চীনে সৌরবিদ্যুৎ সভ্যতা

  প্রযুক্তি সময় ডেস্ক

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে সৌরবিদ্যুৎ উৎপন্নের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীন। ১৩০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশটি। এ পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের (৬০ গিগাওয়াট) দ্বিগুণেরও বেশি এবং জাপানের প্রায় তিনগুণ (৪৬ গিগাওয়াট)। বলা হচ্ছে, চীনের সব সোলার ফার্ম একসঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে যুক্তরাজ্যের মোট বিদ্যুৎ চাহিদা মিটিয়েও বাড়তি থেকে যাবে। শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই হচ্ছে সত্যি। সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে সেখানে নির্মিত হচ্ছে বিশাল বিশাল সোলার ফার্ম। বিশাল বিশাল এলাকাজুড়ে এসব সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত হচ্ছে বিদ্যুৎ। চীনের সোলার ফার্মগুলো আকাশ থেকে দেখতে অনেকটা পা-ার মতো মনে হয়। আকাশ থেকে পা-ার মতো দেখতে এই সোলার ফার্ম বানিয়েছে চীনের ‘পা-া গ্রিন এনার্জি।’ চীনের ডেটং কাউন্টির কয়েক হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের জানালা দিয়ে নিচে তাকালেই চোখে পড়ে এই অভাবনীয় দৃশ্য। ওপরে তাকিয়ে আছে অতিকায় পা-ারা। বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। চীনের লক্ষ্যÑ এই চাহিদা সব সময় ঊর্ধ্বমুখী রাখা। তা ছাড়া প্রাকৃতিক দিক থেকেও এই প্রযুক্তি ক্ষতিকারক নয়। বাণিজ্যিক দিকের পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতার দায় থেকে নিজেদের মুক্ত করতেই সৌরবিদ্যুতে ঝুঁকছে চীন। শুধু চীনই নয়, চীনের মতো সোলার ফার্ম নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে অনেক দেশ। যুক্তরাষ্ট্রেও কাজ চলছে। বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সোলার ফার্ম নির্মাণ করছে মিসর। ৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি ফার্মের কাজে হাত দিয়েছে তারা। এর উৎপাদন ক্ষমতা হবে প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট। এই নির্মাণকাজেও যুক্ত রয়েছে চীন। ভারতেও কয়েকটি বিশাল ফার্ম নির্মাণাধীন। একটি সোলার প্যানেল ৩০ বছরের মতো টেকে। ত্রিশ বছর পর এটিকে আর কাজে লাগানো যায় না। ফলে এর পর এটিকে ভেঙে ফেলতে হয়। এর মধ্যে আছে ক্ষতিকারক সালফিউরিক অ্যাসিড। অ্যাসিডের কারণে সহজে এর রিসাইকেলও করা যায় না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে