ব্রণের ক্ষতে করণীয়

  ডা. এসএম বখতিয়ার কামাল

১০ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রণ কেন হয়, এর কারণ এখনো অজানা। তবে লোমকূপ, তৈল গ্রন্থিমুখে ত্রুটি, বয়োসন্ধিকালে এন্ডোজন নামক হরমোনের আধিক্য, পি একনি নামক এক ধরনের জীবাণুর আক্রমণ ব্রণের কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়। বংশগত প্রভাব, অত্যধিক মানসিক চাপে শরীরের ভেতর থেকে এন্ডোজেন নামক এক ধরনের নিঃসরণ বেড়ে গিয়ে ব্রণের সৃষ্টি করে। এ ছাড়া লোমকূপ তৈল গ্রন্থিমুখের প্রদাহের জন্য ব্রণ হয়ে থাকে। ৯০ শতাংশ টিনএজার এ রোগে কমবেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং ২০ বছর বয়সের মধ্যে ব্রণ আপনাআপনি ভালো হয়ে যায়। ব্রণের প্রাথমিক ক্ষত হচ্ছে কমেডন, যা দুধরনের। এর মধ্যে গভীর কমেডনগুলো বাইরে থেকে সাদা দেখা যায়। অগভীরে কমেডন বাইরে থেকে কালো দেখা যায়। ব্রণের গর্ত ব্রণের অভিশাপ বলা হয়, যা মুখ বা ত্বক বিশ্রী করে দেয়। কিন্তু এর রয়েছে সুচিকিৎসা। ব্রণের গর্ত ও দাগের জন্য বর্তমানে রয়েছে সর্বাধুনিক মাইক্রোনিডলিং এবং পিআরপি চিকিৎসা। এতে রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব তার হারানো লাবণ্য। এ জন্য রোগীকে চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জেনে রাখা ভালো, কোনো একটি নির্দিষ্ট ওষুধ সব রোগীর জন্য ভালো নয়। প্রত্যেকের জন্য তার স্কিন টাইপ, ব্রণের ধরন ও কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা করতে হয়। আক্রান্ত স্থানে লাগানোর জন্য ভিটামিন-এ জাতীয় ক্রিম সাধারণত সহনশীল ও ভালো।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক

চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

চেম্বার : কামাল স্কিন সেন্টার, গ্রিন রোড, ঢাকা। ০১৭১১৪৪০৫৫৮

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে