তারার স্টাইল

‘পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে অনুষঙ্গ চাই’

  অনলাইন ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নুসরাত ইমরোজ তিশা। প্রিয় পোশাক শাড়ি হলেও সব ধরনের পোশাকই পরেন তিনি। খুব সাধারণ বাংলা খাবার তার পছন্দ। ভালোবাসেন ঘুরে বেড়াতে। আজকের তারার স্টাইলে থাকছে তিশার পছন্দ-অপছন্দের নানা কথা তিশা, অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ আমান উল্লাহ

শাড়িতে আভিজাত্য

অভিনয়ে চরিত্রের প্রয়োজনে তিশাকে প্রায়ই শাড়ি পরতে হয়। তাই বলে শুধু চরিত্রের প্রয়োজনেই নয়, তিশার প্রিয় পোশাকের তালিকাতেও রয়েছে শাড়ি। প্রিয় পোশাক প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘যদিও ওয়েদার, মুড এবং চরিত্রের প্রয়োজনে একেক সময় একেক ধরনের পোশাক পরি। তবে আমার প্রিয় পোশাক শাড়ি। বিশেষ করে জমকালো অনুষ্ঠানে শাড়িই আমার কাছে জমকালো পোশাক। আর শাড়ির মধ্যে আমার কাছে দেশি শাড়িই আভিজাত্যময়। জমকালো অনুষ্ঠানে আমি প্রায়ই ট্রেডিশনাল শাড়ি পরি। অবশ্য ওয়েস্টার্ন আউটফিট পরতেও ভালো লাগে। প্রিয় রঙের তালিকায় রয়েছে সাদা, কালো, লাল।’ কেনাকাটা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার কেনাকাটার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। কস্টিউমের প্রয়োজনে কখনো কেনাকাটা করতে যাই গাউছিয়া তো কখনো গুলশান। ব্যক্তিগত কেনাকাটার ক্ষেত্রেও তাই। আবার দেশের বাইরে থেকেও কেনাকাটা করা হয়। এটা ডিপেন্ড করে সময়, প্রয়োজন আর পরিবেশের ওপর।’

পোশাক মিলিয়ে অনুষঙ্গ

সাজতে বেশ পছন্দ করলেও ভারী মেকআপ পছন্দ নয় তিশার। তিশার কাছে হালকা সাজই সুন্দর, স্নিগ্ধ। তিনি বলেন, ‘আমি হালকা সাজে স্নিগ্ধ হতে ভালোবাসি। তবে আমার যে কোনো সাজেই কাজল আর আইলাইনার থাকা চাই-ই।’ পোশাক মিলিয়ে মানানসই অনুষঙ্গ পরতে পছন্দ করেন তিশা। তিশা বলেন, ‘ভারী সোনার গহনা আমার পছন্দ নয়। এন্টিক ধাঁচের গহনা ভালো লাগে। খুব বেশি গহনার আধিক্য আমার পছন্দ নয়। যে কোনো অনুষঙ্গ ক্ষেত্রেই পোশাকের সঙ্গে যতটুকু মানানসই আমি ঠিক ততটুকুই ব্যবহার করতে পছন্দ করি। পারফিউম আর সানগ্লাস ব্যবহার করতে পছন্দ করি। কিন্তু সব সময় ব্যবহার করা হয় না। আমি কাউকে ফলো করি না। আমাকে যা মানায় এবং যেটায় আমি আরামবোধ করি এমন পোশাকই পরি এবং এটাই আমার কাছে ফ্যাশন’ বলে জানান তিশা।

সাধারণ খাবারই অসাধারণ

খুব সাধারণ খাবারই তিশার কাছে অসাধারণ। পছন্দ করেন সব ধরনের দেশি খাবার। তিশা বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। তাই খেতে পছন্দও করি খুব সাধারণ সব ধরনের খাবার।

অবসরে সারাবেলা

ঘুরতে খুব ভালো লাগে। নতুন নতুন জায়গায় ঘোরার মাধ্যমে নতুন নতুন কালচার জানা যায়। অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। অনেক কিছু শেখা যায়। শুটিংয়ের প্রয়োজনে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় আমার ঘুরে বেড়ানো হয়। সময় পেলে মুভি দেখি, গানি শুনি, শপিং করি। আর যেটা করা হয় তা হলো আত্মীয়স্বজন ও বন্ধবান্ধবদের দাওয়াত করি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে