সুস্বাস্থ্যের জন্য গাওজাবান

  অধ্যক্ষ ডা. এম রফিকুল ইসলাম

১৭ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাওজাবান বর্ষজীবী উদ্ভিদ। উচ্চতা ১ থেকে ৩ ফুট। গাছ ও পাতা হালকা কাঁটায় ভরা। পাতায় থাকে খসখসে ভাব। পাতা শুকিয়ে গেলে বাদামি বর্ণ ধারণ করে এবং সাদা ফোঁটা ফোঁটা দাগ হয়। পাতা হয় ডিম্বাকৃতির; ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা। গাওজাবান গাছ, পাতা ও ফুল সবই উপকারী। এ উদ্ভিদটি আমাদের দেশে জন্মে না। ইরান ও পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। এটির ইংরেজি নাম- ঈড়’িং ঞড়হমঁব চষধহঃ, বোটানিক্যাল অহপযঁংধ ঝঃৎরমড়ংধ খধনরষষ বা ঙহড়ংসধ নৎধপঃবধঃঁস ধিষষ. এটি ইড়ৎধমরহধপবধব ফ্যামিলির উদ্ভিদ। গাওজাবান মনে প্রফুল্লতা আনে, শরীরের স্বাভাবিক উষ্ণতা বাড়ায় এবং জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করে। মস্তিষ্ক, হৃৎপি- ও যকৃৎ সবল রাখে। এটি বিকৃত পিত্ত, শ্লেষ্মা ও শরীরের অন্যান্য দূর্ষিত পদার্থ মলের সঙ্গে বের করে দেয়। এটি বক্ষ ও মস্তিষ্ক পরিষ্কারক এবং শ্বাসকষ্ট নিরাময় করে। অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে গাওজাবান সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। হৃৎপি- ও যকৃতের দুর্বলতা, শারীরিক ও স্নায়বিক দুর্বলতা নিরাময়ে গাওজাবানসহ তৈরি ওষুধ শতভাগ কার্যকরী। এ ছাড়া জ্বর, কণ্ঠনালি ও বুকব্যাথা নিরাময়ের জন্যও উপকারী। মূত্রাশয় ও মূত্রাশয়ের পাথুরি দূর করে। নিয়মিত গাওজাবানসমৃদ্ধ ওষুধ ব্যবহারে মুখম-ল উজ্জ্বল হয়। গাওজাবান ক্বাথ ব্যবহারে দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়। ওষুধ তৈরির নিয়ম হলোÑ গাওজাবান গাছ, গাওজাবান ফুল, কাশনীয, আবরেশম মুকাররাজ, বাহমান সুর্খ, বাহমান সফেত, শ্বেতচন্দন, তোকমা, তোখমে রায়হান, বাদরঞ্জ বূয়া, মধু, মিছরিসহ অন্যান্য উপাদান একসঙ্গে করে ওষুধ তৈরি করে নিতে হবে।

লেখক : চিকিৎসক ও গবেষক

চেম্বার : ৪০/২বি, নয়াপল্টন, ঢাকা

০১৭১২৬৭৯৮৪৯

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে