রিমান্ড শেষে কারাগারে ২২ শিক্ষার্থী

  আদালত প্রতিবেদক

১০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৮, ১১:০৪ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফাইল ছবি
নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলা আন্দোলনের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ২ দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এ আদেশ দেন।

বাড্ডা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া ও ভাটারা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদ দুই দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ২০ আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এবং অপর ২ আসামির পক্ষে রবিবার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জামিন আবেদনের শুনানিতে আইনজীবীরা বলেন, আসামিরা সবাই ছাত্র হলেও এজাহারে সেটা উল্লেখ করা হয়নি। ঘটনার দিন যারা মার খেল, তারাই আসামি হলো। বিচারকের হাত-পা বাঁধা বা ওপরের কোনো ওহি না থাকলে যে কোনও শর্তে জামিন মঞ্জুরের প্রার্থনা করতে পারেন।

কারাগারে যাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন রিসালাতুন ফেরদৌস, রেদোয়ান আহম্মেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা ওরফে তন্ময়, তরিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক, হাসান, আজিজুল করিম অন্তর, সামাদ মর্তুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ উল্লাস, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন নিঝুম ও আমিনুল এহসান বায়েজিদ।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ১৪ জন বাড্ডা থানার মামলায় এবং শেষের ৮ জন ভাটারা থানার মামলার আসামি। আসামিরা বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থসাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এর আগে গত ৭ জুলাই ২২ আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

বাড্ডা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুলহাস মিয়ার দাবি, গত ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আফতাবনগর মেইন গেটের সড়কে যান চলাচলে বাধা দেন। লাঠিসোটা, ইটপাটকেল দিয়ে রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুর করেন। পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের ওপর আক্রমণ করেন আসামিরা।

অন্যদিকে ভাটারা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদের দাবি, আসামিরা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতাল ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় লোহার রড, লোহার পাইপ ও ইট দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। আসামিরা বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসার দরজা-জানালা ভাঙচুর করেন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে