• অারও

প্রযুক্তিকে শাসন করবে অগমেন্টেড রিয়েলিটি

  আজহারুল ইসলাম অভি

২০ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রযুক্তি আজ হাতের মুঠোয়, এখন অবাস্তব কাল্পনিক কিছু দেখলেও সেটাকে বেখাপ্পা কিছু মনে হয় না। কেউ যদি চায় কোনো ভার্চুয়াল পরিবেশে বসে বহুদূরের বন্ধুর সঙ্গে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে পারেন। এমনকি তাকে সেখান থেকে নিজের বসার রুমে নিয়ে আসাটাও অস্বাভাবিক মনে করছেন না বিজ্ঞানীরা। বলা হচ্ছে, আগামী দিনের প্রযুক্তির সম্ভাবনার মূলক্ষেত্র হবে এই অগমেন্টেড রিয়েলিটি। এ নিয়ে আরও বিস্তারিত জানাচ্ছেনÑ

আজহারুল ইসলাম অভি

অগমেন্টেড রিয়েলিটি কী : অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে আপনি আপনার পরিস্থিতিতে ঠিকই থাকবেন কিন্তু আপনার চারপাশের জগতে ভার্চুয়ালি কোনো বস্তু যোগ করা হবে। এটি ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে সম্ভব এবং ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে বর্তমানে অগমেন্টেড রিয়েলিটি অনেক বাস্তবসম্মত হয়েছে। এখন ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তির অগমেন্টেড এলিমেন্টগুলো চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে বেশ মিলিয়ে নিতে পারে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি আবহ তৈরি করা সম্ভব যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেও অনুভব করতে পারবেন আপনি আছেন বিশ্বের অন্য কোনো দেশে কিংবা প্রান্তে।

মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতির বাস্তব রূপান্তর : অগমেন্টেড রিয়েলিটি বা এআর মূলত বাস্তবে ঘটানো কোনো বস্তু নয়, বরং একটি অবাস্তব কোনো কিছুর সঙ্গে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে একই ঘটনা বানানোর সহজ একটি উপায়। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এই প্রযুক্তি শুধু কল্পবিজ্ঞানকেই বাস্তবায়িত করে না, অদৃশ্য জগৎকেও দেখতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, কেউ চেয়ারে বসে চোখে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে লাগিয়ে একটা সিমুলেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে একেবারেই ভিন্ন কিছু যেমন আয়রনম্যান বা সুপারম্যান মুভির মতোই একটা ত্রিমাত্রিক পরিবেশের স্বাদ পেতে পারেন এবং যেটা আপনার কাছে হয়তো সত্যি বলেও মনে হবে। পোকেমন গোও একটি অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তি সমর্থিত গেম।

অগমেন্টেড রিয়েলিটি যেভাবে কাজ করে : এই প্রযুক্তি মূলত কাজ করে ডিভাইসের ক্যামেরার মাধ্যমে। বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম এসব ডিভাইস। তার পর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্টগুলো যুক্ত করা হয়।

তাক লাগানো অগমেন্টেড রিয়েলিটি ডিভাইস : এ পর্যন্ত সবচেয়ে তাক লাগানো অগমেন্টেড রিয়েলিটি সংবলিত ডিভাইসটি হচ্ছে মাইক্রোসফট হলোলেন্স। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এটি তৈরি করেছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। এই যন্ত্রটিতে রয়েছে একটি ‘হেড গিয়ার’ যা অনেকটা একটি আধুনিক সানগ্লাসের মতোই। এই গ্লাসের সহায়তায় ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ঢুঁ মেরে আসতে পারেন গেমস বা সিনেমার দুনিয়ায় অথবা ঘুরে আসতে পারেন দূরের কোনো দেশ থেকে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে