x

সদ্যপ্রাপ্ত

  •  বিপিএল এর পঞ্চম আসরের শিরোপা জিতল রংপুর রাইডার্স। মাশরাফির হাতে চতুর্থ ট্রফি

তনুর পরিবারকে ঢাকায় তলব

  সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, কুমিল্লা

২২ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৪৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

গত ২০ মাসেও রহস্যেঘেরা বহুল আলোচিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকা-ের কোনো কিনারা হয়নি। তনুর ঘাতকরা অধরাই রয়ে গেছে। তদন্তের একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে রহস্য। ফলে এখনো মামলার তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। এ অবস্থায় আজ বুধবার ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে তনুর বাবা-মাসহ পরিবারের ৫ সদস্যকে যেতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তনুর মা আনোয়ারা বেগম।

আনোয়ারা বেগম বলেন, আর আমাদের কতো জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিআইডি। আসামিদের আইনের আওতায় না এনে বারবার আমাদের জিজ্ঞসাবাদের নামে হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সোমবার কুমিল্লা সিআইডি অফিস থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে আমি, আমার স্বামী, দুই ছেলে ও তনুর চাচাতো বোন লাইজুকে নিয়ে ঢাকায় সিআইডি অফিসে যেতে বলা হয়েছে। মেয়ে হত্যার বিচার পাব, সে আশাতেই আমরা ঢাকায় যাব।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুরুতে যাদের নাম বলেছি, বার বার এক কথাই বলে আসছি। যাদের ধরতে বলেছি, তাদের ধরলেই সব কিছু খোলাসা হয়ে যাবে।’

তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ‘একই কথা আর কত বলব। বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে গেছি; মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতিই দেখছি না। তিনি বলেন, আবার সিআইডি ঢাকায় ডেকেছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ঢাকা যাব। দেখি তারা কী বলেন। এখন আমরা খুব হতাশ; তবু তনু হত্যার বিচার যাতে হয়, সেজন্যই ঢাকা যাব।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন আহমেদ জানান, তনু হত্যার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করতে সিআইডি কাজ করে যাচ্ছ। তবে তনুর পরিবারের ঢাকায় যাওয়ার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গত বছরের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গল থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোডের্র অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যামামলা দায়ের করেন।

থানাপুলিশ ও ডিবির পর গত বছর ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্ত করছে কুমিল্লা সিআইডি। তনুর দুদফা ময়নাতদন্তে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ না করে প্রতিবেদন দেওয়ায় ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় দেখা দেয়। শেষ ভরসা ছিল ডিএনএ রিপোর্ট। গত বছর মে মাসে সিআইডি তনুর জামা-কাপড় থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে ৩ জনের শুক্রানু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। হত্যার আগে তনুকে ধর্ষণ করা হয়েছিলÑ এমন তথ্যও তারা নিশ্চিত করেছিল। পরে সন্দেহভাজনদের ডিএনএ মেলানোর কথা থাকলেও তা করা হয়েছে কিনা কিংবা ফল কী- এ নিয়ে মুখ খুলছে না সিআইডি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে