মেছতা দূর করার উপায়

  ডা. এসএম বখতিয়ার কামাল

১০ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৮, ০০:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ

ত্বকে যেসব সমস্যা বেশি দেখা যায়, তার মধ্যে মেছতা অন্যতম। এ জন্য মেয়েরা খুব দুশ্চিন্তায় থাকে। এটি ছেলে-মেয়ে উভয়েরই হতে পারে। তবে মেয়েদের বেশি হয়। সাধারণত ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মেয়েদের হয়ে থাকে।

আমাদের ত্বকের নিচে মেলানিন নামক এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে। কোনো কারণে ত্বকের বিশেষ জায়গায় এটির কার্যক্ষমতা বেশি হলে ত্বকের সেই অংশটি পার্শ্ববর্তী অংশের চেয়ে বেশি গাঢ় হয়ে যায়। ফলে ওই অংশটি কালো বা বাদামি থেকে হালকা বাদামি দেখায়। এর নামই মেছতা। এটি কোনো অ্যালার্জি নয়। এ থেকে ক্যানসার হয় না বা খারাপ কিছু হয় না। শুধু এটি একটিই ক্ষতি করে আর তা হলো সৌন্দর্যহানি। মেছতা শরীরের যে কোনো স্থানে হতে পারে। তবে সাধারণত যেসব স্থানে সূর্যের আলো বেশি পড়ে, সেই জায়গায় বেশি হয়।

মেছতা হওয়ার কারণ : প্রোটেকশন ছাড়া অতিরিক্ত সূর্যের আলোয় গেলে এটি হয়। সূর্যের আলোই এটির প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয়। হরমোনের তারতম্য ঘটলে, যেমনÑ গর্ভাবস্থায় এটি হয়ে থাকে। হরমোন ওষুধ ব্যবহারে বা হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নিলে। জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে। থাইরয়েড হরমোনের তারতম্য ঘটলে। বংশগত কারণে হতে পারে। ত্বক নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে।

প্রতিকার : মেছতা পুরাপুরি প্রতিকার করা সম্ভর নয়। তবে অবস্থার উন্নতি করা যায়। তাই মেছতা হলে প্রথমেই একজন ভালো ডার্মাটোলজিস্টকে দেখাতে হবে। সাধারণত চিকিৎসকরা উডস ল্যাম্পের সাহায্যে মেছতা নির্ণয় করে থাকেন। এরপর মেছতার জন্য তারা বিভিন্ন ওষুধের ক্রিম বা জেল দিয়ে থাকেন। যদিও এটি ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, তবু এটি মাঝে মধ্যে মেছতার জন্যও চিকিৎসকরা দিয়ে থাকেন। মনে রাখতে হবে, এগুলো কিন্তু ক্রিম বা জেল হিসেবে মুখে মাখতে হয়। খাওয়ার জন্য নয়।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক

চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

চেম্বার : কামাল স্কিন সেন্টার, গ্রিন রোড, ঢাকা। ০১৭১১৪৪০৫৫৮

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে