তারার স্টাইল

‘ছোটবেলা থেকেই আমি হাতঘড়ির প্রতি ভীষণ দুর্বল’

সুজাত শিমুল, অভিনেতা

  কেয়া আমান

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তরুণ অভিনেতা সুজাত শিমুল। অভিনয় করে চলেছেন একাধারে মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনচিত্রে। প্রিয় পোশাক টি-শার্ট ও জিন্স। ভালোবাসেন ঘুরে বেড়াতে। নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া করেন। মাঝে মধ্যে নিজ হাতে রান্নাও করেন। আজকের তারার স্টাইলে সুজাত শিমুল জানিয়েছেন তার পছন্দ-অপছন্দের নানা কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ কেয়া আমান

প্রিয় পোশাক পছন্দের অনুষঙ্গ

ক্যাজুয়াল পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সুজাত শিমুল। ভালোবাসেন টি-শার্ট ও জিন্স পরতে। প্রিয় পোশাক ও অনুষঙ্গ প্রসঙ্গে শিমুল বলেন, ‘জিন্স, টি-শার্ট এবং পোলো টি-শার্টের সঙ্গে কেডস, সিøপার পরতে ভালো লাগে। উৎসবে অবশ্য আমার কাছে কালারফুল পাঞ্জাবিই সেরা। অনুষঙ্গের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই আমি হাতঘড়ির প্রতি ভীষণ দুর্বল। ছোটবেলায় এলিগেন্স সোয়েটার, বাটা শু আর লেদারের সিকো ঘড়ি খুব পছন্দ ছিল। এখন ফাস্ট ট্র্যাক ঘড়ি ভালো লাগে।’ তিনি আরও জানান, সিনিয়রদের কাছ থেকে উপহার আদায় করে নিতেও তিনি ভীষণ আনন্দ পান। বলেন, বিভিন্ন উৎসবে আমি সিনিয়রদের কাছ থেকে জোর করে উপহার আদায় করি। এই ঈদুল আজহায় তানিয়া আহমেদ আপুর কাছ থেকে পোশাক নিয়েছি। জোর করে উপহার নেওয়ার মধ্যে কিন্তু ভীষণ আনন্দ আছে!

নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া

‘খেতে ভালোবাসলেও পেশাগত কারণে এখন খাবার-দাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকতে চেষ্টা করি। সকাল ৮টার দিকে দুই-তিনটি খেজুর আর এক গ্লাস পানি খেয়ে আমার দিন শুরু হয়। এরপর ১০টার দিকে ওটস খাই। দুপুরে মাছ, সবজি ও ডাল দিয়ে ভাত খাই। অধিকাংশ সময় রাতে কিছু খাই না। আর খেলেও খুব সামান্য এবং সন্ধ্যার মধ্যে খাওয়া শেষ করি। এ ছাড়া ফিট থাকতে ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলি, হাঁটাহাঁটি করি এবং সতর্ক হতে মাসে একবার ডায়বেটিস মাপি’Ñ দৈনন্দিন খাবার প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেন সুজাত শিমুল। নিয়ম মেনে খাবার খেলেও সুজাতের পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে লাবড়া খিঁচুড়ি, ডিম চিতই, গরুর মাংস, ইলিশ, টিক্কা কাবাব আর নান রুটি, যেগুলো নিয়মিত না খেলেও মাঝেমধ্যে খেয়ে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের খাবারের স্বাদ নিতে ভালোবাসেন যে মানুষটি তিনি কি রাঁধতে পারেন? উত্তরে সুজাত জানান, ‘শুধু রাঁধতে পারি তাই নয়, আমি রান্নায় বেশ পাকা। গত ১৫ বছর ধরে প্রতি কোরবানির ঈদে আমাদের পরিবারের প্রথম গরুর মাংস আমিই রান্না করি। তাও প্রায় ২০ কেজির মতো। অনায়াসে রান্না করতে পারি ৪০০-৫০০ জনের খাবার।’

ভ্রমণপিপাসু

দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন সুজাত শিমুল। তিনি মনে করেন ভ্রমণ শুধু ঘুরে বেড়ানো নয়, একটি নতুন অভিজ্ঞতা, একটি নতুন শিক্ষা। যে অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা তিনি তার লেখালেখিতে প্রয়োগ করেন। সুজাত শিমুল বলেন, ‘অভিনয়ের পাশাপাশি আমি এ পর্যন্ত ১২টি এক ঘণ্টার নাটক, একটি টেলিফিল্ম লিখেছি। এর প্রায় প্রতিটির বিষয়বস্তু আমার বিভিন্ন ভ্রমণের থেকে শিক্ষা নেওয়া। সন্দ্বীপের ছেলে শিমুল বহুবার কক্সবাজার গেছেন। কিন্তু যতবারই তিনি কক্সবাজার যান তার কাছে প্রতিবারই সমুদ্র নতুন মনে হয়।

অবসরে শেখেন

অবসরে আমি লেখালেখি করি। আর লেখার জন্য শিখি। যেমন আমি কোনো বিষয় নিয়ে লিখতে চাচ্ছি। কিন্তু বিষয়টিতে আমার পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই। অবসরে আমি সেই বিষয়টা জানার ও শেখার চেষ্টা করি এবং পড়াশোনার করি। কারণ একজন শিল্পীর দৈনন্দিন পড়াশোনাটা অত্যাবশ্যক।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে