• অারও

‘চেষ্টা করি আনন্দে থাকতে’

সাজু খাদেম, অভিনেতা

  আমান উল্লাহ

১৬ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

 

অভিনেতা সাজু খাদেম। পর্দায় যেমন হাসান দর্শকদের, তেমনি ব্যক্তিজীবনেও হাসিখুশি প্রাণবন্ত থাকতে চেষ্টা করেন। ভালোবাসেন ছবি আঁকতে আর আনন্দ আড্ডায় মেতে থাকতে। প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে ছিটা রুটি। প্রিয় পোশাক টি-শার্ট, জিন্স। আজকের তারার স্টাইলে সাজু খাদেম জানিয়েছেন তার পছন্দ-অপছন্দের নানা কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ আমান উল্লাহ

স্টাইল অনুষঙ্গে

পছন্দের পোশাকের প্রসঙ্গে সাজু খাদেম বলেন, ‘আমার পছন্দের পোশাক হচ্ছে টি-শার্ট ও জিন্স। বাইরে ক্যাজুয়াল লুকে টি-শার্টের সঙ্গে জিন্স পরি। বাসায় টি-শার্টের সঙ্গে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পরি। এমনকি অনুষ্ঠান, পার্টিতেও টি-শার্ট পরি। তখন অবশ্য টি-শার্টের সঙ্গে একটা ব্লেজার যোগ করি। ব্লেজারের সঙ্গে হ্যাট আর রোদচশমা পরে স্টাইলে একটু ভিন্নতা আনতে ভালো লাগে। দেশের বাইরে গেলে হ্যাট, রোদচশমা যেমন বেশি কিনি, তেমনি মনের ভুলে রেখেও আসি। তিনি জানান, ফিট এলিগেন্সের ব্লেজার তার পছন্দ। জিন্স কেনেন ডেনিমের। জুতা পছন্দ করেন উডল্যান্ড ও ক্রসের।

পুরোদস্তুর শিল্পী

‘আমি চারুকলার পেইন্টিংয়ের ছাত্র ছিলাম। ছবি আঁকার নেশাটা প্রবল। শুটিং স্পটেও সুযোগ পেলেই ছবি আঁকি। হাতের কাছে কাগজ না থাকলে আশপাশে পড়ে থাকা কাগজ কুড়িয়ে এনেও মাঝেমধ্যে ছবি এঁকে ফেলি। আর এসব ছবিতে অধিকাংশ সময় স্থান পায় প্রকৃতি। তবে এগুলো কখনো সংরক্ষণ করা হয় না। মনের তৃপ্তির জন্য আঁকি’Ñ বলেন সাজু খাদেম। মজা করে বলছিলেন ছেলের ছবি আঁকার কথাও। জানালেন, ‘আমার ছেলে সার্ধশ প্রজ্ঞান পটও কিন্তু ভালো ছবি আঁকে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছেÑ পট সরাসরি দেয়ালে আঁকে।’ সাজু খাদেমের ঘরের প্রতিটি কোণে রয়েছে তার হাতের ছোঁয়া। ঘরের আসবাবের নকশা করেছেন তিনি নিজেই। দেয়ালের চিত্রকর্মও তারই আঁকা।

ফিট থাকতে

সাজু খাদেমের দিন শুরু হয় পানি পান দিয়ে, অর্থাৎ ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করেন তিনি। ফিট থাকতে দৈনন্দিন জীবনধারা এবং খাবারদাবারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন ৩০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌড়াই। চেষ্টা করি নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাসটা ধরে রাখতে। যদিও সব সময় সেটা সম্ভব হয় না, কিন্তু চেষ্টাটা থাকে। তাড়াতাড়ি ঘুমাই এবং খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠি। ঘুম থেকে উঠেই পানি খাই। খাবারদাবারে সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। প্রতিদিন একটা ডিম খাই। কিন্তু কুসুম বাদ দিয়ে। ছিটা রুটি আমার খুব পছন্দ। মাঝেমধ্যে নিজেই বানাই। গরুর মাংস দিয়ে খেতে খুব সুস্বাদু। কিন্তু এখন গরুর মাংস খুব কম খাই। ফিট থাকতে পছন্দের অনেক খাবারই এখন আর তেমন খাই না। প্রতিদিনের খাবারে দুই বেলা মাছ থাকে। মাছ আমার খুব পছন্দ। ঠা-া ভাতের সঙ্গে ডিম ভাজিও অসাধারণ লাগে। খাওয়ার পর কড়া লিকারের এক কাপ দুধ চা খুব আয়েশ করে খাই। এর বাইরে খুব বেশি পছন্দের তেমন কোনো খাবার নেই। শরীরটাকে ঠিক রাখতে চেষ্টা করি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে।

অবসর আড্ডায়

অবসরে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি। আড্ডার স্থান, সময় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে আগেই ঠিক করে রাখি। আর যেদিন আড্ডার আয়োজন থাকে না, সেদিন প্রাণভরে ঘুমাই। আর একটা কাজ ভালোবাসি, সেটা হচ্ছে মাছ কেনা। ছুটির দিনে খুব আয়োজন করে মাছ কিনতে বের হই। এগুলোর বাইরে সবচেয়ে বেশি যেটা পছন্দ করি সেটা হচ্ছে জীবনটাকে উপভোগ করতে। চেষ্টা করি আনন্দে থাকতে। নিজে হাসিখুশি থাকি, আশপাশের মানুষদেরও হাসিখুশি রাখতে চেষ্টা করি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে