দশ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে আড়াইগুণ

  ইশরাতুল জাহান

১০ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ায় বেড়েছে কর্মসংস্থান। এর সঙ্গে বেড়েছে অর্থনৈতিক কর্মকা-, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির পরিমাণের ওপর। আগামী অর্থবছরে এর আকার ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৫ লাখ কোটি টাকা। জিডিপির পরিমাণ বাড়ায় বাংলাদেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে। আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় গড়ে বেড়ে দাঁড়াবে ১ হাজার ৯৫৬ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। একই সঙ্গে বাড়বে জাতীয় আয়ের পরিমাণ। সরকার আশা করছে, আগামী অর্থবছরে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণও বাড়বে। প্রতিবছর দেশে গড়ে ১.৫ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বাড়ছে। এর চেয়ে বেশি হারে বাড়ছে দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ। ফলে সার্বিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ।

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয় হবে ১ হাজার ৭৫২ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৭২ টাকা। এর আগের বছর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬১০ ডলার।

এর আগে ২০০৯ সালে এই সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৫৯ ডলার। গেল দশ বছরে মানুষের মাথাপিছু আয় আড়াইগুণেরও বেশি বেড়েছে। আর স্বাধীনতার ৪৮ বছরে এই আয় বেড়েছে ১৬ গুণেরও বেশি।

২০১০ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ৭৮০ ডলার। ২০১১ সাল থেকে মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়তে থাকে। ওই সময় মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৮৭০ ডলারে। ২০১২ সালে এ আয় বেড়ে ৯৫০ ডলারে উন্নীত হয়। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো হাজারের ঘর অতিক্রম করে। ওই বছওে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০ ডলারে। ২০১৪ সালে মাথাপিছু আয় হয় ১ হাজার ৮০ ডলার। ২০১৫ সালে তা আরও বেড়ে  দাঁড়ায় ১ হাজার ১৯০ ডলারে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৬৫ ডলারে।

২০০৬ সাল থেকে মাথাপিছু আয় বাড়তে থাকে। ওই বছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে হয় ৫৬০ ডলার। ২০০৭ সালে ৫৯০ ডলার। ২০০৮ সালে ৬৫০ ডলার মাথাপিছু আয় হয়। তবে এই সরকারের আমলে মাথপিছু আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়।  

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ১২৯ ডলার।  

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে