শতমূলী উদ্ভিদের ঔষধিগুণ

  অধ্যক্ষ ডা. এম রফিকুল ইসলাম

১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শতমূলী লতানো উদ্ভিদ। সাধারণত অন্য গাছ বা খুঁটিতে ভর করে আঁকাবাঁকা হয়ে বেড়ে ওঠে। পাতা হয় চিকন। বাড়ির আঙিনা বা বাগানের শোভাবর্ধনের জন্য অনেকে শখ করে রোপণ করে থাকেন। গাছটির শিকড়গুলো গুচ্ছবদ্ধ। অনেকগুলো মূলের জন্য এটির নাম শতমূলী। ইংরেজি নামÑ অংঢ়ধৎধমঁং, ঈড়সসড়হ ঢ়ধষুঢ়ড়ফু. বৈজ্ঞানিক নামÑ অংঢ়ধৎধমঁং ৎবপবসড়ঁং রিষষফ. এর ফ্যামিলি খরষরধপবধব. শতমূলীর লতার ছোট ছোট লম্বা সরু কাঁটা হয়। ফুল সুগন্ধযুক্ত। ফল গোলাকার সুগন্ধযুক্ত মটরের মতো সবুজ। পাকলে লাল হয়। পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র এ উদ্ভিদটি জন্মে। শতমূলীর বিভিন্ন অংশ দিয়ে নানা ধরনের ওষুধ তৈরি হয়। প্রায় দুই হাজার বছর আগে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে প্রথম এটি উৎপাদিত হয়। শতমূলী উচ্চমানের ফলিক অ্যাসিড ও পটাশিয়ামের উৎস। এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি-৬। একশ ৪০ গ্রাম শতমূলীতে রয়েছে ৬০ শতাংশ ফলিক অ্যাসিড। শতমূলী কাঁচা ও রান্না করে খাওয়া যায়। এটি পুষ্টিকারক ও বলকারক এবং মাতৃদুগ্ধ পুষ্টিকারী। এটির তাজা শিকড়ের রস গনোরিয়া রোগের ক্ষেত্রে উপকারী। শতমূলী যৌন শক্তিবর্ধক, বীর্য সৃষ্টিকারী ও বীর্য স্তম্ভক হিসেবে কার্যকর। এর উপাদান যৌবন সুরক্ষায় কার্যকর। এটি দিয়ে তৈরি ওষুধ একেবারেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। ওষুধ তৈরির নিয়ম হলোÑ শতমূলী, আরবি গাম, খোরমা, শুকনো পানিফল, ফুন্দকের শাঁস, পেস্তা বাদাম, মনজে পুন্বাদানা, করণফুল, জৌযবুওয়া, বিসবাসাসহ অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে ওষুধ তৈরি করতে হয়।

লেখক : চিকিৎসক ও গবেষক

চেম্বার : ৪০/২বি, নয়াপল্টন, ঢাকা

০১৭১২৬৭৯৮৪৯

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে