বাধা দিলেই আমি দোষী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:০৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শহিদ উল্লাহ্। টানা তৃতীয় দফায় নির্বাচিত হওয়া এই কাউন্সিলর এলাকার উন্নয়নে উৎসাহী বলে জানান। তবে ওয়ার্ডটি ঘুরে সর্বত্র অনিয়ম আর দখলদারি দেখা গেছে। এ ছাড়া রয়েছে মাদকের সর্বগ্রাসী বিস্তার।

এলাকার এমন সব অনিয়ম নিয়ে শহিদ উল্লাহ্ এক কথায় বলেন, সারা দেশেই একই চিত্র। বাধা দিতে গেলে আমরা দোষী। আর মাজার নিয়ে তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতে গেলে আমি খারাপ হয়ে যাব। আর এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

এলাকার একমাত্র পাঠাগারটি বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

মো. শহিদ উল্লাহ্ বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় উন্নয়নের ধারা ধরে রাখতে পেরেছি আমি। এলাকাবাসীর সমর্থন আছে আমার কাজে।

তিনি বলেন, এলাকার অনেক রাস্তাঘাট মেরামত করেছি আমি। বাকিটাও ঠিক করে ফেলব। পানি সমস্যা সমাধানে পানির একটি নতুন পাম্প নির্মাণ করছি আমি। এর পর ঢালকানগরে আরেকটি পাম্প বসানোর পরিকল্পনা আছে। আশা করছি পানি নিয়ে সমস্যা থাকবে না। জলাবদ্ধতা সমাধানে ড্রেনের সংস্কারকাজ চলছে বলে জানান তিনি।

অথচ এলাকার খাল দখল, অবৈধ বাজার, বুড়িগঙ্গা বেড়িবাঁধের ওপর গায়েবি মাজার, মিল ব্যারাক এলাকার বিশাল অবৈধ ট্রাক কনটেইনার ডিপো ও রাস্তা দখল বিষয়ে নিজের অবস্থানের যুৎসই কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এই কাউন্সিলর।

বেড়িবাঁধ ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা একাধিক মাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টা অনেক স্পর্শকাতর। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলি না। খাল ভরাট নিয়ে বলেন, প্রভাবশালীরা এখানে জড়িত, তাই আমি এর মধ্যে ঢুকি না। অন্যদিকে খালপাড়ে বাজার বাণিজ্য ঠেকাতে বেড়া দেওয়ার কথা বহুকাল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বললেও বেড়া দিচ্ছেন না কেনÑ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামীতে দেওয়া হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে