সহায়ক সরকার নিয়ে কিছু বলেননি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ অক্টোবর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বিএনপির সাক্ষাতের বিষয়ে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সহায়ক সরকারের বিষয়টি উত্থাপন করেছে কিন্তু সুষমা স্বরাজ তো কিছু বলেননি। গতকাল ধানমন্থিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকম-লীর এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনুরোধ, প্লিজ নির্বাচন বয়কট করবেন না। জাতীয় ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা চাই সব দল নির্বাচনে আসুক। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এটি জনগণের প্রত্যাশা, আমাদেরও প্রত্যাশা।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সাক্ষাতের সময় বিএনপি নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের বিষয়ে কথা বলেছিল। কিন্তু সুষমা স্বরাজের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তিনি সহায়ক সরকার বিষয়ে কিছু বলেননি। সারা বিশ্বে নির্বাচনকালীন সরকার সহায়ক সরকারের ভূমিকা পালন করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করে।

এর আগে বৈঠকে আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর সদস্যের মধ্যে মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি আশাবাদীÑ দলটির মহাসচিবের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সুষমা স্বরাজ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, আগামী নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণে যেন হয়। তাতেই মির্জা ফখরুল আশাবাদী হয়েছেন। আমরাও সবার অংশগ্রহণে নিবার্চন চাই। শেখ হাসিনা বরারবরই এ কথাটাই বলে আসছেন।

‘আওয়ামী লীগ ২৫ সিট পাবে’ মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা কি ২৫ সিট দেওয়ার মালিক? ক্ষমতায় কে আসবে তা জনগণই ঠিক করবে। জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কি কোনো নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দিয়েছিল? নিজে যা চর্চা করে না, সেটি অন্যকে কেন বলবে? আমরা সেনা মোতায়নের বিরুদ্ধে নই।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সুষমা স্বরাজের বক্তব্যে নিজেদের আশাবাদের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তিনি যে আশ্বাস দিয়েছেন, তাতে আমরা আশাবাদী। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতেই হবে। তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই আনান কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়নে জোর অভিমত দিয়েছেন।

দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের এক বছরপূর্তি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অভিযাত্রা শেষ হয়নি। তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছি। জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হতে হবে। এই কমিটির চূড়ান্ত সফলতা নির্ভর করবে আগামী নির্বাচনের ফলাফলে। ডেমোক্রেসি ইজ এ গেম অব নাম্বার। বিজয়ী হলে সফলতা প্রমাণ হবে। এ সময় আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত ৪২ লাখ সদস্য সংগ্রহ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এই সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে