ফেসবুকের যত জটিলতা

  শামীম ফরহাদ

০৯ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের না জানিয়েই পাঁচ কোটি গ্রাহকের তথ্য নিজেদের বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করেছিল রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা। এ প্রতিষ্ঠানটি ডেটা মাইনিং ও বিশ্লেষণের কাজ করে। এ কোম্পানি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কৌশল তৈরি করতেও সাহায্য করে। এ নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেনÑ শামীম ফরহাদ

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় মার্ক জাকারবার্গ তার রুমমেট ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিতস এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় হার্ভার্ডের ডরমেটরিতে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কের নাম ছিল ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’। পরে ন্যাপস্টার প্রতিষ্ঠাতা শন পার্কারের পরামর্শে ফেসবুক থেকে ‘দ্য’ বাদ দিয়ে শুধু ফেসবুক করা হয়। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জানাশোনাকে বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেসবুক’। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লিগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরও পরে এটা সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাইস্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মালিক হলো ফেসবুক ইনক। সারা বিশ্বে বর্তমানে মাসে ২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন অ্যাক্টিভ ইউজার ফেসবুক ব্যবহার করছে। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ এই চলার পথে ফেসবুককে পোহাতে হয়েছে বেশ কিছু সমালোচনা। কলঙ্কিত হতে হয়েছে নানা কেলেঙ্কারিতে। সাম্প্রতিক ফাঁস হওয়া ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা বিতর্কের পর গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে ফেসবুক। মার্ক জাকারবার্গ প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও মুখোমুখি হতে হচ্ছে মামলা, তদন্তের সামনে । আওয়াজ উঠেছে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার। এরই মধ্যে অনেকেই ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। টুইটারে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে ‘ডিলিট ফেসবুক’ কর্মসূচি। যার ফলে শুরু হয়েছে #ডিলিটফেসবুক প্রচার। যেখানে বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা তাদের ফেসবুক আইডি এবং পেজ ডিলিট করে দিচ্ছেন।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা : ফেসবুক ব্যবহারকারীদের না জানিয়েই পাঁচ কোটি গ্রাহকের তথ্য নিজেদের বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করেছিল রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা। এ প্রতিষ্ঠানটি ডেটা মাইনিং ও বিশ্লেষণের কাজ করে। এ কোম্পানি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কৌশল তৈরি করতে সাহায্য করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে ডিজিটাল প্রচারণা চালানোর সুবিধার জন্যই নাকি এমনটি করা হয়েছিল। ফেসবুক ব্যবহারকারী ও তাদের বন্ধুদের তথ্যভা-ারে ঢোকার সুযোগ পেয়েছিল ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা। ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে গবেষণার নামে তারা এসব তথ্যের নাগাল পায়। তারা দাবি করেছিল, এসব তথ্য শুধু গবেষণার কাজে লাগানো হবে। এতে মানুষের নাম, অবস্থান, লিঙ্গ, তাদের পছন্দ-অপছন্দের তথ্য ছিল। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কোগান একটি ফেসবুকভিত্তিক ব্যক্তিত্ব প্রেডিক্টর অ্যাপ তৈরি করেন। ‘দিস ইস ইওর ডিজিটাল লাইফ’ এই অ্যাপ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার লোক ডাউনলোড করে। এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে মানুষের তথ্য চুরি করা হয়েছে। সেই ইউজারদের ফ্রেন্ডলিস্টের তথ্যও চুরি করা হয়েছে। ফেসবুকের সেই সময়কার নীতি অনুযায়ী, অ্যাপটির মাধ্যমে ওই ২ লাখ ২০ হাজার জনের বন্ধুদেরও বিস্তারিত তথ্য ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার হাতে চলে এসেছিল। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য পেয়েছিল ওই গবেষণা সংস্থাটি। পরবর্তীতে এই তথ্য সংস্থাটির সেই সময়কার কায়েন্ট ও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ওইসব তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন তৈরি এবং ভোটারদের ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী তাদের কাছে নির্দিষ্ট বার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়। নৈতিকতার কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্পের লাভ করাতে এবং নির্বাচন প্রভাবিত করতে ফেসবুকে উপভোক্তাদের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল। যার মাধ্যমে ফোটিং ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছিল। শুধু মার্কিনমুলুক নয়, একাধিক দেশে ভোটকে প্রভাবিত করতে কাজ করেছে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি ফাঁস হলে জানা যায় তাদের কার্যক্রম ছিল ভারতেও। প্রচেষ্টা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তা সম্প্রসারণ করার। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার মূল কোম্পানি এসসিএল (স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন ল্যাবরেটরিজ), যার সঙ্গে ভারতীয় কোনো সংস্থার সরাসরি যোগাযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ওয়েবসাইটে একটি সংস্থার নাম মিলেছেÑ ওভলেনো বিজনেস ইন্টেলিজেন্স (ওবিআই)। যারা নিজেদের লন্ডনের এসসিএল সংস্থার সঙ্গে যৌথ অংশীদারিতে এসসিএল ইন্ডিয়া বলে পরিচয় দেয়। রাজনৈতিক প্রচার উপদেষ্টা সংস্থা হিসেবে ওবিআইয়ের গ্রাহকদের তালিকায় বিজেপি, কংগ্রেস, জনতা দল ইউনাইটেড, আইসিআইসিআই ব্যাংক, এয়ারটেলের নাম রয়েছে। ফেসবুকের তথ্য পাচার, ঘুষ দেওয়া, রাজনীতিকদের ফাঁদে ফেলতে যৌনকর্মীদের কাজে লাগানোসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে যে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে, তাদেরই ২০১৯-এর ভোটপ্রচারের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে সাপে-নেউলে ঝগড়া শুরু হয়েছে ভারতের রাজনীতিবিদদের মধ্যে।

আত্মসাতের অভিযোগ : ফেসবুক ওয়েবসাইটকে আইন জটিলতায় পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকবার মার্ক জাকারবার্গের সহপাঠী কর্তৃক। তারা অভিযোগ এনেছেন, ফেসবুক তাদের সোর্স কোড এবং অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে।

ফেকনিউজ : ভুয়া খবর বা বানোয়াট সংবাদ কিংবা গুজব প্রচার এবং তা থেকে সৃষ্ট সহিংসতা বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের জন্য মারাত্মক ফল বয়ে আনে। বিশ্বজুড়ে নানা ঘটনায় এটি স্পষ্ট যে, ফেসবুকে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের কারণে মানবগোষ্ঠীর গুরুতর ক্ষতি হতে পারে, মানুষের জীবন পড়তে পারে হুমকির মুখে। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়া ও রাশিয়ার কাছে বিজ্ঞাপন বিক্রি সম্পর্কিত বিষয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া খবর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচিত হতে সহায়তা করে। এই কঠোর সমালোচনা বন্ধ করতে এবং ভুয়া খবর বিতর্ক থেকে নিজেদের স্বচ্ছ অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করছে ফেসবুক। এর পরও ভুয়া খবর ঠেকাতে এবং এ প্লাটফর্মটিকে বাজে কাজে লাগাতে যারা চেষ্টা করে, তাদের ঠেকাতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এখনো তেমন পদক্ষেপ দেখাতে পারেনি।

মামলা-মোকদ্দমা : ফেসবুকে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাও একটি সমস্যা হয়ে দেখা দেয় এবং তার নিরাপত্তাও বিভিন্ন সময় আপস-মীমাংসা হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে পড়তে হয় মামলায়।

সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ : ফেসবুক অনেক দেশেই বারবার বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন কারণে বন্ধ করা হয়েছে; যার মধ্যে আছেÑ চীন, ইরান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান, সিরিয়া, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়া। উদাহরণস্বরূপ এটি পৃথিবীর অনেক দেশেই ধর্মীয় বৈষম্য ও বিদ্বেষী কর্মের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নিরাপত্তাজনিত কারণেও বিভিন্ন দেশে সময়িকভাবে একাধিকবার ফেসবুক বন্ধ হয়েছে।

ব্যবহারে বাধা : ‘সময় অপচয়’ ব্যাখ্যা দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফেসবুক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অনেক জায়গায় কর্মীদের কাজের সময় ফেসবুক ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বছর দশেক আগে ২০০৭ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪৩ শতাংশ ব্রিটিশ অফিস কর্মীকে কর্মক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা হয়।

ষড়যন্ত্র : ২০১১ সালের মে মাসে সাংবাদিক ও ব্লগারদের কাছে ই-মেইল পাঠানো হয় গুগলের গোপনীয়তার নীতির অভিযোগ নিয়ে। যদিও শেষে দেখা যায় যে, গুগল প্রতিরোধকল্পে পিআরখ্যাত বারসন-মারসটেলার এটি করে এবং অর্থদাতা ছিল ফেসবুক, যা সিএনএনসহ বেশ কিছু গণমাধ্যমে সমালোচিত হয়।

অ্যাকাউন্ট হ্যাক : ২০১১ সালের নভেম্বরে ভারতের ব্যাঙ্গালুরের অনেকগুলো ফেসবুক ব্যবহারকারী জানায়, তাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে এবং তাদের প্রোফাইল ছবি অশ্লীল ছবি দিয়ে রিপ্লেস করা হয়েছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ব্যবহারকারীদের নিউজ ফিড অশ্লীল, হিংস্র ও যৌনতাভিত্তিক বিষয়বস্তু দ্বারা স্প্যামে ভর্তি হয়ে যায়। এবং প্রতিবেদনে বলা হয় দুই লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফেসবুক এই প্রতিবেদনকে অসত্য বলে বর্ণনা করে এবং ব্যাঙ্গালুরের পুলিশ বিষয়টি পরিদর্শন করে মন্তব্য করে, হয়তো এটি ফেসবুকের প্রতিযোগীদের কোনো গুজব হতে পারে।

ডেটা হাতিয়ে নেওয়া : নিজেদের মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন এক তারবিহীন-নেটওয়ার্কিং অ্যাপ এনেছে ফেসবুক। কিন্তু নতুন অ্যাপটি যে তাদের মালিকানাধীন সে তথ্য শুরুতে জানায়নি। এ অ্যাপটি সোশ্যাল জায়ান্টটির জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন ব্যবহারকারীদের পরিচয় গোপন আর অন্যান্য নিরাপত্তা ফিচার সুরক্ষিত রাখে। ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ উপায়ে অনলাইন ব্রাউজ করার সুযোগ করে দেয় এটি। ‘ওনাভো প্রটেক্ট’ নামের এই অ্যাপটিও ব্যবহারকারীদের ভিপিএন সেবা দিয়ে থাকে। তবে অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের ডেটা পর্যবেক্ষণ করে ও তা ফেসবুক আর অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে। এই শেয়ার করা তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ইনস্টল করা অ্যাপ, ওই অ্যাপগুলো কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, ডিভাইস থেকে কোন কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা হচেছ আর কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে এ বিষয়গুলোও রয়েছে বলে অ্যাপটির প্রাইভেসি নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়। এর মাধ্যমে কোনো ব্যবহারকারী ফেসবুকের কোনো সাইটে না থাকলেও তিনি অনলাইনে কী করছেন তা জানতে এ ডেটা ব্যবহার করতে পারে ফেসবুক। সেই সঙ্গে স্ন্যাপ আর টুইটারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর বানানো অ্যাপগুলো কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সে তথ্যও চলে যায় ফেসবুকের হাতে।

গণতন্ত্রের জন্য হুমকি : বিলিয়নেয়ার বিনিয়োগকারী, বিনিয়োগ গবেষক, অর্থনীতিবিদ এবং জনহিতৈষী জর্জ সরোস ফেসবুককে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের একচেটিয়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে জর্জ সরোস বলেন, মানুষের চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করছে একেবারেই অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। উদ্বেগের বিষয় হলো, এগুলোর পরিমাণ দিন দিন আরও কমছে। এ সময় তিনি ফেসবুকের সঙ্গে সঙ্গে গুগলের নাম বেশ কয়েকবার উল্লেখ করেন এবং একই ধরনের সমালোচনায় সমালোচিত করেন।

সরকারের সমালোচনা মুছে দেওয়া : বিভিন্ন দেশের সরকারের চাপে ফেসবুক সাইট থেকে ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা বা বিতর্কিত স্ট্যাটাস মুছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সামাজিক মাধ্যমটির বিরুদ্ধে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দাবি-দাওয়া আদায়ে আন্দোলনরত কর্মীরা তাদের পোস্ট মুছে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ফেসবুকের বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক রুমানিয়ায় দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশের আগে আন্দোলনকর্মীরা ফেসবুক থেকে তাদের পোস্ট মুছে দেওয়ার অভিযোগ করলেন। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার প্রতিবাদে দেওয়া বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট ডিলিট করে দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন আন্দোলনকর্মীরা।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে