সবজির উপকারিতা-অপকারিতা

  ডা. আলমগীর মতি

০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:৫৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি রাখা উচিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা সবজির গুণগত মান না জেনেই ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাওয়ার জন্য খাই। অথচ কোনো কোনো সবজি স্বাস্থ্যের ওপর ভালো-খারাপ দুটিরই প্রভাব রয়েছে। যদি জানা থাকে কোন কোন সবজি কী কাজে লাগে, তা হলে ভালো হয়। যেমন করলা ও তেতো পাটশাক খাবারে রুচি বাড়ে। মেদ বাড়ার আশঙ্কা কমে। অনেক সময় নিমগাছের কচিপাতা ভেজেও খাওয়া হয়। এতে ত্বকের চুলকানি ও কৃমি রোধে উপকার পাওয়া যায়। খেতে বসে প্রথম ডিশ হিসেবে যদি তেতো খাওয়া হয়, তা হলে তা মুখে লালা ক্ষরণ করে শ্বেতসার ভাঙতে সাহায্য করে। এতে হজমের সুবিধা হয় ও লিভার ভালো থাকে। আলু ও টমেটোয় রয়েছে প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড। ফলে হাত ও পায়ের তালু জ্বালা করার উপসর্গ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আবার ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার চাটনি এক মাস খেলে উপকার পাওয়া যাবে। গাঢ় সবুজ ও হলুদ শাকসবজি রাতকানা রোগ, হাড় ও দাঁত গঠনে এবং স্নায়বিক অসুস্থতায় বেশ উপকারী। শিম, মটরশুটি, বরবটি, পালংশাক, ফুলকপি ইত্যাদি গেঁটেবাত হলে খাওযা যাবে না। ওল, বেগুন খেলেও আমবাতের প্রকোপ বাড়ে। অজীর্ণ ও ডায়রিয়ায় সবজি বর্জন করা উচিত। বিশেষ করে আঁশযুক্ত সবজি। কারণ তা হজমের ব্যাঘাত ঘটায়। বাঁধাকপি, মুলা, শিম, শাক, মটরশুটি পরিপাকে অসুবিধা হয় বলে গ্যাসট্রাইটিস বেড়ে যায়। আলসারের রোগীর কাঁচা সবজি, পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ডাঁটা, কাঁচামরিচ, কাঁচা শসা, বরবটি বাদ দিলে ভালো হয়।

লেখক : বিশিষ্ট হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক। ০১৯১১৩৮৬৬১৭, ০১৬৭০৬৬৬৫৯৫

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে