মুখরিত পূজাম-প। মহালয়া থেকে বিসর্জন; অন্য সবার মতো বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও প্রতিটি মুহূর্ত রঙিন করে রাখতে চান। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিরে পেতে চান অতীতের সেই আনন্দময় মুহূর্ত, যা স্মৃতিতে আজও উজ্জ্বল। তারকাদের সেই পূজার গল্প নিয়ে লিখেছেনÑ জাহিদ ভূঁইয়া

ঢাকের আওয়াজ আমাকে বেশি আকর্ষণ করত

কুমার বিশ্বজিৎ

কোনো কিছু পাওয়ার আনন্দই ছিল শৈশব-কৈশোরের পূজা। কিন্তু এখন দেওয়ার মাঝেই আনন্দ খুঁজে পাই। ছোটবেলায় ঢাকের আওয়াজ আমাকে বেশি আকর্ষণ করত। জানি না এর প্রতি আমার এত আগ্রহ কেন? সব সময় ঢাকুরিয়ার সঙ্গে

সঙ্গে থাকতাম। এর জন্য মা-বাবার কাছে কত মার খেয়েছি! পূজার সময় সবার কাছে একটি জিনিসই আবদার করতামÑ সেটা হলো মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট। প্রতিটি পূজায় এগুলো পাওয়ার জন্য কোনো না কোনো অজুহাত খুঁজে নিতাম।

আগে রিকশায় ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখতাম

অপু বিশ্বাস

পূজার আনন্দই অন্য রকম। বছর শুরুর দিন থেকেই অপেক্ষার প্রহর গুনি কখন সেই উৎসবের সময় আসবে। এবারের পূজা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা ছিল; কিন্তু হঠাৎ করেই সিঙ্গাপুর আসতে হলো। তবে মনটা পড়ে আছে দেশে। যখনই পূজা আসে, শৈশবের দিনগুলো মিস করি। বগুড়ায় কত হাসি আনন্দে কেটেছে সেই দিনগুলো। আগে রিকশায় ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখতাম।

ম-পে ম-পে ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা

মৌটুসী বিশ্বাস

পূজায় নিজের মধ্যে অন্য রকম ভালোলাগা কাজ করে। যেন আনন্দে হারিয়ে যায় মন। কখন কী করব, কোন কোন ম-পে ঘুরে বেড়াব; এমন পরিকল্পনার ছক আঁকতে থাকি। জানি পরিকল্পনা অনুযায়ী সব হয় না। তবুও ভাবতে আনন্দ লাগে। পূজার দিনগুলো পরিবারের সঙ্গে কাটানো হয়। এরই মধ্যে পূজা উপলক্ষে নতুন নতুন জামা-কাপড় কিনেছি। পূজায় আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা, ম-পে ম-পে ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। তবে শৈশবে পূজার আনন্দ খুব মিস করি। সব কিছু মজার ছিল। খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, ফুল তোলাÑ এ সব কিছু আমাকে এখনো বেশ টানে। পূজাম-পগুলো ছিল জমজমাট।

প্রতিমা বিসর্জন দিতে নৌকায় উঠতাম

চঞ্চল চৌধুরী

দুর্গাপূজার অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ ঢাকের বাদ্যি। ঢাকের আওয়াজ ছাড়া এ উৎসব কল্পনাই করা যায় না। ছোটবেলায় ঢাকের তালে তালে প্রতিমা বিসর্জন দিতে নৌকায় উঠতাম। এর পাশাপাশি নতুন জামা পরে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাসায় ঘুরে বেড়াতাম। তবে ব্যস্ততার কারণে এখন আর তেমনটা হয়ে ওঠে না।

বাসায় উৎসবের আমেজ তৈরি হতো পূজা চেরি

ঢাকার হাজারীবাগে বেড়ে ওঠা। ধুলোমাখা শৈশবের দিনগুলো ওই মাটিতেই কেটেছে। ছোটবেলায় তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার অনেক মন্দিরে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। এখন সেই সময়গুলো খুব মিস করি। এবার কলকাতায় যাওয়ার কথা রয়েছে। শুটিং, ডাবিংয়ের ব্যস্ততা না থাকলে অনেক আনন্দ করব। যদি না যাওয়া হয় তা হলে ঢাকায় ঢাকেশ্বরী ও বনানী পূজাম-প ঘোরার ইচ্ছা রয়েছে। পূজা শুরু হওয়ার আগেই আমাদের বাসায় উৎসবের আমেজ তৈরি হতো। বাড়ির উঠানে বসে সবাই নাড়–, মোয়াসহ নানা ধরনের খাবার তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে যেত।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে