• অারও

ক্রোমোজম কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই বিদ্যমান

  ডা. দিদারুল আহসান

১২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মানবজীবনের অনেক রহস্যই আমাদের কাছে অজানা। মাত্র কয়েক দিন আগেও জীবকোষের অন্তর্নিহিত কর্ম ও জেনেটিক বিজ্ঞানের সুশৃঙ্খল গতি-প্রকৃতি আমাদের কাছে একেবারেই অজানা ছিল। কিন্তু একটু করে জীববিজ্ঞানের সফলতার পাশাপাশি আজ আমরা স্পষ্টভাবেই জানতে পেরেছি, একটি ছেলে হয় অবশ্যই গুণগত কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে। তেমনিভাবে একটি সন্তান ছেলে না হয়ে মেয়ে হয়, তাও নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের গুণে। সন্তান ছেলে, না মেয়ে হবেÑ তা নির্ধারিত হয় ক্রোমোজমের মাধ্যমে। মানবদেহে ২৩ জোড়া ক্রোমোজম থাকে। এর মধ্যে এক জোড়া থাকে লিঙ্গ নির্ধারণী ক্রোমোজম। অর্থাৎ এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়, সন্তান ছেলে না হয়ে মেয়ে হবে। পুরুষের একজোড়া ক্রোমোজম আছে ‘ণ’ ও ‘ঢ’. কিন্তু নারীদের থাকে শুধু ‘ঢ’ ও ‘ঢ’। এখানে উল্লেখ্য, ওই ‘ণ’ ক্রোমোজমই হচ্ছে পুরুষজাত ক্রোমোজম। এ কারণে পুরুষ সন্তানের সৃষ্টি হয়। নারীর মধ্যে যেহেতু ‘ণ’ ক্রোমোজম অনুপস্থিত, সেহেতু ছেলে হওয়া বা না হওয়ার জন্য নারীকে দায়ী করার যে প্রবণতা আমাদের সমাজে বিদ্যমান, তা নিতান্তই অনৈতিক কাজ। যৌনমিলনের কারণে পুরুষের ‘ণ’ ক্রোমোজম মিলিত হলে যে সন্তানের জন্ম হবে, তা হবে ছেলে সন্তান। আর যদি পুরুষের ‘ঢ’-এর সঙ্গে নারীর ‘ঢ’ মিলিত হয়, তা হলে মেয়ে হবে। কাজেই ছেলে বা মেয়ে হওয়ার ব্যাপারে একক ভূমিকা নিহিত রয়েছে পুরুষের ক্রোমোজমে। কেননা লিঙ্গ নির্ধারণী ক্রোমোজম ‘ণ’ (পুরুষজাত) ও ‘ঢ’ (স্ত্রীজাত) কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই বিদ্যমান। এটি নারীর মধ্যে উপস্থিত নেই।

লেখক : চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ

সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক

আল-রাজি হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা

০১৭১৫৬১৬২০০, ০১৮১৯২১৮৩৭৮

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে