তারার স্টাইল

‘কাজের মধ্যে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করি’

  প্রীত রেজা, সিইও, ওয়েডিং ডায়েরি

০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিয়ের দুর্লভ মুহূর্তগুলোর স্মৃতির কারিগর ওয়েডিং ফটোগ্রাফার ও ‘ওয়েডিং ডায়েরি’র সিইও প্রীত রেজা। শুধু বিয়ের ছবি তোলা নয়, বিয়ের ছবিকে যিনি শিল্পে পরিণত করেছেন তিনি প্রীত রেজা। পুরো নাম মুহাম্মদ জাহিদ রেজা প্রীত। আজকের তারার স্টাইলে থাকছে প্রীত রেজার পছন্দ-অপছন্দের নানা কথা। লিখেছেনÑ আমান উল্লাহ

ক্যাজুয়ালে স্বাচ্ছন্দ্য

ক্যাজুয়াল পোশাকে থাকতে ভালোবাসেন প্রীত রেজা। তবে পরিবেশ বুঝে হয়ে ওঠেন ফরমালও। প্রিয় পোশাক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্যাজুয়াল থাকতে পছন্দ করি। হাফ হাতার শার্ট ছাড়াও ফুল হাতার শার্ট ফোল্ড করে পরতে ভালো লাগে। ভালো লাগে ন্যারো প্যান্টও। ক্যাজুয়াল পোশাক পছন্দ হলেও সব সময় তো আর ক্যাজুয়াল থাকা সম্ভব না। ফরমাল অনুষ্ঠানে ফরমাল পোশাকে মানানসই থাকতে চেষ্টা করি। শীতে বিভিন্ন প্রোগ্রামে স্যুট বেশি পরা হয়। প্রিয় রঙ ব্লু। ব্লু জিন্স, ব্লু শার্ট খুব পছন্দ।’

প্রিয় অনুষঙ্গ

প্রিয় অনুষঙ্গ প্রসঙ্গে প্রীত রেজা বলেন, ‘ওই যে বললাম ক্যাজুয়াল থাকতে পছন্দ করি। এ ক্ষেত্রেও তাই। ঘড়ি পরতে পছন্দ করি। বেল্ট, সানগ্লাস নিয়মিত পরা হয়। পোশাক বলুন আর অনুষঙ্গ, নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ড নেই। কোয়ালিটি ভালো হলে আর আমাকে মানিয়ে গেলে কিনে ফেলি। আসলে আমি শপিংয়ের পেছনে খুব বেশি সময় নষ্ট করতে চাই না। তাই এক শোরুম থেকে একসঙ্গে বেশ কিছু পোশাক, অনুষঙ্গও কিনি।’

ভোজনরসিক

‘আমাকে ভোজনরসিক বলতে পারেন। তাই বলে যে এলোমেলো খাই তা কিন্তু নয়। ফিট থাকার বিষয়টিও মাথায় থাকে। দেশি খাবার ভীষণ প্রিয়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো লাগে নানা পদের ভর্তা আর খিচুড়ি। খাবারের স্বাদটা আবার সময় বুঝে পরিবর্তন হয়। যেমন কখনো ইচ্ছে করছে ইলিশ-খিচুড়ি তো কখনো গরু খিচুড়ি। মধ্যরাতে আমার স্ত্রীর হাতের নুডুলসেরও ভীষণ ভক্ত আমি, যা কাজের সময় আমাকে বেশ সঙ্গ দেয়’Ñ জানান প্রীত রেজা।

অবসর আনন্দে

দিনময় ব্যস্ত সময় পার করেন প্রীত রেজা। এক টুকরো অবসরে তাই পরিবারকে সময় দেয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আজকাল দেখা যায় বাইরের সব কাজের জন্য আমাদের সময় আছে, কিন্তু পরিবারের জন্য সময় বের করার সুযোগ হয় না। পরিবারই সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়। আমি অবসরটা খুব চেষ্টা করি পরিবারের সঙ্গে কাটাতে। এ ছাড়া অবসরে প্রচুর গান শুনি। সমুদ্রের বিশালতাও আমাকে মুগ্ধ করে। সুযোগ পেলেই সমুদ্রের কাছে ছুটে যাই।’

আমার আমি

কাজের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যই একজন মানুষকে কাজে উদ্যমী করে তোলে। নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে শেখায়। আমি বলছি না প্রতিদিন প্রফেশন চেঞ্জ করতে হবে। কিন্তু আপনার নির্দিষ্ট কাজেই আপনি প্রতিদিন নতুনত্ব আনতে পারেন। আমি এ কাজটিই করি। ফটোগ্রাফিকেই কখনো উপস্থাপনা, কখনো বইয়ের ভাষা, কখনো প্রদর্শনী, কখনো প্রশিক্ষণÑ নানাভাবে কাজের মধ্যে বৈচিত্র্য নিয়ে আসি। নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করি। ট্রেন্ডের ওপর ভিত্তি করে ফটোগ্রাফিকে বেছে নেওয়া ঠিক না। ফটোগ্রাফির পেছনের গল্পগুলো জেনেবুঝে এগোনো উচিত।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে