তারার স্টাইল

শাড়িই আমার প্রিয় পোশাক

  অনলাইন ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সংগীতশিল্পী মৌটুসী পার্থ। সুমধুর কণ্ঠে গান শুনিয়ে সবার ভালোবাসা পেয়েছেন। বিশেষ করে পুরনো বাংলাগানের কোকিল-কণ্ঠী শিল্পীই বলা যায় তাকে। আর কদিন পরই তো পুজো। চারদিকে শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে। প্রিয় শিল্পী তাই জানালেন পুজোর আয়োজন নিয়ে ভালো লাগার কিছু কথা। বিস্তারিত জানাচ্ছেনÑ ইসমত জেরিন স্মিতা

পোশাকে ট্র্যাডিশনাল

ভালোবাসেন গান করতে, গানের জন্যই যেন তিনি বেঁচে আছেন। কিন্তু সাজগোজের জন্য শাড়িই তার প্রিয় পোশাক। ভালোবাসেন ট্রেডিশনাল লুক। মৌটুসী বলেন, আসলে ছোট থেকেই আমার শাড়ি পরতে ভালো লাগতো। যে কোনো আয়োজনে তাই শাড়িটাই আমার পছন্দ। সিল্কের শাড়ি প্রথম পছন্দ। তবে বিশেষ কোনো ব্র্যান্ড নয়, সুতি, তাঁত বা যেটাই পরি না কেন চওড়া পার থাকতে হবে। সাজটা তাই ট্রেডিশনালই পছন্দ। পুজোর মহালয়া থেকে শুরু করে দশমি পর্যন্ত অনুষ্ঠানগুলোতে তাই শাড়িতেই সাজবো।

কেনাকাটায় আসক্ত নই

তিনি বলেন, ছোটবেলায় উৎসবে সেভাবে কেনাকাটা করতাম না। বিয়ের পর থেকে আসলে কেনাকাটা নিজে করি। তবে মজার ব্যাপার হলো মা নিজহাতে সেলাই করে জামা তৈরি করে দিত। অন্যরকম একটা আনন্দ কাজ করতো। সারা রাত ধরে সেটা সেলাই হচ্ছে কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি না। এখন তো সেভাবে উৎসবকে কেন্দ্র করে শপিং হয় না। শপিং করা হয় ওয়ার্ক ওরিয়েন্টেড। বিশেষ করে আমরা যারা আর্টিস্ট। ঈদ এবং পুজো দুটোতেই উৎসবকে সামনে রেখে শপিং হয় না। অনুষ্ঠান বেজ করে শপিং হয়। এবারের পুজো উপলক্ষে তাই বিশেষ কোনো শপিং করি নাই।

সব খাবারের স্বাদ নিতে চাই

অনেকেই আছেন নিদিষ্ট একটি ঘরানার খাবারই পছন্দ। আবার এ তালিকায় থাকতে পারে আরও কিছু। কিন্তু সুকণ্ঠী এই শিল্পীর নির্দিষ্ট কোনো পছন্দের খাবার নেই। যখন যেখানে বা যে দেশে যান সেখানকার খাবারের স্বাদ নিতে চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, আসলে নিজেদের খাবার তো সবসময়ই খাই। একটু ডিফরেন্ট ট্রাই করাটা কিন্তু মন্দ না। তবে পুজোর আয়োজনে অতিথি আপ্যায়ন করতে পছন্দ করি। যদিও সময়ের অভাবে অনেকটাই হয়ে ওঠে না। পুজোর দিনগুলোতে সকালে থাকবে লুচি, লাবড়া, দুপুরে স্পেসিয়াল মোগলাই।

রাতবিরাতে ম-বে ম-বে

পুজোর সময়টা ম-বগুলো থাকে লোকারণ্যে ভরপুর। শাখা শঙ্খের ধ্বনি। উলু ধ্বনিতে মুখরিত। ঘুরে বেড়াতে তো ভালোই লাগে। সময় তো সেভাবে পাই না। তবে রাতের দিকে পুরো পরিবার ঘুরতে বের হই। রাত ১১টার পর কিছুটা ভিড় কমে। তখন ম-বগুলো দেখতে বের হই। প্রায় সব ম-বই যাওয়া হয়। রামকৃষ্ণ থেকে শুরু করে রিনাউন্ড সব ম-বই যাওয়া হয়। সবখানেই পরিবারের সঙ্গে যাই।

প্রিয় অনুষঙ্গ

টিপ টা আমার যেন আইডেন্টিটি, এমনটিই বললেন মৌটুসী পার্থ। আমি যে রকমের শাড়িই পরি না কেন একটা টিপ থাকবেই। তাও আবার বড় সাইজের টিপ। এ ছাড়া শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে নেকলেস এবং সিতা হারটাও আমার খুব পছন্দ। সাজের সঙ্গে এ দুটো অনুষঙ্গ আমার লাগে। পুজোতে তেমন কোনো প্ল্যান না থাকলেও সাজের ক্ষেত্রে এমনটিই হবে বলে বলেন মৌটুসী পার্থ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে