নজরুল-জীবনী রচনা উপকরণ ব্যবহার

  মা হ বু বু ল হ ক

২৫ মে ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ২৫ মে ২০১৮, ০০:২৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

নজরুলের জীবনবৃত্তান্ত রচনার কাজে নানা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এ কথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে, এখনো তথ্যনিষ্ঠ সুগ্রথিত পূর্ণাঙ্গ নজরুল-জীবনী রচনার কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। নজরুলের পূর্ণাঙ্গ জীবনী রচনার কাজে জীবনীকারদের সামনে কিছু সমস্যা বিদ্যমান। নজরুলের কর্ম ও সৃজনের সঙ্গে যারা সুপরিচিত ছিলেন তাদের প্রায় সবাই প্রয়াত। নজরুলের পুরো জীবন ও সৃষ্টির উপকরণগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষিত ও সংগৃহীত হয়নি। নজরুল জীবনের লুপ্তপ্রায় তথ্য-উপকরণ উদ্ধার ও সংগ্রহের জন্য গ্রহণ করা হয়নি সুপরিকল্পিত সর্বাঙ্গীণ ব্যাপক উদ্যোগ। যতই দিন যাচ্ছে নজরুল জীবনীর আকর উপাদান প্রাপ্তি বা উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়ে আসছে। ফলে নজরুলের পূর্ণাঙ্গ জীবনী রচনার কাজ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। নজরুল-জীবনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হচ্ছে লেখকের সৃষ্টিকর্ম। সেগুলোতে প্রত্যক্ষ উপাদান পাওয়া না গেলেও কিছু পরোক্ষ উপাদান মেলে। গ্রন্থের উৎসর্গপত্র ও রচনার ভাববস্তুতে নজরুলের জীবনের অনেক তথ্য নিহিত আছে। নজরুলের কবিতা-গানের রচনাকাল থেকে সে সময়ে তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য মেলে।

বিভিন্নজনের কাছে নজরুলের লেখা কিছু চিঠি পাওয়া গেলেও অনেক চিঠির হদিস মেলেনি। অনেক চিঠিপত্র অসংগৃহীত রয়ে গেছে। যেমন ফজিলাতুন্নেসার প্রেমে পড়ে তাকে নজরুল যেসব চিঠি লিখেছিলেন সেগুলো উদ্ধার বা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

পূর্ণাঙ্গ নজরুল-জীবনী রচনার জন্য সরকারি দলিলপত্র বিচার অপরিহার্য। কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিংয়ে, পুলিশের মহাফেজখানায় নজরুল-সম্পর্কিত নানা প্রতিবেদন দলিল আছে। শিশির কর-এর মতো গবেষক কিছু দলিল সন্ধান করে সেগুলো থেকে তথ্য উদ্ধার করেছেন। তবে এখনো অনেক তথ্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে।

নজরুল সম্পর্কিত স্মৃতিকথা নজরুল-জীবনী রচনার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। নজরুল-জীবনীর উপকরণ হিসেবে অনেক স্মৃতিকথা পাওয়া যায়। মুজাফ্ফর আহমদের নজরুল ইসলাম : স্মৃতিকথা নজরুল জীবনের নানা তথ্যে সমৃদ্ধ। অন্য যেসব স্মৃতি-গ্রন্থে নজরুল জীবনের তথ্য-উপকরণ পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : প্রাণতোষ চট্টোপাধ্যায়ের কাজী নজরুল, শামসুন্নাহার মাহমুদের নজরুলকে যেমন দেখেছি, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের আমার বন্ধু নজরুল, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের জ্যৈষ্ঠের ঝড়, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের সওগাত যুগে নজরুল ইসলাম ইত্যাদি। এ ছাড়া জসীমউদদীন, মন্মথ রায়, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, দিলীপকুমার রায়, ইব্রাহীম খাঁ, সুফিয়া কামাল প্রমুখ অনেকেই নজরুলকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। নজরুলের আত্মীয়স্বজনের স্মৃতিচারণও নজরুল-জীবনীর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। সংগীত-জগতে নজরুলের প্রতিভা ছিল শিখরস্পর্শী। তাই প্রতিভা বসু, ইন্দুবালা দেবী, আঙুরবালা দেবী, জগৎ ঘটক, কমল দাশগুপ্ত, ধীরেন দাস, আব্বাসউদ্দীন আহমদ প্রমুখ সংগীতশিল্পীর স্মৃতিচারণও গুরুত্ববহ। নজরুল-জীবনীকারকে এগুলো বিচার করে প্রয়োজনমতো কাজে লাগাতে হবে।

নজরুলের পূর্ণাঙ্গ জীবনী রচনার উপকরণগুলোর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি-গবেষকদের কিছু জীবনীমূলক কাজ। আজহারউদ্দীন খানের বাংলা সাহিত্যে নজরুল, আবদুল আজিজ আল আমানের নজরুল পরিক্রমা ও সুশীলকুমার গুপ্তের নজরুল চরিত মানস এ ক্ষেত্রে স্মরণীয়। তবে এগুলোকে কালানুক্রমিকভাবে সুবিন্যস্ত পূর্ণাঙ্গ জীবনী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। সে দিক থেকে রফিকুল ইসলামের নজরুল জীবনী অনেক তথ্যনির্ভর। বিজ্ঞানসম্মতভাবে পূর্ণাঙ্গ জীবনী লেখার প্রথম প্রচেষ্টা এখানেই লক্ষণীয়। এই গ্রন্থের পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে কাজী নজরুল ইসলাম : জীবন ও সৃষ্টি। আবদুল কাদিরের নজরুল প্রতিভার স্বরূপ নির্ভরযোগ্য কাজ। নীরদবরণ হাজরার এক নজরুল সহস্র সংশয় গ্রন্থে কিছু সংশয় নিরসনের চেষ্টা দেখা যায়। অরুণকুমার বসু তার নজরুল জীবনী গ্রন্থে দেশ-কাল-সচেতন গবেষকের নিষ্ঠা নিয়ে নজরুলের পূর্ণাঙ্গ প্রামাণ্য জীবনী পুনর্গঠনে ব্রতী হয়েছেন।

নজরুল জীবনী রচনার জন্য স্থানিক তথ্য-উপকরণের উপযোগিতাও কম নয়। নজরুল বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় থেকেছেন। নানা সূত্রে বিভিন্ন স্থান সফর করেছেন। তার পূর্ণাঙ্গ জীবনী রচনার ক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাদানগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত কিছু কাজও হয়েছে। কিছু কিছু গ্রন্থ ও প্রবন্ধও আমরা পেয়েছি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস রচিত কুমিল্লায় নজরুল, মনিরুজ্জামান সম্পাদিত চট্টগ্রামে নজরুল, কাজী তালেবুর রহমান রচিত আসানসোল, কাজীর সিমলা ও দরিরামপুরে নজরুল, নৃপেন্দ্রলাল দাশ রচিত সিলেটে নজরুল, আলী হোসেন চৌধুরী রচিত নজরুল জীবন ও সৃষ্টিতে কুমিল্লা ইত্যাদি।

নজরুল জীবনের বিভিন্ন দিকের নির্ভরযোগ্য উপকরণ মেলে এমন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে : মুস্তাফা নূরউল ইসলামের সমকালে নজরুল ইসলাম, আবদুল মান্নান সৈয়দের নজরুল ইসলাম : তিন অধ্যায়, কল্পতরু সেনগুপ্তের জনগণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম, বাঁধন সেনগুপ্তের নজরুলের ছেলেবেলা।

নজরুল আত্মীয়স্বজনসহ যেসব ব্যক্তির সান্নিধ্যে এসেছিলেন তাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও সম্পর্কের দিকটিও নজরুল-জীবনীর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। এ বিষয়েও গবেষকরা কিছু কিছু কাজ করেছেন। নজরুলের জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তার সাংবাদিক জীবন। এ ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে। নজরুলের রাজনৈতিক জীবন নিয়েও কিছু কাজ চোখে পড়ে। নজরুলের চলচ্চিত্র জীবন নিয়েও কেউ কেউ লিখেছেন। নজরুল নাট্যাঙ্গনেও ভূমিকা রেখেছেন। এ প্রসঙ্গ নিয়েও গ্রন্থ রচিত হয়েছে। নজরুলের জীবনের বিশেষ বিশেষ ঘটনার তথ্যও নজরুল-জীবনী রচনার বিশেষ উপকরণ হিসেবে গণ্য। এ নিয়ে কিছু কিছু কাজও চোখে পড়ে। গাজী শামসুর রহমান রচিত নজরুলের বিচার, নরেন্দ্রনারায়ণ চক্রবর্তী রচিত নজরুলের সঙ্গে কারাগারে, গৌতম দত্ত রচিত নজরুলের চিকিৎসা ইত্যাদি গ্রন্থ এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য। এসব উপকরণ নজরুল জীবনের নানা অংশের ওপর আলোক-সম্পাদিত। এগুলোতে পুরো নজরুলকে পাওয়া যায় না। কিন্তু পুরো নজরুলকে পেতে হলে এগুলো বিবেচনায় না নিলে চলে না।

অমৃতবাজার, দি মুসলমান, আনন্দবাজার পত্রিকা ইত্যাদি পত্রপত্রিকা ছাড়াও সমসাময়িক বিভিন্ন সংবাদপত্র-সাময়িকীতে নজরুলসংক্রান্ত অনেক খবরাখবর মুদ্রিত হয়েছে। সেগুলোতে নজরুল-জীবনীর তথ্য-উপকরণ থাকা অস্বাভাবিক নয়। সেসব তথ্য বিচার করা প্রয়োজন।

নজরুলের প্রামাণ্য জীবনী রচনার জন্য প্রাপ্ত সব ধরনের উপকরণের বিশ্লেষণ, তথ্য-যাচাই ও তথ্যভ্রান্তি নিরূপণ করা অপরিহার্য। এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ম. ইনামুল হক কার্পাসডাঙায় নজরুল (১৯৯১) পুস্তিকায় তথ্য দিয়েছেন যে, নজরুল ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে স্ত্রী প্রমীলা, পুত্র সব্যসাচী ও অনিরুদ্ধকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার কার্পাসডাঙ্গায় আসেন। কার্পাসডাঙ্গায় তিনি কংগ্রেস নেতা হর্ষপ্রিয় বিশ্বাসের বাড়িতে দুমাস ছিলেন। এখানে মারাত্মক তথ্যভ্রান্তি রয়েছে। কারণ ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে সব্যসাচী ও অনিরুদ্ধ জন্মায়ইনি। সব্যসাচীর জন্ম ১৯২৯-এ, অনিরুদ্ধের জন্ম ১৯৩১-এ।

নজরুলের জীবনপঞ্জি রচনার ক্ষেত্রে অনেক ব্যাপারে সংশয় ও বিভ্রান্তি রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নজরুলের জন্মতারিখ নিয়ে অনেক সংশয় এখনো কাটেনি। সুফি জুলফিকার হায়দার নজরুলের বরাত দিয়ে নজরুলের জন্মতারিখ ১১ জ্যৈষ্ঠের বদলে ১১ বৈশাখ বলে উল্লেখ করে সংশয় সৃষ্টি করেছিলেন। নজরুলের জন্মতারিখ এখন ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ তথা ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে বলে সবাই মেনে নিয়েছেন। কিন্তু ওই দিনটি কী বার ছিল তা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনো কাটেনি। আবদুল কাদির লিখেছিলেন বুধবার, রফিকুল ইসলাম লিখেছেন মঙ্গলবার। কিন্তু পঞ্জিকা নিরীক্ষণে দেখা যায় দিনটি ছিল বুধবার। নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশিত নজরুল রচনাবলীতে দিনটিকে নির্ধারণ করা হয়েছে মঙ্গলবার। আর পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্রে দিনটি সম্পর্কে বলা হয়েছে মঙ্গলবার (মতান্তরে বুধবার)।

পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণ্য জীবনী রচনায় সন-তারিখ নির্ভরযোগ্য হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা এখনো নিরসন করা যায়নি। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত জন্মশতবর্ষ সংস্করণ নজরুল-রচনাবলী এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্রে নজরুলের বেশ কয়েকটি গ্রন্থের প্রকাশকালের সন-তারিখগত পার্থক্য দেখা যায়। যেমন : নজরুল-রচনাবলীতে ব্যথার দান-এর প্রকাশকাল ১ মার্চ ১৯২২, রচনাসমগ্রে প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ১৯২২। নজরুল-রচনাবলীতে রিক্তের বেদন-এর প্রকাশকাল ১২ জানুয়ারি ১৯২৫, রচনাসমগ্রে প্রকাশকাল ডিসেম্বর ১৯২৪। নজরুল-রচনাবলীতে রুদ্রমঙ্গল-এর প্রকাশকাল ১৯২৭, রচনাসমগ্রে ১৯২৫-১৯২৬। সন-তারিখগত এ রকম পার্থক্য আরও আছে। এ ধরনের পার্থক্যের ফলে কোনটি সঠিক তারিখ তা নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ রয়েই গেছে।

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র ৭ম খ-ে নজরুলের সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি দেওয়া হয়েছে। এটি তথ্য বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত নয়। যেমন : নজরুলের পিতার মৃত্যু ১৩১৪ বঙ্গাব্দের ৭ চৈত্র অনুযায়ী হবে ২০ মার্চ ১৯০৮। কিন্তু লিপিবদ্ধ হয়েছে ৮ এপ্রিল (পৃ. ৬৪৯)। জীবনীতে বলা হয়েছে, অর্ধসাপ্তাহিক ধূমকেতুর সঙ্গে নজরুল সপ্তম সংখ্যা পর্যন্ত স্বনামে যুক্ত ছিলেন (পৃ. ৬৫১)। নজরুল ইনস্টিটিউট প্রকাশিত ধূমকেতু পত্রিকার পুনর্মুদ্রণ থেকে দেখা যায়, তিনি ২০তম সংখ্যা পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন। নজরুলের দ্বিতীয় পুত্রের জন্মতারিখ বলা হয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর। আসলে তা হবে ৯ অক্টোবর।

বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত নজরুল-রচনাবলী প্রথম খ-েও সন-তারিখের ভুলসহ বিভিন্ন ভুল রয়েছে। যেমন : বিষের বাঁশি ১৬ শ্রাবণ প্রকাশিত হয় বলে গ্রন্থ পরিচয়ে উল্লেখ আছে। সে হিসেবে খ্রিস্টাব্দে প্রকাশকাল হবে ১ আগস্ট, কিন্তু ছাপা হয়েছে ১০ আগস্ট। রিক্তের বেদনের প্রকাশকাল পৌষ ১৩৩১। আফজালুল হক রচিত ভূমিকায় তারিখ আছে বড়দিন ১৯২৪। সে অনুযায়ী প্রকাশকাল হয় ২৫ ডিসেম্বর ১৯২৪। কিন্তু লেখা হয়েছে ১২ জানুয়ারি ১৯২৫। উভয় ক্ষেত্রেই এ ধরনের আরও তথ্যভ্রান্তি রয়েছে। এ জাতীয় ভুলভ্রান্তি জীবনীর প্রামাণিকতা, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে সংশয়াচ্ছন্নœ করে তোলে।

নজরুল-জীবনীর উপকরণ পাওয়ার সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তাই লুপ্তপ্রায় উপকরণ সন্ধান ও সংগ্রহ বিশেষ জরুরি। এ ব্যাপারে সুপরিকল্পিত, সুসমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা দরকার। যেসব উপকরণ পাওয়া গেছে সেগুলোর প্রামাণিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রামাণ্য বা নির্ভরযোগ্য জীবনী গ্রন্থ রচনার জন্য অপরিহার্য।

নজরুলের জীবনপরিক্রমা দুই বঙ্গে পরিব্যাপ্ত ছিল। তাই নজরুল-জীবনী রচনার কাজে উভয় বঙ্গেই যৌথ ও সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের কথা ভাবা যেতে পারে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে