সমাবেশে আসা বাধ্যতামূলক ছিল

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ০০:৪২ | প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি ‘আনন্দের’ মন্তব্য করলেও গতকালের নাগরিক সমাবেশে লোক বাড়াতে সরকার চাপ প্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নাগরিক সমাবেশে স্কুল-কলেজসহ সব সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।

গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে ভাসানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেকটা স্কুল-কলেজকে চিঠি দিয়েছেন, না এলে (সমাবেশে) শিক্ষকদের চাকরি থাকবে না। ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে, না এলে পাঁচ দিনের বেতন কাটা যাবে এবং আসতেই হবে। সব স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের এ কথা বলে নিয়ে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে আসছেন। সকালে দেখে এসেছি বড় বড় বাসে স্কুলের বাচ্চাদের তোলা হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তোষামোদি করে রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন আনতে চান বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুলতিনি বলেন, তোষামোদি নয়, নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ দেখতে চায় তার দল। সিইসি নুরুল হুদার উদ্দেশে ফখরুল বলেন, আপনি নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নিন, নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। কাউকে তোষামোদি করার দরকার নেই।

সব রাজনৈতিক দলগুলোর সমান সুযোগ সৃষ্টির দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা মহাসুখে হেলিকপ্টারে চড়ে নির্বাচনী প্রচার চালাবেন, আর বিএনপি একটা মিটিংও করতে পারবে না, রাস্তায় দাঁড়াতে পারবে না, একটা সত্য কথাও বলতে পারবে না। দলের নেতাকর্মীদের আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হবে, খালেদা জিয়াকে সপ্তাহে সপ্তাহে হাজিরা দিতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন হতে হলে অবশ্যই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সব রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং এই সংসদকে ভেঙে দিতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে