২০১৬ সালে বিশ্বজুড়ে গুগল সার্চে শীর্ষ ১০ ব্যক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:০০ | আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:৩৩ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প, সিনিয়রের জন্ম জুন ১৪, ১৯৪৬ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী ২০১৬ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থী। তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনমেন্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা। ট্রাম্প নিউইয়র্ক শহরের স্থানীয় বাসিন্দা ফ্রেড ট্রাম্পের ছেলে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসাকে নিজের কর্মজীবন হিসেবে গড়ে তোলার েেত্র তার বাবার যথেষ্ট অনুপ্রেরণা ছিল। ট্রাম্প পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন হোয়ারটন স্কুলে অধ্যয়নের সময় তার বাবার ‘এলিজাবেথ ট্রাম্প অ্যান্ড সান’ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৮ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি তার বাবার প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেন। ১৯৭১ সালে ট্রাম্প তার বাবার প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’ রাখেন। ট্রাম্প বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েল স্টেট ব্যবসা ও মিডিয়া তারকাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

ট্রাম্প জীবনে তিনবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

 

হিলারি কিনটন

মার্কিন রাজনীতিবিদ হিলারি রডহ্যাম কিনটন ইলিনয় রাজ্যের শিকাগোয় ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য এবং নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি কিনটনের স্ত্রী। হিলারি ১৯৭৫ সালের অক্টোবরে যখন বিল কিনটনকে বিয়ে করেন, তখন পশ্চিমা দেশের প্রথামতো তিনি স্বামীর পদবি গ্রহণ করেননি। তবে কিছুদিন পর বিল কিনটন যখন রাজনৈতিক পদ গ্রহণ করেন, তখন মিসেস কিনটনের নাম হয় হিলারি রডহ্যাম কিনটন। গত বছর ওয়াশিংটন পোস্টকে এক সাাৎকারে বলেন, হিলারি কিনটন নামেই তিনি পরিচিত হতে চান। হোয়াইট হাউসে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস দেহরীরা মিসেস কিনটনের জন্য যে কোডনেম নির্ধারণ করেছিলেন তার নাম ছিল এভারগ্রিন বা চিরসবুজ। প্রেসিডেন্ট বিল কিনটনের কোডনেম ছিল ঈগল। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি আইন পেশায় ছিলেন। ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হন।

 

 

মাইকেল ফেলপস

তাকে নিয়ে চূড়ান্ত আগ্রহ রিও অলিম্পিকে। অবসর ভেঙে পঞ্চম অলিম্পিকে এসেছিলেন এই জলদানব। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে ৩১ বছর বয়সী ফেলপসের ঝুলিতে এখন অলিম্পিকের ২৩টি স্বর্ণ, তিনটি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ২৮টি পদক! অনেক ইভেন্টে রয়েছে বিশ্বরেকর্ডও।

অ্যাথেন্সের ২০০৪ গ্রীষ্ম অলিম্পিকে ফেলপস আটটি পদক জেতেন। একমাত্র সোভিয়েত জিমন্যাস্ট আলেক্সান্দার দিতিয়াতিন-ই তার সমানসংখ্যক পদক জিতেছেন, যা যে কোনো অলিম্পিকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। সর্বসাকল্যে ফেলপস ২৮টি অলিম্পিক পদক জিতেছেন (২৩টি স্বর্ণ)। এর মধ্যে ২০০৪ সালের অলিম্পিকে আটটি (ছয়টি স্বর্ণ ও দুটি ব্রোঞ্জ) ও ২০০৮ সালের অলিম্পিকে পাঁচটি (সবগুলো স্বর্ণ)। এর ফলে তিনি সর্বোচ্চসংখ্যক অলিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফ্রেড ফেলপসের জন্ম ১৯৮৫ সালের ৩০ জুন।

 

 

মেলানিয়া ট্রাম্প

২০১৬ সালে ব্যবসায়ী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রীকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে কম আলোচনা ছিল না। মেলানিয়া ট্রাম্প ১৯৭০ সালের ২৬ এপ্রিল ইয়োগোস্তাভিয়ায় (বর্তমানের স্বাধীন দেশ সেøাভানিয়া) জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সাল থেকে তিনি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা হন এবং ২০০৬ সালে নাগরিকত্ব পান। ১৯৯৬-এ নিউইয়র্ক আসার পর ১৯৮৮ সালের অক্টোবরে নিউইয়র্কের একটি ফ্যাশন সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মেলানিয়ার দেখা হয়, যখন তিনি বিবাহিতই ছিলেন, কিন্তু মার্লা ম্যাপলস থেকে পৃথক ছিলেন। তাদের সম্পর্ক সবার নজর কাড়ে ১৯৯৯ সালের দ্য হোয়ার্ড স্টার্ন শো নামক একটি টকশো অনুষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে। ২০০০ সালে মেলানিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আবির্ভূত হন, যখন সে বছর ডোনাল্ড রিফম পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ান। তাদের সম্পর্ক জনসমক্ষে প্রকাশ পায় ২০০৪ সালের পর ডোনাল্ডের ব্যবসায়িক রিয়েলিটি টেলিভিশন শো দ্য অ্যাপারেন্টিস চালুর পর। ২০০৪ সালে বাগদানের পর ২০০৫ সালের ২২ জানুয়ারি মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ফোরিডারর পাম সৈকতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের বিয়েতে তখনকার সিনেটর হিলারি কিনটন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল কিনটন উপস্থিত ছিলেন। ২০০৬ সালে মেলানিয়া একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন, যার নাম ব্যারন ট্রাম্প। ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে সাবেক এই মডেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডির দায়িত্ব পালন করবেন।

 

 

বার্নি স্যান্ডার্স

শুধু যুক্তরাষ্ট্র তো নয়, বিশ্বের অন্যতম সেলিব্রিটি রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ৭৪ বছর বয়সী এ নেতা। ধনতন্ত্রের যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক ন্যায়বিচার আর অর্থের সুষম বণ্টনের যুদ্ধকে এ পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসে জনমনে এর প্রয়োজনীয়তা প্রতিষ্ঠিত করেছেন স্যান্ডার্স। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একেবারে উত্তর-পূর্ব কোণের ছোট্ট রাজ্য ভার্মন্টের সিনেটর। সিনেটর হওয়ার আগে বহুদিন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র হাউসের সদস্য। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বার্নি ছিলেন ‘স্বতন্ত্র’, না ডেমোক্র্যাট, না রিপাবলিকান। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে স্বতন্ত্র হিসেবে হাউস কিংবা সিনেটে প্রতিনিধিত্ব করা রাজনীতিবিদ বার্নি। তার রাজনৈতিক অবস্থান বামে, বিশ্বাস সমাজতান্ত্রিক ঘরানার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রোপটে বিষয়টি কঠিন। এ দেশ পুঁজিবাদের দেশ, এখানকার উদারপন্থি বা বামের রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিকও বৈশ্বিক বিবেচনায় বাম থেকে যথেষ্ট ডানে সরে এসেছে। আর ডানের রণশীল দল রিপাবলিকান ডান থেকে আরও ডানে সরে গেছে। তিনি ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থিতার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হিলারি কিনটনের কাছে পরাজিত হন। বার্নার্ড ‘বার্নি’ স্যান্ডার্স নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ১৯৪১ সালে ৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।

 

 

স্টিভের এভেরি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে মানিত্বক কাউন্টিতে ১৯৬২ সালেন ৯ জুলাই স্টিভেন এভেরির জন্ম। যৌন নির্যাতনের দায়ে ১৮ বছর কারাবদ্ধ থাকেন তিনি। কিন্তু ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ডিএনএ পরীায় নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার কারামুক্তি হয়। ২০০৫ সালে আলোকচিত্রাকার টেরেসা হালবাক হত্যার দায়ে এভেরিকে গ্রেপ্তার ও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অনলাইন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক হিসেবে উত্তর আমেরিকায় জনপ্রিয় অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস নেটফিক্সের তথ্যচিত্র সিরিজ ‘গধশরহম ধ গঁৎফবৎবৎ’ এ দুটি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যার ফলস্বরূপ তাকে মা এবং মুক্তি দেওয়ার জন্য ব্যাপক আবেদন আসে।

 

 

 

সিমোন বাইলস

রিও অলিম্পিকে প্রথমবারের মতো এসে ৪ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার বাইলস জিমন্যাস্টিকসের শৈল্পিকতায় মন কেড়েছেন সবার। পাঁচটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে জিতেছেন চারটি স্বর্ণ, নতুন করে লিখেছেন অলিম্পিক ইতিহাস। জিমন্যাস্টিকসের গ্রেট গ্রেট অলিম্পিয়ানের পাশে এখন তার নাম। রিওতে যে কীর্তি তিনি গড়লেন, আর কখনো অলিম্পিকে অংশ না নিলেও এতেই ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবেন সিমোন।

অল্পের জন্য হাত ছাড়া হয়েছে তার পঞ্চম স্বর্ণটি। যদি তা না হতো নিজেকে নিয়ে যেতে পারতেন অনন্য উচ্চতায়। অলিম্পিকে এক আসরে পাঁচ স্বর্ণ জয়ের রেকর্ড নেই কোনো জিমন্যাস্টের। তবে সিমোনের নামের পাশে শোভা পাচ্ছে চারটি স্বর্ণের সঙ্গে একটি ব্রোঞ্জ, সেটাই বা কম কিসে?

২০১২ লন্ডন অলিম্পিকের সময় বয়স কম ছিল বলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। কিন্তু রিওতে আসার আগের চারটি বছর জিমন্যাস্টিকস বিশ্ব শাসন করেছেন সিমোন। রিওর অলিম্পিকে তার সাফল্যে তাকে তুলনা করা হচ্ছে উসাইন বোল্ট, মাইকেল ফেলপসদের সঙ্গে।

 

 

সেলিন ডিওন

টাইটানিক সিনেমার আলোচিত ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গান গেয়ে বিশ্বকে চমকে দেন সেলিন ডিওন। পাঁচবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী এ শিল্পীর জন্ম ১৯৬৮ সালের ৩০ মার্চ, কানাডায়। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বেড়ে ওঠা গায়িকা সেলিন ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথম গান গেয়ে জনসমে গান পরিবেশন করেন। সেই শুরু। এরপর মা-বাবার ক্ষুদ্র বারে পিয়ানো নিয়ে গান গাওয়া শুরু করেন ছোট্ট সেলিন। মাত্র ১২ বছর বয়সে সেলিন তার মা ও ভাইকে নিয়ে ‘ইট ওয়াজ অনলি অ্যা ড্রিম’ নামের গান লেখেন। মেয়ের প্রতিভা দেখে নিম্নবিত্ত বাবা বড় ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেখালেন। প্রথম গান রেকর্ডের জন্য ঘরবাড়ি সব সম্পত্তি বন্ধক রেখে টাকা জোগাড় করা হলো। ‘দ্য ভয়েস অব দ্য গুড গড’ নামের প্রথম গান গাইলের সেলিন। সেই এক গানেই ছোট্ট গ্রাম থেকে পুরো শহরে আলোচিত হলো সেলিনের কণ্ঠ। পাড়া-প্রতিবেশী এতটাই খুশি হলো যে, চাঁদা তুলে ১৪ বছর বয়সের সেলিনকে পাঠিয়ে দেয় জাপান। টোকিও অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পপুলার সং ফেস্টিভ্যালে স্বর্ণ জিতে দেশে ফেরেন কিশোর সেলিন। এর পরের যাত্রাটুকু সিনেমার মতোই। কুইবেক ছেড়ে সেলিনের কণ্ঠ পুরো কানাডায় ছড়িয়ে পড়ে। সেলিন ডিওন সেই ১৯৮০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১২ বার ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, পাঁচবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, সাতটি আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, ২০টি জুনো অ্যাওয়ার্ডসহ শয়ের বেশি সম্মাননা লাভ করেন।

 

 

রায়ান লোক্টি

রিও অলিম্পিক চলাকালীন মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করার দায়ে ১০ মাস নিষিদ্ধ হন ২০০ মিটার রিলেতে স্বর্ণজয়ী আমেরিকান সাঁতারু রায়ান লোক্টি। ২০১৭ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ও ন্যাশনাল সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে পারবেন না তিনি। ৩২ বছর বয়সী লোক্টির বাকি তিন সতীর্থ গাসার বেনটজ, জ্যাক কোঙ্গার ও জিমি ফেইজেনকে চার মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অলিম্পিক কমিটি। গত আগস্টে লোক্টি অভিযোগ করে বলেছিলেন, কয়েকজন লোক তাকে ও তার তিন সতীর্থকে বন্দুক ঠেকিয়ে ছিনতাই করে। এরপর এক টিভি সাাৎকারে দাবি করেন, বন্দুকধারীদের শার্টে নাকি পুলিশের ব্যাজ ছিল। কিন্তু পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে পুরো ব্যাপারটিই বানোয়াট। ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর অবশ্য দেশে ফিরে সবার কাছে মা চেয়েছিলেন লোক্টি। লন্ডন অলিম্পিকে কিংবদন্তি সাঁতারু মাইকেল ফেলপসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চ্যালেঞ্জে টিকে থাকতে পারেননি লোক্টি।

 

 

টম হিডেলস্টোন

২০১৬ সালের অন্যতম সুদর্শন পুরুষ হলিউড অভিনেতা টম হিডেলস্টোন। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ডে। ৩৫ বছর বয়সী এ অভিনেতার জনপ্রিয় টিভি শোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’। এ বছরই ভেঙে গেছে টম হিডেলস্টোনের সঙ্গে সুইফটের বহুল আলোচিত প্রেম-প্রীতি। পর পরই ‘আই স দ্য লাইট’ ও ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’ তারকা টমের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সুইফট। যা টেকে তিন মাস। সম্প্রতি প্রিয়াংকা চোপড়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

 

 

 

 

 

 

"

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে