বিদ্রোহী নজরুল ও বঙ্গবন্ধু

  মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

৩১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্ন পথিমধ্যে পথ হারিয়েছিল। তার স্মৃতি বিলুপ্তির পাঁচ বছর পর বিভাজিত হয় বাংলা। সাম্প্রদায়িকতার গহ্বরে বিলীন হয় বাঙালির জাতিসত্তা। অতঃপর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বিনির্মিত হয় নজরুলের স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশ। ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও কূপম-ূতাকে সমাধিস্থ করে দেশটি এখন জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে গৌরবের বহুমাত্রিক অনুষঙ্গ নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। এ জন্য জাতির পিতাকে জেল, জুলুম, হুলিয়া মাথায় নিয়ে পেরোতে হয়েছে ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ বন্ধুর পথ। তার এই লড়াই সংগ্রামের ধারাক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছেন কাজী নজরুল ইসলাম। জাতির পিতা নিজেও অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত হয়েছিলেন নজরুলের নানারৈখিক সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে। কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি ছিল তার অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। যে কারণে স্বাধীনতার পরপরই তিনি কবিকে কলকাতা থেকে ঢাকায় এনে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়ে জাতীয় কবির মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিলেন।

মুখ্যত জাতীয় জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎÑ কবি নজরুল শুধু একজন কবি বা সংগীতজ্ঞই ছিলেন না। জাতীয় মুক্তির প্রশ্নে রাজনৈতিকভাবে ছিলেন বরাবরই সোচ্চার। এ জন্য তাকেও জেল-জুলুমসহ নানামুখী নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছিল। এ কথা বলা অত্যুক্তি নয় যে, তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি ব্রিটিশ অধীনতা থেকে ভারতকে মুক্ত করার জন্য স্বরাজের পরিবর্তে পরিপূর্ণ স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে ‘ধূমকেতু’তে লিখেছিলেনÑ

সর্বপ্রথম, ‘ধূমকেতু’ ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা চায়। স্বরাজ টরাজ বুঝি না, কেননা, ও-কথাটার মানে এক এক মহারথী এক এক রকম করে থাকেন। ভারতবর্ষের এক পরমাণু অংশও বিদেশির অধীন থাকবে না। (নজরুলের প্রবন্ধ সমগ্র। সম্পাদনা : মুহম্মদ নীরুল হুদা-রশিদুন্ নবী। ঢাকা। নজরুল ইনস্টিটিউট। ২০১৬ সপ্তম মুদ্রণ। পৃষ্ঠা : ১১১)।

এ অভীষ্ট অর্জনের জন্য তিনি বাঙালিদের জাগ্রতকরণের তাগিদ অনুভব করেছিলেন। সে নিরিখেই ৭৬ বছর আগে এ জাতির স্বাধীন সত্তা বিনির্মাণার্থে দেশ থেকে বিদেশি শাসক ও ভারতীয় শোষকদের বিতাড়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘নবযুগ’-এ ৩ বৈশাখ, ১৩৪৯ বঙ্গাব্দে ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধে লিখেছিলেনÑ

বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবেÑ ‘বাঙালির বাংলা’Ñ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। সেদিন একা বাঙালিই ভারতকে স্বাধীন করতে পারবে। বাঙালিকে, বাঙালির ছেলেমেয়েকে ছেলেবেলা থেকে শুধু এই এক মন্ত্র শেখাও :

‘এই পবিত্র বাংলাদেশ/বাঙালিরÑ আমাদের।/দিয়া ‘প্রহারেণ ধনঞ্জয়’/তাড়াব আমরা, করি না ভয়/যত পরদেশী দস্যু ডাকাত/‘রামা’দের ‘গামা’দের।’

বাংলা বাঙালির হোক! বাংলার জয় হোক! বাঙালির জয় হোক। (নজরুলের প্রবন্ধ সমগ্র। পৃষ্ঠা : ২৩০)।

মুখ্যত নজরুল ছিলেন আমাদের জাতীয় জাগরণের কবি। ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর, কলকাতার এলবার্ট হলে জাতির পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনায় কবিকে জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত করা হয়। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সে সভায় প্রদত্ত বক্তব্যে সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেনÑ

নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় এটা সত্য কথা। তার অন্তরটা যে বিদ্রোহী, তা স্পষ্ট বুঝা যায়। আমরা যখন যুদ্ধক্ষেত্রে যাব, তখন সেখানে নজরুলের যুদ্ধের গান গাওয়া হবে! আমরা যখন কারাগারে যাব, তখনো তার গান গাইব। (রফিকুল ইসলাম। নজরুল-জীবনী। ঢাকা। নজরুল ইনস্টিটিউট। ২০১৫। পৃষ্ঠা : ৪০০-৪০১)।

সুভাষ চন্দ্রের সে অভিপ্রায় পরবর্তী সময়ে বাঙালি জাতির লড়াই সংগ্রামে প্রবলভাবে পরিচর্চিত হয়েছিল। আমরা কারাগারে গেয়েছি ‘এই শিকল পরা ছল মোদেরই শিকল পরা ছল’, রাজপথে গেয়েছি ‘দুর্গমগিরি কান্তার মরু’, প্রতিবাদ সমাবেশে গেয়েছি ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ ও ‘বিদ্রোহী’সহ অসংখ্য গান-কবিতা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে তার গান-কবিতা পুরো জাতিকে যুগিয়েছে অনাবিল প্রেরণা ও উদ্দীপনা। তার ‘জয়বাংলা’ সেøাগানটি হয়ে উঠেছিল বাঙালি জাতির প্রাণের সেøাগান। কবির এ ধরনের অনবদ্য অবদান বাঙালিরা কখনো বিস্মৃত হয়নি। বঙ্গবন্ধুও কবিকে কখনো ভোলেননি। এ কারণে শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জাতির পিতা তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সম্মতি আদায় করে কবিকে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে সম্মানের সঙ্গে বসবাসের ব্যবস্থা করেছিলেন। সম্মাননা জানাতে কবির কাছে ছুটে গিয়েছিলেনÑ

কবি নজরুল কবিভবনে এসে পৌঁছুবার খানিকক্ষণ পর বঙ্গবন্ধু বিশাল এক ফুলের ডালি নিয়ে কবিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাবার জন্য সেখানে এসে উপস্থিত হন। জনৈক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন যে, কবি ও বঙ্গবন্ধু নাকি অনেকক্ষণ পরস্পরের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিক্রিয়া বোঝা যায়। শতাব্দীর এক শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক ‘রাজনীতির কবি’ শেখ মুজিবুর রহমান, দু’চোখ মেলে দেখছেন বিশে^র অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রোহী কবিকে। (বিদ্রোহী কবি ও বঙ্গবন্ধু। পৃষ্ঠা : ৩৩)।

পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশে কবির জন্মদিন পালন উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার প্রদত্ত বাণীতে কবি নজরুলকে ‘বাঙালির স্বাধীন সত্তার ঐতিহাসিক রূপকার’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছিলেনÑ

নজরুল বাংলার বিদ্রোহী আত্মা ও বাঙালির স্বাধীন ঐতিহাসিক সত্তার রূপকার। বাঙলার শেষ রাতের ঘনান্ধকারে নিশীথ নিশ্চিন্ত নিদ্রায় বিপ্লবের রক্তলীলার মধ্যে বাংলার তরুণরা শুনেছে রুদ্র বিধাতার অট্টহাসি কালভৈরবের ভয়াল গর্জনÑ নজরুলের জীবনে, কাব্যে, সংগীতে, নজরুলের কণ্ঠে। (বিদ্রোহী কবি ও বঙ্গবন্ধু। পৃষ্ঠা : ২৭)।

কবি নজরুলের প্রতি জাতির জনকের প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন ঘটনায় ও বক্তৃতায়। কবির সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল ১৯৪১ সালের ১২ আগস্টে, এ সময় হুমায়ুন কবীরের নিমন্ত্রণে জেলা মুসলিম ছাত্র সম্মেলনের অধিবেশনে প্রধান অতিথিরূপে যোগদানের জন্য কবি ফরিদপুরে এসেছিলেন। পুলিশি নিষেধাজ্ঞার কারণে সম্মেলনটি স্থগিত হলেও ঘরোয়া পরিবেশে কবি পরিবেশন করেছিলেন তার কালজয়ী গান-কবিতা। বঙ্গবন্ধু সে সম্মেলনের সক্রিয় আয়োজক হিসেবে কবির সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। পরবর্তী পর্যায়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, কবির অসুস্থতা, সাম্প্রদায়িক হানাহানি ও দেশভাগের কালপর্বের পর কবি কলকাতায় থেকে গেলেও জাতির পিতার হৃদয় থেকে কবি কখনো বিস্মৃত হননি। ১৯৫০ সালে ঢাকায় সাংগঠনিক পর্যায়ে নজরুল জয়ন্তীর আয়োজন করা হয়। সে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু উপস্থিত থাকতে পারেননি কিন্তু তার প্রেরিত প্রবন্ধটি সেখানে পাঠ করা হয়। এ ছাড়া ওই অনুষ্ঠানে কবির বিদ্রোহী, দারিদ্র্য, কুলিমজুর ও সর্বহারা কবিতা নানাজনের কণ্ঠে পঠিত হয়।

এ ছাড়া নজরুলের অনেক কবিতাই ছিল জাতির পিতার কণ্ঠস্থ। ১৯৫২ সালে হায়দরাবাদ থেকে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে সড়ক পথে করাচি ফেরার পথে অবাঙালি সতীর্থদের তিনি শুনিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের কবিতাসহ নজরুলের ‘কে বলে তোমায় ডাকাত বন্ধু’, ‘নারী’ ও ‘সাম্য’সহ আরও কয়েকটি কবিতার কিছু অংশ।

১৯৫৪ সালে মন্ত্রী হিসেবে কর্মোপলক্ষে কলকাতায় অবস্থানকালে পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশনার অফিসে কর্মরত আসাদুল হককে নিয়ে তিনি কবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ প্রসঙ্গে আসাদুল হক লিখেছেনÑ

বঙ্গবন্ধু যখন নজরুলকে দেখতে যান তখন সঙ্গে নিয়ে যান একগুচ্ছ রজনীগন্ধা ও সন্দেশের একটি প্যাকেট। কবির বাসায় যখন তিনি যান তখন কবি শুয়ে বিশ্রাম করছিলেন। আগন্তুক প্রবেশ করতে দেখে কবি উঠে বসলেন। বঙ্গবন্ধু তাকে হাত উঠিয়ে সালাম জানান এবং নজরুলের হাতে রজনীগন্ধার গুচ্ছ দেন। কবি হাত বাড়িয়ে তা গ্রহণ করেন। (বিদ্রোহী কবি ও বঙ্গবন্ধু। পৃষ্ঠা : ৫৭)।

এ ছাড়া বিভিন্ন বক্তৃতাতেও জাতির পিতা কবির কথা উদ্ধৃত করতেন। ১৬ জুলাই ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’ এর জনসভায় পাকিস্তানি শাসকচক্রের শাসন-শোষণ-জুলুমের বিরুদ্ধে কার্যকর সুশৃঙ্খল আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানোকালে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেনÑ

শরীয়তুল্লা, তিতুমীর, সুভাষ, সোহরাওয়ার্দী, নজরুলের দেশের মানুষ ‘শ্বেতের’ বদলে ‘পীতের’ শাসন চায় নাই, চাহিয়াছে স্বাধীন দেশে স্বাধীন মানুষের মর্যাদায় সুপ্রতিষ্ঠিত হইতে। (সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু। দ্বিতীয় খ-। প্রধান সঙ্কলক : মো. শাহ্ আলমগীর। ঢাকা। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট। ২০১৫। পৃষ্ঠা : ৪২২)।

পাকিস্তানিরা নজরুলের ‘বাংলাদেশ’কে বাংলা থেকে অবলুপ্ত করেছিল। এ নিয়ে জাতির পিতা জনসভায়-কেন্দ্রীয় আইন সভায় জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। অতঃপর ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুদিবসের এক আলোচনাসভায় তিনি ‘বাংলাদেশ’ নামটিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সে সভায় তিনি বলেছিলেনÑ

একসময় এ দেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে বাংলা কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে... একমাত্র বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে বাংলা কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই... আমি ঘোষণা করিতেছিÑ আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম হইবে পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘বাংলাদেশ’। (হাবিবুর রহমান, মুহাম্মদ। গঙ্গঋত্তি থেকে বাংলাদেশ। ঢাকা। বাংলা একাডেমি। ২০০৮। পৃষ্ঠা : ৮৭)।

কবির দেখভালের ব্যাপারেও জাতির পিতা সব সময় সচেতন ও আন্তরিক ছিলেন। এ প্রসঙ্গে কবির পুত্রবধূ উমা কাজী বলেছেনÑ

বঙ্গবন্ধু নিজে বাসায় আসতেন, কবির পাশে গিয়ে নীরবে কিছু সময় কাটাতেন। সারা বাড়ি ঘুরে ঘুরে দেখতেন কোনো জায়গায় কোনো অপরিষ্কার কিছু আছে কি না, বলতেন কবির দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখার জন্য এবং যতœ করার জন্য। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু খোঁজ নিতেন কবির খাবারের বিষয়। তিনি বিশেষভাবে কবির যতেœ কোনো অবহেলা যাতে না হয় তার জন্য আমাদের সকলকে সতর্ক করে দিতেন। (বিদ্রোহী কবি ও বঙ্গবন্ধু। পৃষ্ঠা : ৫৭)।

শত ব্যস্ততার মাঝেও জাতির পিতা প্রায়শ কবিকে দেখতে ছুটে আসতেন। রাজনীতির কবি সাহিত্যের কবির সান্নিধ্যে অনুভব করতেন অনাবিল প্রশান্তি। পরবর্তী পর্যায়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রত্যর্পণের তাগিদ পেয়েও তিনি অনড় অবস্থানে থেকে কবিকে আর ভারতে ফেরত পাঠাননি। জাতির পিতার মতো তার সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও কবির প্রতি প্রবলভাবে শ্রদ্ধাশীল, একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণের জন্য তিনি নজরুল চেতনার প্রসার-প্রচারণায় নানামাত্রিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছেন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে