ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা

  মোস্তফা তাহান

১০ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে চাঙ্গা করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে এসব শিল্পের আয়ের ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এসব শিল্পে উৎপাদিত পণ্যকে ভ্যাটের আওতামুক্তও রাখা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পুঁজির জোগান বাড়াতে এবারের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে তিনটি তহবিলে ৭৯৫ কোটি টাকা। এসব তহবিলের অর্থ গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও মাজারি শিল্পের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া এসব শিল্পের পণ্য বাজারজাত করার সরকারিভাবে সহায়তা আরও বাড়ানো হবে। বর্তমানে নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিসিক, পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, এসএমই ফাউন্ডেশন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের নানাভাবে সহায়তা করে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, মোট জাতীয় আয়ের মধ্যে শিল্প খাতের অবদান ৩০ শতাংশ। এটা ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। এই লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতের অবদান বাড়াতে বাজেটে জোর দেওয়া হয়েছে। কেননা এসব শিল্পের মাধ্যমে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় টাকার প্রবাহ বাড়ে।

‘বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, অপরিণত মূলধন বাজার সব মিলিয়ে আমাদের জন্য শ্রমঘন-স্বল্পপুঁজিনির্ভর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসার অধিক উপযোগী হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দারিদ্র্য বিমোচন ও অসমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, শিল্প খাতের বিকাশে আমরা আমাদের নিজস্ব বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখব। জিডিপি ও কর্মসংস্থানে শিল্প খাতের অবদান শক্তিশালী হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই হয় এবং ঝুঁকির আশঙ্কা কম থাকে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে