প্রশ্নফাঁসহীন একটি দিন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র। গতকাল ছিল ভিন্ন চিত্র। রুটিন অনুযায়ী এদিন সকালে পাঁচটি বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। বিকালে ছিল আরও আটটি বিষয়ের পরীক্ষা।

সকালের পরীক্ষার পর একটি কেন্দ্রে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তির নিশ্বাস নিতে দেখা যায়। বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে বেলা দেড়টায় একাধিক অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো বিষয়ের প্রশ্নপত্র আগে পাওয়া যায়নি। অভিভাবক সামছুল হক চৌধুরী বলেন, মনে হয় আপনাদের (গণমাধ্যমের) লেখালেখিতে কাজ হয়েছে। এভাবে প্রতিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দাবি করেন তিনি।

পরীক্ষার্থীরাও জানায়, অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় এসব বিষয়ের পরীক্ষা তুলনামূলকভাবে সহজ। কমন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বেশি পাওয়া যায়। ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রেরও চাহিদা বেশি থাকে।

গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সঙ্গীত বিষয়ের পরীক্ষা। দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠিত হয় আরবি, সংস্কৃত, পালি, কর্মমুখী শিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া, বেসিক ট্রেড, চারু ও কারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা। তবে পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল সোয়া ১০টায় কৃষিশিক্ষার ‘ক সেট’-এর প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে ‘আমার আমি’ নামে একটি আইডি থেকে দেওয়া হয়। সঙ্গে দেওয়া হয় উত্তরপত্র। পরে ‘অল’ নামের একটি আইডি থেকে একজন লেখেন, এখন দিয়ে লাভ কী? এ ছাড়া শনিবার রাত থেকেই ওইসব গ্রুপের অ্যাডমিনসহ অন্যরা লিখেন কাল (রবিবার) প্রশ্ন ফাঁস না-ও হতে পারে। এ ছাড়া অন্য সব বিষয়ের পরীক্ষার মতো পরীক্ষার্থীদের এ পরীক্ষার প্রশ্নে কম চাহিদা দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কেন প্রশ্ন ফাঁস হয়নি সেই কথা সবার না জানাই ভালো। দুষ্কৃতিরা সব সময় ফাঁকফোকর খোঁজে। তবে আমাদের কৌশলে আমরা এগোচ্ছি। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বোর্ডের সবাই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে