ডিস্ক প্রলেপসের চিকিৎসা

  ডা. এম. ইয়াছিন আলী

০৭ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অনেক কারণে ডিস্ক প্রলেপস হতে পারে। আমাদের মেরুদÐের সঙ্গে যে স্পাইনাল লিগামেন্ট ও মাংসপেশি থাকে সেগুলো দুর্বল হলে, অসচেতনভাবে সামনের দিকে ঝুঁকে ভারী কিছু তুলতে গেলে, আঘাত পেলে বা উঁচু স্থান থেকে পড়ে গেলে, দীর্ঘক্ষণ নিচে বসে কাজ করলে, এমনকি সামনের দিকে ঝুঁকে জুতার ফিতা বাঁধতে গেলে অথবা বেসিনে মুখ ধুতে গেলেও ডিস্ক প্রলেপস হতে পারে।

যে স্থানে হয় : সাধারণত ঘাড়ে ও কোমরে বেশি হয়। সারভাইক্যাল স্পাইনের সি৫-৬ ও সি৬-৭ লেভেল ও লাম্বার স্পাইনে এল ৪-৫ ও এল ৫-এস১ লেভেলে বেশি হয়।

যাদের বেশি হয় : নারী-পুরুষ উভয়ে আক্রান্ত হলেও নারীরা এ রোগে বেশি ভুগে থাকেন।

লক্ষণ : ব্যথা ঘাড় থেকে হাতের দিকে ছড়ায় এবং হাতে তীব্র ব্যথা হয়। হাত ঝুলিয়ে রাখলে, বিছানায় শুয়ে থাকলে বেশি ব্যথা করে। হাত ঝিনঝিন করে বা অবশ মনে হয়। হাতের শক্তি কমে আসে। অনেক সময় হাতের মাংসপেশি শুকিয়ে আসে। কোমরব্যথার ক্ষেত্রে ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়ায়। পা ঝিনঝিন বা অবশ মনে হয়। দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা হাঁটতে চাইলে হাঁটার ক্ষমতা থাকে না। কিন্তু বিশ্রাম নিলে আবার হাঁটা যায়। পা ভারী মনে হয়। জ্বালাপোড়া অনুভ‚ত হয়। পায়ের শক্তি কমে আসে। অনেক সময় পায়ের মাংসপেশি শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির প্রস্রাব-পায়খানা কন্ট্রোল থাকে না।

চিকিৎসা : ওষুধের পাশাপাশি বিশ্রাম নিতে হবে। অবস্থা অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিলে দ্রæত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

ডা. এম. ইয়াছিন আলী

লেখক : চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল

ধানমÐি, ঢাকা। ০১৭৮৭১০৬৭০২

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে