তারার স্টাইল

‘ফিটনেস ধরে রাখার জন্য শরীর চর্চা করি’

সাবরিনা জামান রিবা, মডেল

  কেয়া আমান

০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

র্যাম্পের পরিচিত মুখ রিবা। মডেলিংয়েও নিয়মিত তিনি। ফরমাল পোশাক হিসেবে পছন্দ করেন শাড়ি পরতে। দৈনন্দিন হিসেবে পছন্দ পশ্চিমা পোশাক। প্রিয় খাবার মায়ের হাতের খিচুড়ি, গরুর মাংস। ভালোবাসেন অবসরে গান শুনতে। আজকের তারার স্টাইলে রিবা জানিয়েছেন তার পছন্দ-অপছন্দের নানা কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেনÑ কেয়া আমান

পোশাকে স্নিগ্ধ

‘শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, লেহেঙ্গা সবই পরতে ভালোবাসি। তবে আড়ংয়ের তাগা আর স্বপ্নের সিঙ্গেল কামিজ আমার বেশি পছন্দ। তাগা আমার জন্য লাকি পোশাক। একসময় তাগা পোশাকে আমি প্রচুর মডেল হয়েছি। এখনো তাগার ফটোশুট ও বিজ্ঞাপন করি। তাগা পোশাক আমাকে মানায়ও খুব, স্নিগ্ধ লাগে’Ñ বলছিলেন রিবা। তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রিয় পোশাকের তালিকায় আরও রয়েছে শাড়ি। বিশেষ করে ফরমাল পোশাক হিসেবে শাড়ি পছন্দ। কটন ও সিল্কের শাড়ি ভালো লাগে। এ ছাড়া দৈনন্দিন কাজকর্মে, ঘুরে বেড়াতে পশ্চিমা পোশাকে আরামবোধ করি। ডেনিম প্যান্ট, শার্ট, শার্টের সঙ্গে লং জ্যাকেট, স্কার্ট, টপস নিয়মিত পরা হয়।’ রিবা নিজের পোশাক নিজে ডিজাইন করতেও ভালোবাসেন। সাধারণত দিনে হালকা, রাতে গাঢ় রঙের পোশাক পরেন।

পোশাক মিলিয়ে গহনা

আংটি, চেইনের সঙ্গে ছোট্ট লকেট, ব্যাঙ্গেলস, কানে টপ দৈনন্দিন পোশাক মিলিয়ে সাধারণত এ ধরনের গহনা পরেন রিবা। শাড়ি পরলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ভারী গহনা পরেন। সিলভারের গহনার প্রতি দুর্বলতা রয়েছে রিবার। শো ছাড়া সাদাসিধে থাকতে পছন্দ করেন। অধিকাংশ সময় শুধু কাজল আর লিপস্টিকটাই লাগিয়ে নেন। তবে সঙ্গী থাকে বডি স্প্রে। প্রিয় প্রসাধন প্রসঙ্গে রিবা বলেন, ‘গোল্ডেন রোজের প্রসাধন বেশি ব্যবহার করা হয়। ত্বকের ব্যাসিক যতেœর জন্য মাঝে মাঝে পার্লারে যাই। তবে নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যায় কয়েক রকম উপকরণ মিলিয়ে নিজেই প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করি।’

দিনে ছয়বার খাবার

খাওয়া-দাওয়া নিয়ে তেমন কোনো বাছবিচার নেই রিবার। ইচ্ছামতো খান। সব ধরনের খাবারই পছন্দ করেন। রিবা বলেন, ‘আমি আসলে পারিবারিকভাবেই শুকনা। তাই খাবার নিয়ে খুব বেশি টেনশন করতে হয় না। আম্মুর হাতের খিচুড়ি, গরুর মাংস ভীষণ প্রিয়। এ ছাড়া ক্যাসোনাট সালাদ, জুস, বাদাম, ফল, চকোলেট, রসমালাই খেতে ভালোবাসি। মাঝে মাঝে নিজ হাতে রান্নাও করি। ডেজার্ট ভালো তৈরি করতে পারি।’ রিবা আরও বলেন, ‘আমি সিøম হওয়ার জন্য আলাদা কোনো ডায়েট চার্ট ফলো করি না। তবে ফিটনেস ধরে রাখার জন্য চর্চা করি। একবারে বেশি না খেয়ে, দুই ঘণ্টা পর পর খাবার খাই। অর্থাৎ সারাদিনে ছয়বার খাবার খাই। নিয়মিত জিমে যাই।’

আমার আমি

অবসরে গান শুনতে ভালোবাসেন রিবা। হিন্দি, বাংলা, স্প্যানিশসহ প্রায় সব ধরনের গান শোনেন। ভালোবাসেন বিকালে খোলা ছাদে হাঁটতে, ঘুরে বেড়াতে। আত্মসমালোচনায় রিবা বলেন, ‘র্যাম্পে বা বিলবোর্ডে যে রঙবেরঙের রিবাকে দেখা যায়, সে কিন্তু বাস্তব জীবনে অনেকটাই সাদামাটা। খেয়ালি মনের মানুষ। অপরিচিতদের সামনে সহজে সহজ হতে পারি না আমি। এ জন্য অবশ্য অনেকে আমাকে ভুল বোঝে। অহঙ্কারী ভাবেন। কিন্তু যারা চেনে তারা জানে আমি আসলেই কম কথা বলি, নিজের জগতে থাকতে ভালোবাসি। আমি যখন র্যাম্প শুরু করি, তখন র্যাম্প মডেলিং শেখার কোনো স্কুল ছিল না ঢাকায়। অনেক জায়গায় হোঁচট খেয়েছি, কিন্তু মনের জোরে এগিয়ে গেছি। মনের জোর থাকাটা খুব জরুরি।’

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে