নবজাতকের চোখের রোগ এবং করণীয়

  প্রফেসর ডা. সৈয়দ একে আজাদ

১৪ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চোখ মানুষের একটি অমূল্য সম্পদ। এটি দেহের অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঙ্গ। চোখের অতিছোট ও সাধারণ অসুখ থেকে বড় ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে, এমনকি অন্ধত্বও সৃষ্টি হতে পারে। যদি প্রাথমিক অবস্থায় চোখের এসব সাধারণ রোগ কিংবা সমস্যাগুলোর সঠিক চিকিৎসা বা যতœ নেওয়া যায়, তা হলে অন্ধত্বের হার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

সদ্যোজাত শিশুর চোখের প্রদাহ : শিশুর জন্মের ২১ দিনের মধ্যে চোখের (কনজাংটিভার) সংক্রমণ ও প্রদাহ হতে পারে। এর নাম অপথলমিয়া নিওনেটারাম। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমণ শুরু হতে পারে। এসব সংক্রমণ সাধারণত মায়ের প্রসব পথ থেকে আসে।

রোগের লক্ষণ : শিশুর চোখের পাতা ফুলে যায়, প্রচুর ময়লা বা পুঁজ দিয়ে দুই পাতা লেগে থাকে। মায়েরা বলে থাকেন, জন্মের পর থেকেই শিশুর চোখে পুঁজ দেখা দিয়েছে।

করণীয় : সাধারণত চোখের কোণায় হালকাভাবে মালিশ করলে এটি ভালো হয়ে যায়। ঘণ্টায় ঘণ্টায় চোখ পরিষ্কার করে দিতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতাল বা চক্ষুরোগের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তিনিই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং করণীয় বলে দেবেন।

জটিলতা : নইলে কর্নিয়ায় ঘা, কর্নিয়া ছিদ্র হয়ে চোখ অন্ধ হতে পারে।

কনজাংটিভায় রক্তক্ষরণ : চোখে আঘাত, জোরে কাশি (হুপিং কাশি), অতিরিক্ত ভারী জিনিস তোলা, অতিরিক্ত বমি, রক্তের রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কনজাংটিভার প্রদাহ, ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে চোখ লাল হয়।

চিকিৎসা : যেহেতু দেখতে কোনো অসুবিধ হয় না, তাই চোখের চিকিৎসার তেমন প্রয়োজন হয় না।

লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন

সাবেক বিভাগীয় প্রধান, চক্ষুরোগ বিভাগ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

চেম্বার : আল-রাজী হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা

০১৫৫২৪০৯০২৬, ০১৭১০৭৩৬০০৮

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে