জটামাংসীর ভেষজ গুণ

  অধ্যক্ষ ডা. এম রফিকুল ইসলাম

০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জটামাংসী এক ধরনের গিরাযুক্ত সুগন্ধি ঔষধি উদ্ভিদ। এটির শিকড় খুব চিকন, কাঠের মতো শক্ত, লম্বা এবং অসংখ্য ছোবড়ার মতো বস্তু দিয়ে আবৃত থাকে। জটামাংসী দুধরনের হয়ে থাকে। এর একটি লাল। অন্যটি কালো রঙের। সাধারণত কালো রঙের জটামাংসী তীব্র ঘ্রাণযুক্ত হলেও লাল রঙের জটামাংসী হালকা ঘ্রাণের। এটি ১২ থেকে ১৫ ইঞ্চি লম্বা কোমল লোম দিয়ে আবৃত্ত থাকে। পুরো গাছ এবং গাছের মূলের গোড়া ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদ্ভিদটির বোটানিক্যাল নাম ঘধৎফড়ংঃধপযুং লধঃধসধহংর উব; ইংরেজি নাম গঁংশৎড়ড়ঃ, ওহফরধহ াবষবৎরহ. এটির ফ্যামিলি ঠধষবৎরধহধপবধব।

উপকারিতা : শরীরের শীতলতা দূর করে এবং শক্তি বাড়ায়। পাকস্থলী, লিভার ও মস্তিষ্কের প্রতিবন্ধকতা দূর করে। লিভার করে শক্তিশালী। জন্ডিস নিরাময়েও উপকারী। জটামাংসী যৌন উত্তেজক ও মনে প্রফুল্লতা আনে। স্নায়বিক শক্তি বাড়িয়ে তোলে। বিভিন্ন কারণে যাদের যৌন শীতলতা দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে জটামাংসী বেশি কার্যকর। এটি ব্যবহারে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। দীর্ঘদিন ধরে যারা স্নায়বিক ও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য ওষুধ তৈরি ফর্মুলা দেওয়া হলোÑ জটামাংসী, নাগরমুথা, লবঙ্গ, কাবাবচিনি, গন্ধশটি, জায়ফল, যত্রিক, আম্বর-আশহাব, জুন্দেবেদেস্তর, জাফরান, ছোট বচ, ছালের মিছরি, পোস্তদানা, আখরোট, চিলগুজাসহ অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে ওষুধ তৈরি করে নিতে হবে। এটি ট্যাবলেট, সেমিসলিড (হালুয়া) ও ডাস্ট (পাউডার)Ñ যে কোনোভাবে তৈরি করে সেবন করা যাবে।

লেখক : চিকিৎসক ও গবেষক

চেম্বার : ৪০/২বি, নয়াপল্টন, ঢাকা

০১৭১২৬৭৯৮৪৯

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে