কবিতা

  অনলাইন ডেস্ক

০৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

খালেদ হোসাইন

অন্তরে ও বন্দরে আরেকটু নির্জনতা নামুক

নিস্তব্ধতা তৈরি করে নিতে হয়।

যা তড়িঘড়ি আসে, তা তড়িঘড়ি চলে যাক।

তুমি দুয়ার খুলে বলো, ‘আবার দেখা হবে।’

তুমি তো জানো, কারো সঙ্গেই

দ্বিতীয়বার দেখা হয় না।

গাছে গাছে বৃষ্টিধোয়া নতুন পাতা।

এখনো লেকের জল ঘোলা হয়ে ওঠেনি।

আরেকটু গভীরে গেলে স্পষ্ট হবে

মাছেদের চলাচল।

এই ভরদুপুরে ঝিঁঝিঁ ডেকে উঠলে

কান পেতে দিও।

কত কত অভিমান চারপাশে!

একদিন বোঁটা শুকিয়ে যাবেÑ

খসে পড়বে

বাতাস তাকে নিয়ে যাবে অন্য কোনো সীমান্তের পরপারে।

একটু স্থিত হও। স্থির হও।

চিত্তচাঞ্চল্যকে ঘুমিয়ে পড়তে দাও।

অন্তরে ও বন্দরে আরেকটু নির্জনতা নামুক।

তোমার চোখের পাতায় খুব ক্লান্তি জমে আছ।

দেখবে, সেখানে পুঞ্জীভূত হচ্ছে কুয়াশার মতো নিস্তব্ধতা।

গৌরাঙ্গ মোহান্ত

নৈঃশব্দ্যের শূন্যতা

শব্দের ভেতর দিয়ে নৈঃশব্দ্যের শূন্যতায় হাঁটি। তোমার পা-চেতনা থেকে ব"ষ্টির ছবি ঝরে পড়ে। সিঁড়ির বাতাসে দীর্ঘতর হয় নাইটকুইন। দূর থেকে ছুঁয়ে দেখি ঘাসের জাগরণ। মাঠবাড়ির ধুলো নারকেলপাতায় চুমু খেয়ে আমার বুকের ভেতর শুয়ে থাকে। আমি ধুলোর গন্ধ ছড়িয়ে রাখি মেঘে। তিস্তা কিংবা আন্দামানের জলে জেগে থাকে সুবাসের স্বীকৃতি। ফুকেট শহরে ব"ষ্টি হলে অভিনয়-শিল্পীর আঙুল গন্ধঢেউ এর পরিচালক হয়ে ওঠে। আমি হেঁটে ভ্রমণের সূত্র শিখে ফেলি; হেঁটে বাড়ির দূর-বাসনায় ফিরে আসি।

সোহরাব পাশা

ছায়াগাছ

তুমি ক্লান্তিহীন আলো ছায়া নীল ঘড়ি

সকল বলার শেষে হেসে ওঠে তোমার কথার ক্ষিপ্র নদী

কিনারা পায় না খুঁজে জল, ঢেউ তোলে ভাঙে পাড়ের ভেতর

তোমার ভূমিকা পাঠ আঁধারে জ্যোৎ¯œায় আবর্তিত

পৃথিবীর শূন্যের ভেতর সবুজ জানালা খুলে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকো

কখনো বা হেঁটে যাও পাশে, প্রিয় ছায়াসঙ্গী চোখের পাতায় রাখো চোখ

ছুঁয়ে দেখি তুমি নেই, ধু-ধু কুয়াশার ছায়াগাছ;

সব পথ বাড়ি খুঁজে আঙিনায় দেখি যুগল ছায়ায়

দাঁড়িয়ে রয়েছি একা।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে