কার হাতে যাচ্ছে এবার সাহিত্যের নোবেল

  দুলাল আল মনসুর

০৭ অক্টোবর ২০১৬, ০০:০০ | আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৬, ০০:৫৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

২০১৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হয়েছে। সাহিত্যের পাঠকরা অধীর আগ্রহে অপো করছেন কার নাম ঘোষণায় আসে শোনার জন্য। নানা দিক বিবেচনা করেই সাহিত্যের আদর্শ সৃষ্টির লেখক কবিকে পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে। তবে নোবেল কমিটি কখন কোন বিষয়টিকে প্রাধান্য দেবে তার কোনো আগাম ছক আঁকা সমম্ভব নয়। সাহিত্যিকের ভৌগলিক অবস্থান, ভাষা, লিঙ্গ, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ও বিবেচনায় রেখে অনুমান করা যায়। আগাম অনুমান মাঝে মাঝে মিলে যেতে পারে। আবার কখনো কখনো একদম অচেনা-অজানা কোনো সাহিত্যিক পুরস্কার পেয়ে যান।

অন্য পুরস্কারের বেলায় দীর্ঘ তালিকা এবং হ্রস্ব তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কিন্তু নোবেল পুরস্কারের বেলায় সে ব্যবস্থা নেই। বিচারকদের নামও প্রকাশ করা হয় না। সেজন্যই অনুমান করাটা কঠিন হয়ে থাকে।

ব্রিটিশ জুয়াড়ি প্রতিষ্ঠান ল্যাডব্রক্স গত দশ বছরে অবশ্য প্রায় পঞ্চাশ ভাগ অনুমান সত্যে পরিণত করতে পেরেছে। যারা বাজির পেছনে ভূমিকা রাখে তারা সত্যিকারের লেখকের গুণাবলি সম্পর্কে তেমন কিছু না জেনেও বাজিতে অংশ নিয়ে থাকেÑ এমনটা অহরহই হয়।

নোবেল মৌসুমে বেশ কয়েক বছর ধরে জাপানের কথাসহিত্যিক হারুকি মুরাকামির নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়ে আসছে সম্ভাবনাময় লেখক হিসেবে। যারা তাকে নিয়ে বাজি ধরেছেন তারা অবশ্য এ পর্যন্ত দেখে আসছেন, কোনো এক অজানা কারণে মুরাকামির দিকে দৃষ্টি দেয়নি নোবেল কমিটি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও তার নামটিই তালিকার সবার ওপরে রয়েছে। তার সঙ্গে আছেন সিরিয়ার কবি অ্যাডোনিস, আমেরিকার কথাসাহিত্যিক ফিলিপ রথ, কেনিয়ার কথাসাহিত্যিক নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো, আমেরকিার কথাসাহিত্যিক জয়েস ক্যারল ওটস, আলবেনিয়ার লেখক ইসমাইল কাদারে, স্প্যানিস ঔপন্যাসিক হাভিয়ার মারিয়াস, দণি কোরিয়ার কবি কো উন, আইরিশ ঔপন্যাসিক জন বানভিল, নরওয়ের নাট্যকার জন ফসে প্রমুখ।

মুরাকামি উপন্যাস, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ লিখে থাকেন। তার পাঠকপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘হেয়ার দ্য উইন্ড সিং’, ‘ডান্স ডান্স ডান্স’, ‘স্পুটনিক সুইটহার্ট’, ‘কাফকা অন দ্য শোর’, ‘আইকিউ৮৪’ ইত্যাদি। ‘বার্থডে স্টোরিজ’, ‘আফটার দ্য কোয়েক’, ‘বাইন্ড উইলো সিøপিং উওম্যান’Ñ এগুলো তার গল্পগ্রন্থ। তার লেখা জাপানি ভাষায় প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক ভাষায় অনূদিত হয়ে যায়। তার লেখা এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টিরও অধিক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। আমেরিকার কথাসাহিত্যিক রেমনন্ড কারভারের গল্পের বই ‘হোয়াট উই টক অ্যাবাউট হোয়েন উই টক অ্যাবাউট লাভ’য়ের নামানুসারে মুরাকামি তার হাঁটার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন ‘হোয়াট আই টক অ্যাবাউট হোয়েন আই টক অ্যাবাউট রানিং’। তার আরও প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ এবং ‘ওয়াক, ডোন্ট রান’। দ্য গার্ডিয়ানের মতে মুরাকামি বিশ্বের জীবিত মহান ঔপন্যাসিকদের অন্যতম। মুরাকামি সারা বিশ্বে এত বেশি জনপ্রিয় হলেও তার জন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়া এত কয়েক বছরেও সম্ভব হলো না। তার একটি কারণই হতে পারে, তিনি এত জনপ্রিয় কেন। নোবেল কমিটির হয়তো মনে হয়ে থাকতে পারে, জনপ্রিয়তা তাদের কাছে প্রধান কিংবা একমাত্র মাপকাঠি নয়। সে জন্যই হয়তো মুরাকামির ওপরে নোবেল শিকে ছেঁড়েনি এখনো।

যারা সম্ভাবনার তালিকার শীর্ষে এসেছেন তাদের অন্যতম আলী আহমদ সাইদ। সিরিয়ার এই কবির ডাকনাম অ্যাডোনিস। এ সময়ের আরব সাহিত্যের প্রধান কবিদের অন্যতম তিনি। নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময় এলে প্রতি বছরই তার নাম আলোচনায় আসে। ল্যাডব্রক্সের বাজির তালিকাতেও তার অবস্থান অনেক বছর ধরেই ওপরের দিকে রয়েছে। অ্যাডোনিসের পুরস্কার পাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কারণও একাধিক। তিনি আরব বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি। তার কবিতার মধ্যে রাজনীতির যথেষ্ট সুস্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়। বাশার আল আসাদের প্রতি তার সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নোবেল কমিটির অনুকম্পা পাবে কিনা বলা মুশকিল। কেননা খোদ রাজনীতির ছায়াটাই তার বিপে যেতে পারে। এ রকম সংকটময় ভৌগলিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক আবহের কারণে তাকে এড়িয়েও যেতে পারে নোবেল কমিটি।

যারা বাজি ধরেছেন তারা এবারের নোবেল পুরস্কারের সম্ভাবনাময় লেখক হিসেবে যা-ই মনে করুন না কেন, পাঠকদের কাছে তো কোনো দিক থেকেই ফিলিপ রথের নাম দূরের মনে হতে পারে না। আমেরিকার কথাসাহিত্যিক রথ তার লেখায় এমন এক জগৎ তৈরি করেন যেখানে বাস্তবতা আর কল্পনার রেখা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায়। রচনার মধ্যে আত্মজীবনীমূলক উপাদানের মিশ্রণ ঘটানোর অনেক উদাহরণ পাওয়া যায় তার লেখায়। দর্শনের মিশেলে তিনি ইহুদি ও আমেরিকার সত্তার সহউপস্থাপন ঘটান। জীবনের অনেক গূঢ় বাস্তবতাকে তিনি অবলীলায় সামনে নিয়ে আসেন। আগেও অনেকবার তার নামটি সামনের দিকেই থেকেছে। এবারও আছে। নোবেল কমিটির প্রতি ফিলিপ রথের দৃষ্টিভঙ্গি খুব একটা আশাবাদী কিংবা ভরসার মনে হয়নি। সে কথা কমিটির সদস্যদের মনে রথবিরোধী ভাব তৈরি করেও থাকতে পারে। তবু শেষ পর্যন্ত আশা করা যেতে পারে, তিনি পুরস্কার পাবেন।

নগুগি ওয়া থিয়েঙ্গোকে নিয়ে বিগত অনেক বছর ধরেই পাঠকরা আশার আলো দেখেছেন। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির বিবেচনায়। আফ্রিকার কথাসাহিত্যের প্রথম দিকপাল চিনুয়া আচেবে অনেকদিন পাঠকমনে আলো জ্বালিয়ে রেখে শেষমেশ নোবেল পুরস্কার না পেয়েই মৃত্যুবরণ করেছেন। কেনিয়ার নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো বয়সে আচেবের চেয়ে প্রায় এক দশকের ছোট। পাঠকরা স্বাভাবিকভাবেই আশা করতে পারেন তাকে নিয়ে। ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সম্পাদক ও শিাবিদ নগুগি আফ্রিকার সাহিত্যের আন্তর্জাতিক লেখকদের মধ্যে যারা অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন তাদের সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের, বিশেষ করে উত্তর ঔপনিবেশিক যুগের লেখকদের সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন। তার লেখায় প্রাধান্য পেয়েছে আফ্রিকার ঔপনিবেশিক অবস্থা থেকে উত্তর ঔপনিবেশিক অবস্থায় স্থানান্তর কালের টানাপড়েন এবং আধুনিক মানুষের জীবন জটিলতার চিত্র। ‘আ গ্রেইন অব হুইট’, ‘দিস টাইম টুমরো’, ‘পেটালস অব ব্লাড’, ‘দ্য ট্রায়াল অব দেবান কিমাথি’, ‘ডিকলোনাইজিং দ্য মাইন্ড’, ‘মাদার সিং ফর মি’, ‘মুভিং দ্য সেন্টার’ ইত্যাদি তার গ্রন্থগুলোর অন্যতম। ১৯৮৬ সালে নাইজেরিয়ার নাট্যকার ঔপন্যাসিক ওলে সোয়েঙ্কা সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তার পর আর কোনো কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান এ পুরস্কার পাননি। শুধু ২০০৩ সালে জেএম কোয়েটজি পেয়েছিলেন। সুতরাং নগুগি এবার নোবেল পুরস্কার পেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমাদের দেশে তার অনেক পাঠক আছেন।

আমেরিকার আরেক কথাসাহিত্যিক জয়েস ক্যারল ওটস এবারের বিভিন্ন তরফে প্রিয়তর অবস্থানে আছেন। বহুলপ্রজ হলেও ওটসের লেখার মধ্যে প্রাণের উপস্থিতি বেশ জোরালো। আমেরিকার সমসাময়িক ভুবনের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা তার লেখার প্রধান বিষয়। তার নিজের ভাষাও বিষয়বস্তুর সঙ্গে দারুণভাবে মানানসই। ‘উই অয়ার দ্য মূলভানিস’, ‘ব্ল্যাক ওয়াটার’, ‘দ্য ম্যান উইদাউট আ শ্যাডৌ’, ‘ব্লন্ড’, ‘জম্বি’ ইত্যাদি তার কথাসাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। টনি মরিসন ১৯৯৩ সালে পেয়েছেন এ পুরস্কার। তার পর দুযুগেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। এবার ওটস কিংবা আর কোনো আমেরিকান নোবেল পুরস্কার পেতেই পারেন। অবশ্য ভৌগলিক বিচারে এবং লিঙ্গ বিচারে প্রতিবেশী দেশ কানাডার নারী লেখক এলিস মুনরো দুবছর আগে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলে আমেরিকার নারী লেখক জয়েস ক্যারল ওটসের সম্ভাবনা একটু কমেও যেতে পারে। তা ছাড়া গত বছর ২০১৫-তে আরেক নারী লেখক সুয়েতলানা অ্যালেক্সিয়েভস তো পেলেনই। অন্যদিকে আমেরিকার কথা কিংবা শুধু ইংরেজির কথা উঠলে ডন ডেলিলোর নাম আসতেই পারে। সমসাময়িক মানুষের জটিল জীবনের বয়ান খুব নিচু স্বরে তুলে ধরেন তিনি। আবেগের আহামরি ঢেউ নেই এ লেখকের লেখায়। বাজিওয়ালাদের কাছে অবশ্য এবার তার নাম একটু পিছিয়ে গেছে। যদি এবার তিনি পেয়েই যান এ পুরস্কার তাতে বোদ্ধা নোবেল কমিটির মানদ- টলবে না বলা যায়।

অনেক দিক বিবেচনা করে বলা যায়, বিচার কিংবা বাজি যেটাই সত্য হোক তাতে আলবেনিয়ার বর্ষীয়ান লেখক, কবি কথাসাহিত্যিক ইসমাইল কাদারে এবার নোবেল পুরস্কার পাবেন। ১৯৬০-এর দশক থেকেই তিনি আলবেনিয়ার প্রভাবশালী এবং নেতৃস্থানীয় লেখক। ১৯৬৩ সালে তার প্রথম উপন্যাস ‘দ্য জেনারেল অব দ্য ডেড আর্মি’ প্রকাশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত কাদারে কবি হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তার এ উপন্যাসটিই তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে। এ ছাড়া কয়েক দশকজুড়ে নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মৌসুম আসতে না আসতে তার নামটি পাঠকদের মুখে উচ্চারিত হয়ে আসছে।

ভাষার দিক বিবেচনা করলে বিচারে বলা যায়, গত দুবছর ইংরেজি ভাষার লেখকদের দেওয়া হয়নি এ পুরস্কার। সে দিক থেকে বিচার করলে এবার হয়তো সরাসরি ইংরেজিতে লেখেন এমন কোনো সাহিত্যিককেই দেওয়া হবে নোবেল পুরস্কার। এ সম্ভাবনার কথা আরও জোর দিয়ে বলা যায় গত শতকের ১৯৯১, ১৯৯২, এবং ১৯৯৩ সালের পুরস্কারপ্রাপ্ত নাদিন গর্ডিমার, ডেরেক ওয়ালকট এবং টনি মরিসনের কথা উল্লেখ করে। তারা তো সরাসরি ইংরেজিতেই লিখেছেন। তারপরও পর পর কয়েক বছর তারাই এ পুরস্কার পেয়েছেন।

এবারের নোবেল পুরস্কার পেয়ে যেতে পারেন স্প্যানিস ঔপন্যাসিক হাভিয়ার মারিয়াস, আন্তনিও মলিনা, কিংবা ইদানীং কোনো জরিপে নেই কিন্তু আন্তর্জাতিক পাঠকের বেশ প্রিয় কথাসাহিত্যিক ইসাবেল আইয়েন্দে।

অনেকটা মুরাকামির মতোই ফ্রান্স-প্রবাসী চেক কথাসাহিত্যিক মিলান কুন্ডেরা মনে হয় জনপ্রিয়তার মাপকাঠি পার হয়ে বেশি ওপরে চলে গেছেন। তবু কোনো এক অজানা কারণে প্রিয় লেখকের নামটি এবার কম উচ্চারণরিত হচ্ছে তার পাঠকদের মুখে। বাজিকরদের কাছেও তিনি পিছিয়ে গেছেন। গত কয়েক দশকে তার নাম বেশ জোরেশোরেই উচ্চারিত হয়েছে। অতি সম্প্রতি, দুতিন বছর আগে থেকে, তার নাম আড়ালে চলে যাচ্ছে নোবেল সম্ভাবনার মৌসুমে। আমাদের দেশের অনেক পাঠক খুশি হবেন সত্যিই যদি তিনি এই বয়সে এসে নোবেল পুরস্কার পেয়ে যান।

চিনা লেখক মো ইয়ান এ পুরস্কার পেয়েছেন ২০১২ সালে । তা-ই বলে দণি কোরিয়ার বর্ষীয়ান কবি কো উনের সম্ভাবনা একেবারে কমে গেছে তা নয়। বরং কথা সাহিত্যের নোবেল পুরস্কারের বিশাল কাতারের মাঝে কবিতার রং লাগতে পারে কো উনকে নিয়ে। সুতরাং এশিয়াবাসী সঙ্গত কারণেই আশা করতে পারে, কো উন এবারের নোবেল পুরস্কার পাবেন।

বয়স কম হলেও এবার। নাইজেরিয়ার চিমামন্দা নগোজি আদিচির নাম কিন্তু উচ্চারিত হয়েছে কারো কারো মুখে। তার বয়স কম হলেও এ বয়সে তার লেখার ওজন কোনো দিক থেকেই কম নয়। আচেবের যোগ্য উত্তরসূরি তিনি। আগজের অপ্রাপ্তি হয়তো তার মাধ্যমেই পূরণ হতে পারে। রুডইয়ার্ড কিপলিং তো অল্প বয়সেই এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।

হাঙ্গেরির ঔপন্যাসিক, নাট্যকার পিটার নাদাস, মিশরের নারী লেখক নাওয়াল আল সাদাউই, সোমালিয়ার ঔপন্যাসিক নুরুদ্দিন ফারাহ, আর্জেন্টিনার কথাসাহিত্যিক সিজার আয়রা, ব্রিটিশ লেখিকা এএস বায়াট, চিনের কবি বেই দাও, স্পেনের ঔপন্যাসিক হুয়ান মারসে, ইরানের কথাসাহিত্যিক মোহাম্মদ দৌলতাবাদী, রুশ কথাসাহিত্যিক মিখাইল শিসকিন, বেলজিয়ামের কবি লিওনার্দ নোলেনস প্রমুখের যে কারো নাম উচ্চারিত হতেই পারে নোবেল পুরস্কারের প্রাপক হিসেবে।

এদিক থেকে যদি আমাদের অনুমান সত্যে পরিণত হতেও পারে। তখন বোঝা যাবে নোবেল কমিটির সঙ্গে পাঠকদের সংযোগ ঘটেছে। নইলে সান্ত¡¡না হবে, এই যে যিনি পেলেন তিনিও কম মেধাবী নন। তবে আলোর সামনে এই প্রথম এলেন। তার মেধাবী লেখনীর পরিচয় আমরা ঠিক পাবই।

 

 

"

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে